পুবের কলম প্রতিবেদক: বিশ্ব মহিলা ফুটবলে এখন উল্লেখযোগ্য নাম ইরান।পশ্চিমী দুনিয়া, বিশেষ করে মার্কিন মিডিয়া ইরানকে বারবার রক্ষণশীল প্রমাণ করতে চেষ্টা করেছে। অথচ ইরানের মেয়েরা সেই কোনকাল থেকে নানা ক্ষেত্রে নিজেদের কৃতিত্বের পরিচয় দিয়ে আসছে। সেখানে সেনাবাহিনীতেও রয়েছে মেয়েরা।আধুনিক অস্ত্র হাতে হিজাব পরিহিতা ইরানি মহিলা সেনার ছবি দেখতে চাইলে গুগলে সার্চ দিলেই হবে।
আরও পড়ুন:
বেশ কিছুদিন ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে উল্লেখযোগ্য পারফরমেন্স করার সুবাদেই ইরানের মহিলারা এএফসি এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে নিয়েছে। হিজাব পরিহিতা ইরানি মহিলা ফুটবলাররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে যাচ্ছেন। এএফসি এশিয়ান কাপে প্রথম ম্যাচেই বেশ নজর কেড়ে নিয়েছেন অধিনায়ক বেহনাজ তাহেরখানি– খাজালেহ তালেবি– মেলিকা মুহাম্মদি– ফতেমা আদেলিরা।
আরও পড়ুন:
ইরানের মহিলা দলের ফিফার্ Ranking এই মুহূর্তে ৭০– এএফসিতে তাদের Ranking ১৪। আর চলতি এএফসি এশিয়ান কাপে তারা গ্রূপ ‘এ’ তে চিন–ভারত ও চাইনিজ তাইপের সঙ্গে রয়েছে।
ভারতের সঙ্গে ইতিমধ্যেই ম্যাচ খেলে ফেলেছে। দুর্দান্ত খেলেও জয় পায়নি ইরান।অজস্র গোল মিসের খেসারত দিয়েছেন ইরানি মহিলা ফুটবলাররা। কিন্তু দুর্দান্ত ফুটবলে মন জিতে নিয়েছেন অনেকেরই। এবার তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী প্রতিপক্ষ চিন। আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে ভারতের থেকে শক্ত প্রতিপক্ষ ছিল ইরান। কিন্তু বাস্তব অন্য কথা বলছে। কারণ ইরানের মেয়েরা প্রথমবার এএফসি এশিয়ান কাপ খেলছে। আর প্রথমবারের হিসেবে তাঁরা যে ফুটবল উপহার দিয়েছেন সেটা এশিয়ার মহিলা ফুটবলের জন্য এক অনবদ্য উপহার।আরও পড়ুন:
চিনও তাঁদের নিয়ে শঙ্কিত। যদিও ধারে ভারে ভারত বা ইরানের চেয়ে অনেক শক্তিশালী চিন– কিন্তু ইরানের মহিলা ফুটবলাররা সেই সমীহ আদায় করে নিতে শিখেছেন– যেটা চিন বা চাইনিজ তাইপের মতো দলও তাঁদের এই মুহূর্তে দিচ্ছে। ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলার পরে দারুণ আত্মবিশ্বাসী ইরানের মহিলা ফুটবল দল। এএফসি এশিয়ান কাপে দারুণ একটা জায়গায় থেকে শেষ করতে চাইছেন বেহনাজ– মেলিকা– ফতেমারা।