পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে শুক্রবার দেশটির পার্লামেন্টে তোলা হচ্ছে অনাস্থা প্রস্তাবে ভোটাভুটির ঠিক আগে তার আরেক ঘনিষ্ঠ মিত্র জামহুরি ওয়াতন পার্টি (জেডব্লিউপি) প্রধান শাহজাইন বুগতি জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এমনকি অনাস্থা প্রস্তাবে ইমরান খানের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম পাকিস্তান ট্রিবিউন রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
আরও পড়ুন:
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুগতি রোববার ফেডারেল মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা করেন।পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সভাপতি বিলাওয়াল ভুট্টোর সঙ্গে দেখা করার পরই ইমরানের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তিনি।
আরও পড়ুন:
পদত্যাগ ঘোষণার পর বিলাওয়াল ভুট্টোর সঙ্গেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বুগতি। এসময় তিনি জানান, বেলুচিস্তানের মানুষের আস্থায় আঘাত করেছে ইমরান সরকার। দেশের অবস্থা দেখে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বিরোধীদের পাশেই রয়েছি।
আরও পড়ুন:
বুগতির পদত্যাগের ব্যাপারে বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, সরকার থেকে পদত্যাগ করে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটির আগে তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) অন্তত ৫০ জন মন্ত্রীকে রাজনৈতিক দৃশ্যপটে দেখা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন:
বিরোধী দলের আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি শুক্রবার পার্লামেন্টে ওঠার কথা থাকলেও স্পিকার অধিবেশন মুলতবি করায় তা পিছিয়ে যায়। সেটি এখন সোমবার অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে এবং এর ওপর সাত দিন বিতর্কের পর চূড়ান্ত ভোটাভুটি হবে।
আরও পড়ুন:
ইমরান খানের সরকারের জোটে থাকা তিনটি বড় শরিক দল ইঙ্গিত দিয়েছে, পার্লামেন্টের অনাস্থা ভোটে তারা বিরোধী দলের পক্ষে থাকতে পারে, যা সরকারের পতন ঘটাতে যথেষ্ট।
আরও পড়ুন:
বিরোধী নেতারা এমন দাবিও করেছেন যে, ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের ডজনখানেক সদস্যও অনাস্থার পক্ষে সমর্থন দিতে পারেন।
দলটির অন্তত ডজনখানেক আইনপ্রণেতা মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে না পারার জন্য নেতার দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।আরও পড়ুন:
পাকিস্তানে কোনো প্রধানমন্ত্রীর পুরো মেয়াদ ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড নেই। ইমরান যদি আস্থা ভোটে উৎরাতে ব্যর্থ হন, সেই রেকর্ড আরও দীর্ঘায়িত হবে।
আরও পড়ুন:
ক্রিকেট মাঠ থেকে রাজনীতিতে এসে প্রধানমন্ত্রী বনে যাওয়া ইমরান অবশ্য পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখান করেছেন। তার দাবি, বিরোধীদের কর্মকাণ্ডে তার জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে।