১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবী অবমাননার প্রতিবাদে সর্ব ধর্মের মানুষের অভিনব মিছিল

এস জে আব্বাস , শক্তিগড়: সম্প্রতি নবী মুহাম্মদ সা কে নিয়ে বিজেপির প্রবক্তা নূপুর শর্মার মন্তব্যের প্রতিবাদে আন্দোলনের জোয়ার বইছে দেশ জুড়ে । এ বিষয়ে একটু ব্যতিক্রমী ভাবে মৌন শান্তি মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ করলো জামালপুর নাগরিক জনকল্যাণ সোসাইটি। হালারা মোড় থেকে জামালপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত এই মিছিলে পা মেলান বিভিন্ন ধর্মের কয়েক শো মানুষ।

 

আরও পড়ুন: এসআইআরের হয়রানির প্রতিবাদে জয়নগরের বামনের চকে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ এলাকার মানুষ

মিছিলের শুরুতে দেখা যায় ভারতের প্রতীক মানচিত্র নিয়ে ভারতমাতা সহ নানা ধরনের ট্যাবলো। সেখানে দেখা যায় এক হিন্দু ব্রাহ্মণ এক মুসলিম ভাইকে রক্ত দিচ্ছেন। হিন্দুদের মন্দির, মুসলিমদের মসজিদ, খ্রিস্টানদের চার্চ ও শিখদের গুরুদোয়ারা প্রত্যেকটি প্রতীকের সাথে সংশ্লিষ্ট ধর্মের মানুষ পা মেলান।

আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদে দশ দলের সভা, মোদী সরকারের নীরবতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা

 

আরও পড়ুন: Khyber Pakhtunkhwa: চিনা জেট থেকে বোমা হামলা,পাকিস্তানে ৩০ নিহত

মিছিলে ছিলেন জনকল্যাণ সোসাইটির সভাপতি মেহেমুদ খান, কোষাধক্ষ্য ভূতনাথ মালিক, শিখ ধর্মের মহেন্দ্র সিং শালভি, সহ তাদের ধর্মের ধর্মগুরু, মুসলিমদের ইমাম, হিন্দুদের পুরোহিত ও খ্রিস্টানদের ফাদার সহ মিঠু মাঝি, সাহাবুদ্দিন মন্ডল, ডা প্রতাপ রক্ষিত,তারক টুডু ও অন্যান্যরা। মিছিলে ছিল না কোনো স্লোগান। শুধুমাত্র দেশাত্মোবোধক গান বাজতে থাকে। আর মিছিলের উদ্দেশ্য খুব ধীর স্বরে মাইকে বলা হচ্ছিল।

 

মেহেমুদ খান বলেন,’ প্রতিবাদের ভাষা হিংসা হওয়া উচিত নয়। বিজেপির প্রবক্তা নূপুর শর্মা যে অন্যায় করেছে তার শাস্তি তাকে ভারতীয় আইন দেবে। তার বক্তব্যের জন্য তিনি তীব্র ধিক্কার জানান।’তিনি আরও বলেন,’ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও তার এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন না। তাই সকলকে নিয়ে অভিনব প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে এই মৌন মিছিলের আয়োজন।এই মিছিলে সর্ব ধর্মের মানুষ পা মিলিয়ে প্রমাণ করল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোনোভাবেই নষ্ট করা যাবে না।’ এলাকার শান্তি কামী মানুষের দাবি, এই মিছিল রাজ্য তথা দেশ জুড়ে আন্দোলনে এক আলাদা মাত্রা এনে দেবে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ল এক সপ্তাহ, কমিশন ও রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নবী অবমাননার প্রতিবাদে সর্ব ধর্মের মানুষের অভিনব মিছিল

আপডেট : ১৯ জুন ২০২২, রবিবার

এস জে আব্বাস , শক্তিগড়: সম্প্রতি নবী মুহাম্মদ সা কে নিয়ে বিজেপির প্রবক্তা নূপুর শর্মার মন্তব্যের প্রতিবাদে আন্দোলনের জোয়ার বইছে দেশ জুড়ে । এ বিষয়ে একটু ব্যতিক্রমী ভাবে মৌন শান্তি মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ করলো জামালপুর নাগরিক জনকল্যাণ সোসাইটি। হালারা মোড় থেকে জামালপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত এই মিছিলে পা মেলান বিভিন্ন ধর্মের কয়েক শো মানুষ।

 

আরও পড়ুন: এসআইআরের হয়রানির প্রতিবাদে জয়নগরের বামনের চকে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ এলাকার মানুষ

মিছিলের শুরুতে দেখা যায় ভারতের প্রতীক মানচিত্র নিয়ে ভারতমাতা সহ নানা ধরনের ট্যাবলো। সেখানে দেখা যায় এক হিন্দু ব্রাহ্মণ এক মুসলিম ভাইকে রক্ত দিচ্ছেন। হিন্দুদের মন্দির, মুসলিমদের মসজিদ, খ্রিস্টানদের চার্চ ও শিখদের গুরুদোয়ারা প্রত্যেকটি প্রতীকের সাথে সংশ্লিষ্ট ধর্মের মানুষ পা মেলান।

আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদে দশ দলের সভা, মোদী সরকারের নীরবতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা

 

আরও পড়ুন: Khyber Pakhtunkhwa: চিনা জেট থেকে বোমা হামলা,পাকিস্তানে ৩০ নিহত

মিছিলে ছিলেন জনকল্যাণ সোসাইটির সভাপতি মেহেমুদ খান, কোষাধক্ষ্য ভূতনাথ মালিক, শিখ ধর্মের মহেন্দ্র সিং শালভি, সহ তাদের ধর্মের ধর্মগুরু, মুসলিমদের ইমাম, হিন্দুদের পুরোহিত ও খ্রিস্টানদের ফাদার সহ মিঠু মাঝি, সাহাবুদ্দিন মন্ডল, ডা প্রতাপ রক্ষিত,তারক টুডু ও অন্যান্যরা। মিছিলে ছিল না কোনো স্লোগান। শুধুমাত্র দেশাত্মোবোধক গান বাজতে থাকে। আর মিছিলের উদ্দেশ্য খুব ধীর স্বরে মাইকে বলা হচ্ছিল।

 

মেহেমুদ খান বলেন,’ প্রতিবাদের ভাষা হিংসা হওয়া উচিত নয়। বিজেপির প্রবক্তা নূপুর শর্মা যে অন্যায় করেছে তার শাস্তি তাকে ভারতীয় আইন দেবে। তার বক্তব্যের জন্য তিনি তীব্র ধিক্কার জানান।’তিনি আরও বলেন,’ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও তার এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন না। তাই সকলকে নিয়ে অভিনব প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে এই মৌন মিছিলের আয়োজন।এই মিছিলে সর্ব ধর্মের মানুষ পা মিলিয়ে প্রমাণ করল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোনোভাবেই নষ্ট করা যাবে না।’ এলাকার শান্তি কামী মানুষের দাবি, এই মিছিল রাজ্য তথা দেশ জুড়ে আন্দোলনে এক আলাদা মাত্রা এনে দেবে।