১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরাট ঝুঁকিতে আফ্রিকা- মধ্যপ্রাচ্য

বিশ্বব্যাঙ্ক মনে করে; যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারে ২০৫০ সালের মধ্যে উত্তর আফ্রিকার ১৯.৩ মিলিয়ন মানুষ ও বিশ্বব্যাপী ২১৬ মিলিয়ন মানুষ অভ্যন্তরীনভাবে বাস্তুচ্যুত হবে। (হাইলাইটস)

 

আরও পড়ুন: ইরান ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি জোরদার

বিশেষ প্রতিবেদন: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার হুমকিতে রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিপাত; কঠোর তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ খরা আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যকে বিশ্বের সবচেয়ে পানিশূন্য অঞ্চলে পরিণত করেছে।

আরও পড়ুন: ইরান ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি প্রদর্শন, রণতরী পাঠানোর নির্দেশ ট্রাম্পের

 

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি তেহরানের

এ অঞ্চলের দেশগুলো এখন বিশ্বের সবচেয়ে শুষ্ক দেশগুলোর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। নভেম্বরে মিশরে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মিশরের কৃষকদের সিন্ডিকেটের প্রধান হোসেন আবু সাদ্দাম বলেন; তিনি নিজেই গ্রামাঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাবের সাক্ষী।

নতুন জলবায়ুজনিত বিপদের কারণে মিশরের কৃষি আরও কম লাভজনক হয়েছে। মিশর এখন বিশ্বের সবচেয়ে শুষ্ক দেশগুলোর মধ্যে একটি। বলা হচ্ছে; মিশরের মতো দেশগুলো এখন পরজীবী হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারে ক্ষুধা; দারিদ্র্য বাড়ছে।

আবু সাদ্দাম বলেন; গ্রামের যুবকরা কারখানায় কাজ করার জন্য বিদেশে বা বড় শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। রাষ্ট্রসংঘর শরণার্থী সংস্থা বলছে; প্রায় ৯০ শতাংশ শরণার্থী এমন দেশ থেকে আসে; যেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না।

এই দেশগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও কম প্রস্তুত। ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের উপপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন; ‘মানুষ যদি কৃষিকাজ করতে না পারে; কাজ করে খেতে না পারে; খাবার খুঁজে না পায়; তাহলে তাদের কাছে বাস্তুচ্যুতির কিছু বিকল্প আছে বলে মনে হয় না।’

২০২১ সালের প্রাকৃতিক দুর্যোগে আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। যতদিন যাচ্ছে; পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। গবেষকরা ভবিষ্যদ্বাী করেছেন; ২০৬০ সালের মধ্যে মিশরের কৃষিখাত ৪৭ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হতে পারে। সেন্টার ফর ইকোনমিকস রিসার্চ ফেলো ফ্লোরিয়ান বোনেফোইয়ের মতে; ‘কৃষি উৎপাদন হ্রাস’ ছাড়াও গ্রাম থেকে শহরে অভিবাসন বৃদ্ধি পাচ্ছে; শহুরে জীবনের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

পদ্মের মেয়র হয়েই মুম্বাই থেকে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ তাড়ানোর হুঁশিয়ারি ঋতুর, বিজেপির টার্গেট মুসলিমরা!

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরাট ঝুঁকিতে আফ্রিকা- মধ্যপ্রাচ্য

আপডেট : ১ নভেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার

বিশ্বব্যাঙ্ক মনে করে; যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারে ২০৫০ সালের মধ্যে উত্তর আফ্রিকার ১৯.৩ মিলিয়ন মানুষ ও বিশ্বব্যাপী ২১৬ মিলিয়ন মানুষ অভ্যন্তরীনভাবে বাস্তুচ্যুত হবে। (হাইলাইটস)

 

আরও পড়ুন: ইরান ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি জোরদার

বিশেষ প্রতিবেদন: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার হুমকিতে রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিপাত; কঠোর তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ খরা আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যকে বিশ্বের সবচেয়ে পানিশূন্য অঞ্চলে পরিণত করেছে।

আরও পড়ুন: ইরান ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি প্রদর্শন, রণতরী পাঠানোর নির্দেশ ট্রাম্পের

 

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি তেহরানের

এ অঞ্চলের দেশগুলো এখন বিশ্বের সবচেয়ে শুষ্ক দেশগুলোর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। নভেম্বরে মিশরে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মিশরের কৃষকদের সিন্ডিকেটের প্রধান হোসেন আবু সাদ্দাম বলেন; তিনি নিজেই গ্রামাঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাবের সাক্ষী।

নতুন জলবায়ুজনিত বিপদের কারণে মিশরের কৃষি আরও কম লাভজনক হয়েছে। মিশর এখন বিশ্বের সবচেয়ে শুষ্ক দেশগুলোর মধ্যে একটি। বলা হচ্ছে; মিশরের মতো দেশগুলো এখন পরজীবী হয়ে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারে ক্ষুধা; দারিদ্র্য বাড়ছে।

আবু সাদ্দাম বলেন; গ্রামের যুবকরা কারখানায় কাজ করার জন্য বিদেশে বা বড় শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। রাষ্ট্রসংঘর শরণার্থী সংস্থা বলছে; প্রায় ৯০ শতাংশ শরণার্থী এমন দেশ থেকে আসে; যেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না।

এই দেশগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও কম প্রস্তুত। ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের উপপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন; ‘মানুষ যদি কৃষিকাজ করতে না পারে; কাজ করে খেতে না পারে; খাবার খুঁজে না পায়; তাহলে তাদের কাছে বাস্তুচ্যুতির কিছু বিকল্প আছে বলে মনে হয় না।’

২০২১ সালের প্রাকৃতিক দুর্যোগে আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। যতদিন যাচ্ছে; পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। গবেষকরা ভবিষ্যদ্বাী করেছেন; ২০৬০ সালের মধ্যে মিশরের কৃষিখাত ৪৭ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হতে পারে। সেন্টার ফর ইকোনমিকস রিসার্চ ফেলো ফ্লোরিয়ান বোনেফোইয়ের মতে; ‘কৃষি উৎপাদন হ্রাস’ ছাড়াও গ্রাম থেকে শহরে অভিবাসন বৃদ্ধি পাচ্ছে; শহুরে জীবনের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হচ্ছে।