১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভিন ধর্মের নাবালিকার সঙ্গে কথা বলার অপরাধে বেধড়ক মারধর মুসলিম যুবককে   

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ভিন ধর্মালম্বী নাবালিকার সঙ্গে কথা বলার অপরাধে  যুবককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। এমনকি যুবকের বিরুদ্ধে পকসো মামলায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলায়।

 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশি সন্দেহে পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্থা-গণপিটুনি, কর্নাটকে গ্রেফতার চার যুবক

পুলিশ সূত্রে খবর, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিন ধর্মের এক কিশোরীর সঙ্গে কথা বলছিলেন ওই যুবক। ইন্সটাগ্রামে তাঁদের পরিচয় হয়। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে কথা বলার পর মাঝে মধ্যে তারা দেখা করতো। বৃহস্পতিবারও সুব্রহ্মণ্যম কেসিআরটিসি বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন তাঁরা। ওই সময় কয়েক জন যুবক একটি গাড়ি থেকে নেমে চড়থাপ্পড় মারা শুরু করেন যুবককে। তারপর টেনেহিঁচড়ে তাকে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়।  সেখানে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এমনকি, গলায় ছুরি ধরে ভয় দেখানো হয় তাঁকে। এমনকি ওই কিশোরীর সঙ্গে আর কোনও দিন কথা বললে তাঁর প্রাণ নিয়ে নেওয়া হবে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ছত্রিশগড়ে পুরুলিয়ার আট বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর, মুসলিম হওয়ায় নিশানা বজরং দলের!

 

আরও পড়ুন: অপরাধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাংলার: গণধর্ষণ-কাণ্ডে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী

ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্ততে কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৪, ৩০৭, ৩৬৫, ১৪৩, ১৪৭ এবং ১৪৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

তবে অন্যদিকে মেয়েটির বাবা যুবকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেছে। এছাড়াও বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে তাঁর মেয়ের নম্বর চাওয়া ও কিশোরীকে অশালীন ভাবে ছোঁয়ার অভিযোগ এনেছে। অভিযুক্ত ওই ছেলেটির নাম হাফিদ।  ইতিমধ্যেই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

অঙ্কিতা ভাণ্ডারি হত্যাকাণ্ড: রাজ্যজুড়ে “উত্তরাখণ্ড বন্ধ”-এর ডাক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভিন ধর্মের নাবালিকার সঙ্গে কথা বলার অপরাধে বেধড়ক মারধর মুসলিম যুবককে   

আপডেট : ৭ জানুয়ারী ২০২৩, শনিবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ভিন ধর্মালম্বী নাবালিকার সঙ্গে কথা বলার অপরাধে  যুবককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। এমনকি যুবকের বিরুদ্ধে পকসো মামলায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলায়।

 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশি সন্দেহে পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্থা-গণপিটুনি, কর্নাটকে গ্রেফতার চার যুবক

পুলিশ সূত্রে খবর, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিন ধর্মের এক কিশোরীর সঙ্গে কথা বলছিলেন ওই যুবক। ইন্সটাগ্রামে তাঁদের পরিচয় হয়। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে কথা বলার পর মাঝে মধ্যে তারা দেখা করতো। বৃহস্পতিবারও সুব্রহ্মণ্যম কেসিআরটিসি বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন তাঁরা। ওই সময় কয়েক জন যুবক একটি গাড়ি থেকে নেমে চড়থাপ্পড় মারা শুরু করেন যুবককে। তারপর টেনেহিঁচড়ে তাকে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়।  সেখানে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এমনকি, গলায় ছুরি ধরে ভয় দেখানো হয় তাঁকে। এমনকি ওই কিশোরীর সঙ্গে আর কোনও দিন কথা বললে তাঁর প্রাণ নিয়ে নেওয়া হবে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ছত্রিশগড়ে পুরুলিয়ার আট বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর, মুসলিম হওয়ায় নিশানা বজরং দলের!

 

আরও পড়ুন: অপরাধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাংলার: গণধর্ষণ-কাণ্ডে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী

ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্ততে কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৪, ৩০৭, ৩৬৫, ১৪৩, ১৪৭ এবং ১৪৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

তবে অন্যদিকে মেয়েটির বাবা যুবকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেছে। এছাড়াও বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে তাঁর মেয়ের নম্বর চাওয়া ও কিশোরীকে অশালীন ভাবে ছোঁয়ার অভিযোগ এনেছে। অভিযুক্ত ওই ছেলেটির নাম হাফিদ।  ইতিমধ্যেই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।