২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে মন্তব্য  অমর্ত্য সেনের  

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে এমনটাই মনে করেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। এদিন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখী হয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন তিনি। এদিন তিনি আরও বলেন, বিজেপি বিরোধী সমস্ত ক্ষোভকে একজায়গায় নিয়ে আসতে হবে। যদি সেটা সম্ভব হয় তাহলে ২০২৪ বিজেপিকে হারানো সম্ভব। যদিও সেই উদ্যোগ এখনও অস্পষ্ট।তাঁর মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি বিরোধী সমস্ত ক্ষোভকে এক জায়গায় নিয়ে এসে বিভাজনকে যদি দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন, তবে অবশ্যই তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে থাকবেন।

 

আরও পড়ুন: রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের নামের আগে ‘স্বামী’ শব্দ ব্যবহার প্রধানমন্ত্রীর, ‘বাংলাকে অপমান’ গর্জে উঠলেন মমতা

অমর্ত্য সেন আরও বলেন, ‘বিজেপির জায়গা কেউ নিতে পারবে না, এমনটা মনে করাটা ভুল হবে। কারণ, বিজেপি দেশের বাকি অংশের চেয়ে হিন্দুত্বের  দিকেই বেশি ঝুঁকেছে।’ গত বছর একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চব্বিশের নির্বাচনের ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী করতে চেয়েছিলেন। দিদি বলেছিলেন, ‘কোন অঙ্কে, কীভাবে আমি বলব না। তবে চব্বিশে দিল্লিতে বিজেপি থাকবে না, থাকবে না, থাকবে না।’ তারপর অবশ্য আঞ্চলিক শক্তির কথা তুলে ধরেছিলেন তৃণমূলনেত্রী।

আরও পড়ুন: দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা! হাসপাতালে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান

 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

অমর্ত্য সেনও তাঁর সাক্ষাৎকারে ২০২৪ সালের নির্বাচনে আঞ্চলিক শক্তির গুরুত্বের কথা বলেছেন। সেখানে অন্যান্য দলের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, ‘‌বিজেপি যেভাবে নিজেকে বিরাট শক্তিধর হিসেবে দেখায় সেটা একটা দিক। কিন্তু বিজেপির দুর্বলতাও বিস্তর। সমস্ত দল যদি একসঙ্গে লড়াই করতে পারে তাহলে ২০২৪ সালে বিজেপিকে রুখে দেওয়া সম্ভব।’‌

 

তবে কংগ্রেসের ব্যাপারে একটু ভিন্নমত পোষণ করে তিনি বলেন, ওই দলটি এখন দুর্বল হয়ে গেছে। আর যেভাবে দুর্বল হয়েছে তাতে তাদের উপর মানুষ কতটা আস্থা রাখবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন নোবেলজয়ী। বিজেপির বিরুদ্ধে বিষোদগার করে তিনি জানান, বিজেপি ভারতের ধারণাটাকেই খারাপ করেছে। শুধু হিন্দু ভারতের কথা বলে বহুত্ববাদের ধারণাকেই খাটো করে দিয়েছে। হিন্দিভাষী ভারত বানাতে চাইছে বিজেপি। তাই বিজেপির বিকল্প না এলে তা খুবই দুঃখের বিষয় হবে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় টহল ভ্যান দুমড়ে মুচড়ে ৫ পুলিশকর্মীর মৃত্যু; আশঙ্কাজনক ২

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে মন্তব্য  অমর্ত্য সেনের  

আপডেট : ১৪ জানুয়ারী ২০২৩, শনিবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে এমনটাই মনে করেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। এদিন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখী হয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন তিনি। এদিন তিনি আরও বলেন, বিজেপি বিরোধী সমস্ত ক্ষোভকে একজায়গায় নিয়ে আসতে হবে। যদি সেটা সম্ভব হয় তাহলে ২০২৪ বিজেপিকে হারানো সম্ভব। যদিও সেই উদ্যোগ এখনও অস্পষ্ট।তাঁর মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি বিরোধী সমস্ত ক্ষোভকে এক জায়গায় নিয়ে এসে বিভাজনকে যদি দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন, তবে অবশ্যই তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে থাকবেন।

 

আরও পড়ুন: রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের নামের আগে ‘স্বামী’ শব্দ ব্যবহার প্রধানমন্ত্রীর, ‘বাংলাকে অপমান’ গর্জে উঠলেন মমতা

অমর্ত্য সেন আরও বলেন, ‘বিজেপির জায়গা কেউ নিতে পারবে না, এমনটা মনে করাটা ভুল হবে। কারণ, বিজেপি দেশের বাকি অংশের চেয়ে হিন্দুত্বের  দিকেই বেশি ঝুঁকেছে।’ গত বছর একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চব্বিশের নির্বাচনের ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী করতে চেয়েছিলেন। দিদি বলেছিলেন, ‘কোন অঙ্কে, কীভাবে আমি বলব না। তবে চব্বিশে দিল্লিতে বিজেপি থাকবে না, থাকবে না, থাকবে না।’ তারপর অবশ্য আঞ্চলিক শক্তির কথা তুলে ধরেছিলেন তৃণমূলনেত্রী।

আরও পড়ুন: দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা! হাসপাতালে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান

 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

অমর্ত্য সেনও তাঁর সাক্ষাৎকারে ২০২৪ সালের নির্বাচনে আঞ্চলিক শক্তির গুরুত্বের কথা বলেছেন। সেখানে অন্যান্য দলের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, ‘‌বিজেপি যেভাবে নিজেকে বিরাট শক্তিধর হিসেবে দেখায় সেটা একটা দিক। কিন্তু বিজেপির দুর্বলতাও বিস্তর। সমস্ত দল যদি একসঙ্গে লড়াই করতে পারে তাহলে ২০২৪ সালে বিজেপিকে রুখে দেওয়া সম্ভব।’‌

 

তবে কংগ্রেসের ব্যাপারে একটু ভিন্নমত পোষণ করে তিনি বলেন, ওই দলটি এখন দুর্বল হয়ে গেছে। আর যেভাবে দুর্বল হয়েছে তাতে তাদের উপর মানুষ কতটা আস্থা রাখবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন নোবেলজয়ী। বিজেপির বিরুদ্ধে বিষোদগার করে তিনি জানান, বিজেপি ভারতের ধারণাটাকেই খারাপ করেছে। শুধু হিন্দু ভারতের কথা বলে বহুত্ববাদের ধারণাকেই খাটো করে দিয়েছে। হিন্দিভাষী ভারত বানাতে চাইছে বিজেপি। তাই বিজেপির বিকল্প না এলে তা খুবই দুঃখের বিষয় হবে।