পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: কেদারনাথ ধামে বিপর্যয়ের লক্ষণ। গত ১০ দিনে দু'ই বার তুষারপাতের ঘটনা। ২৩ শে সেপ্টেম্বরের পর ফের ভয়ঙ্কর তুষারধস নামল কেদারনাথ ধামের পিছনের পাহাড়ে। তবে এই ঘটনায় মন্দিরের কোনও ক্ষতি হয়নি, এমনটাই জানিয়েছেন বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির সভাপতি।
আরও পড়ুন:
এই প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্রী বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির সভাপতি অজেন্দ্র অজয় জানিয়েছেন, “শনিবার সকালে হিমালয় অঞ্চলে একটি তুষারপাত ঘটেছে, কিন্তু কেদারনাথ মন্দিরের কোনও ক্ষতি হয়নি।
”আরও পড়ুন:
এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। তারপর স্থানীয় স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়ন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তীর্থযাত্রীদের সতর্ক করার জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ২৩শে সেপ্টেম্বর, কেদারনাথ মন্দির থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চারাবাড়ি হিমবাহে একটি তুষারপাতের ঘটনা ঘটে। ২০১৩ সালের তুমুল বৃষ্টির ফলে সৃষ্টি হওয়া আকস্মিক বন্যার ও ভূমিধসে রাস্তাঘাট ও সেতু ভেসে যাওয়ায় প্রায় কেদারনাথ ধামে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ আটকে পড়েছিল সেদিন।
আরও পড়ুন:
গত কয়েকদিন ধরে উত্তরাখণ্ডের আবহাওয়া খুবই খারাপ। একটানা বৃষ্টি হচ্ছে, যার কারণে ভূমিধস ও তুষার ধসের ঘটনা বেড়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে হিমালয় অঞ্চলের বেশিরভাগ হিমবাহ জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে দ্রুত গলে যাচ্ছে। ১৯৩৫ সাল থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে, হিমবাহের পশ্চাদপসরণের গড় হার ছিল প্রতি বছর ২০ মিটার, যা প্রতি বছর ৩৮ মিটারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে গত দশকে গঙ্গোত্রীর প্রায় ৩০০ মিটার পিছিয়ে যাওয়ার সাথে হিমবাহের গলন ত্বরান্বিত হয়েছে।