০২ মার্চ ২০২৬, সোমবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ,মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার নির্দেশ

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ধেয়ে আসছে ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ । এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ৪ ও ৫ তারিখ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া ও কলকাতায় অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

 

আরও পড়ুন: এবার বাংলায় ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’

 

আরও পড়ুন: প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসন

ইতিমধ্যে হাওয়া অফিসের তরফ থেকে মৎস্যজীবী ও কৃষকদের সতর্ক করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের দুর্যোগের ৩ দিন সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে চাষীদেরও  পাকা ধান মাঠ থেকে তুলে নিতে বলা হয়েছে। নবান্ন থেকে এই মর্মে নির্দেশিকাও জারী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত: প্রশাসনের নজর উপকূলে, সব রকম প্রস্তুতি শুরু

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ। মৌসম ভবনের  দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামী শনিবার আছড়ে পড়তে জাওয়াদ।

কিন্তু জানেন কি এই সমস্ত ঘূর্ণীঝড়গুলির নামকরণ করে থাকে কোন না কোন দেশ। জাওয়াদ- এর নামকরণ করেছে সৌদি আরব। চলতি কথায় একে বলা হয় জওয়াদ।

এর পরের সাইক্লোনের নাম অশনি। শ্রীলঙ্কা যার নাম দিয়েছে।

আরবিতে জাওয়াদ শব্দের অর্থ হল মহান, গৌরবময় এবং মহানুভব। ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, বাংলাদেশ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান এবং আরব দেশগুলি  পর্যায়ক্রমে এই ঘূর্ণীঝড়ের নামকরণ করেছে। ২০২০ সাল থেকে আজ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মোট ১৩ টা ঘূর্ণীঝড় হয়েছে। যেখানে পর্যায়ক্রমে এশীয় দেশগুলি তার নামকরণ করেছে।

ক্রান্তীয় ঘূর্ণীঝড়গুলির   নামকরণ করবে এশীয় মহাদেশের দেশগুলি। ২০০৪ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থায় এই মর্মে সনদ সাক্ষরিত হয়।

 

বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হচ্ছে দ্রুত। ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ নাম নিয়ে তা ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দফতর ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ওড়িশায়।

 

শীতের মরসুমেও ঘূর্ণীঝড়ের ভ্রূকুটি। আগামী শনিবার ৪ঠা ডিসেম্বর ওড়িশা উপকূল এবং উত্তর অন্ধপ্রদেশের মধ্যে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ-এর।ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার থেকে ১১৭ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়।   আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে শেষ মুহূর্তে পুর্ব উপকূলের গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা  আছে।

মৌসম ভবন সূত্রে জানা যাচ্ছে মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ থাইল্যান্ড এবং সংলগ্ন অঞ্চলে একটি নিম্নচাপ অবস্থান করছে। যা আগামী ১২ ঘণ্টায় আন্দামান সাগরে পৌঁছে যাবে। তারপর পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বৃহস্পতিবারের মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।

 

এই দক্ষিণ-পূর্ব এবং সংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। যার জেরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তা ঘূর্ণীঝড়ের রূপ নেবে।

তারপর আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে সেই ঘূর্ণিঝড়। যা বর্ষার পর প্রথম ঘূর্ণিঝড় হতে চলেছে। সেইসঙ্গে ক্রমাগত শক্তি বাড়াতে থাকবে। শেষপর্যন্ত শনিবার আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ।

সর্বধিক পাঠিত

বীরভূমে ‘SIR’ আতঙ্ক: চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ তকমা, মানসিক অবসাদে মৃত্যু যুবকের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ,মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার নির্দেশ

আপডেট : ২ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ধেয়ে আসছে ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ । এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ৪ ও ৫ তারিখ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া ও কলকাতায় অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

 

আরও পড়ুন: এবার বাংলায় ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’

 

আরও পড়ুন: প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসন

ইতিমধ্যে হাওয়া অফিসের তরফ থেকে মৎস্যজীবী ও কৃষকদের সতর্ক করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের দুর্যোগের ৩ দিন সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে চাষীদেরও  পাকা ধান মাঠ থেকে তুলে নিতে বলা হয়েছে। নবান্ন থেকে এই মর্মে নির্দেশিকাও জারী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত: প্রশাসনের নজর উপকূলে, সব রকম প্রস্তুতি শুরু

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ। মৌসম ভবনের  দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামী শনিবার আছড়ে পড়তে জাওয়াদ।

কিন্তু জানেন কি এই সমস্ত ঘূর্ণীঝড়গুলির নামকরণ করে থাকে কোন না কোন দেশ। জাওয়াদ- এর নামকরণ করেছে সৌদি আরব। চলতি কথায় একে বলা হয় জওয়াদ।

এর পরের সাইক্লোনের নাম অশনি। শ্রীলঙ্কা যার নাম দিয়েছে।

আরবিতে জাওয়াদ শব্দের অর্থ হল মহান, গৌরবময় এবং মহানুভব। ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, বাংলাদেশ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান এবং আরব দেশগুলি  পর্যায়ক্রমে এই ঘূর্ণীঝড়ের নামকরণ করেছে। ২০২০ সাল থেকে আজ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মোট ১৩ টা ঘূর্ণীঝড় হয়েছে। যেখানে পর্যায়ক্রমে এশীয় দেশগুলি তার নামকরণ করেছে।

ক্রান্তীয় ঘূর্ণীঝড়গুলির   নামকরণ করবে এশীয় মহাদেশের দেশগুলি। ২০০৪ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থায় এই মর্মে সনদ সাক্ষরিত হয়।

 

বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হচ্ছে দ্রুত। ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ নাম নিয়ে তা ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দফতর ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ওড়িশায়।

 

শীতের মরসুমেও ঘূর্ণীঝড়ের ভ্রূকুটি। আগামী শনিবার ৪ঠা ডিসেম্বর ওড়িশা উপকূল এবং উত্তর অন্ধপ্রদেশের মধ্যে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ-এর।ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার থেকে ১১৭ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়।   আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে শেষ মুহূর্তে পুর্ব উপকূলের গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা  আছে।

মৌসম ভবন সূত্রে জানা যাচ্ছে মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ থাইল্যান্ড এবং সংলগ্ন অঞ্চলে একটি নিম্নচাপ অবস্থান করছে। যা আগামী ১২ ঘণ্টায় আন্দামান সাগরে পৌঁছে যাবে। তারপর পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বৃহস্পতিবারের মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।

 

এই দক্ষিণ-পূর্ব এবং সংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। যার জেরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তা ঘূর্ণীঝড়ের রূপ নেবে।

তারপর আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে সেই ঘূর্ণিঝড়। যা বর্ষার পর প্রথম ঘূর্ণিঝড় হতে চলেছে। সেইসঙ্গে ক্রমাগত শক্তি বাড়াতে থাকবে। শেষপর্যন্ত শনিবার আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণীঝড় জাওয়াদ।