১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সামিরুল, ওঁদের ফেরানোর ব্যবস্থা করো: বোলপুর থেকে বার্তা মমতার

রাজ্যের ২২ লক্ষ পরিযায়ীকে ফেরানোর নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: রাজ্যের ২২ লক্ষ পরিযায়ীকে ফেরানোর নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ভিনরাজ্যে বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালি হেনস্থা চরমে। বাংলা ও বাঙালির নাম শুনলেই ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়া হচ্ছে। বাঙালিরা যেন এদেশের নাগরিকই না। বাংলা বললেই ডিটেনশন ক্যাম্প ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর যেই ঘটনার প্রতিবাদে আগেই রাজপথে নেমেছিল তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য রাজ্য পুলিশের তরফে চালু হয়েছে হেল্পলাইন নাম্বার।  এবার বাঙালি ‘হেনস্তা’ রুখতে বড় পদক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার, বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন,  বাইরে আমাদের ২২ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক কাজ করে। তাঁদের সবাইকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করুন। তাঁরা রাজ্যে ফিরে এলে তাঁদের ১০০ দিনের কাজ দেওয়া হবে। দালালের সাহায্য নিয়ে বাইরে কাজ করার প্রয়োজন নেই। ভিনরাজ্যে কোনও সমস্যায় পড়লে দালালরা সাহায্য করেনা। তখন ওরা মুখ ঘুরিয়ে নেয়। পালিয়ে যায়। দরকার নেই রাজ্যের বাইরে গিয়ে কাজ করার। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলা ভাষায় কথা বললেই মারছে। শিশু থেকে মহিলা কাউকে ছাড়ছে না। হরিয়ানা, গুরগাঁওয়ে ডিটেনশন ক্যাম্প করে আটকে রাখা হয়েছে। আমাদের রাজ্যেও তো অনেকে কাজের সন্ধানে আসে। কই আমরা তো এমনকরিনা। এই রকম ভাষা সন্ত্রাস আমরা সহ্য করব না।

আরও পড়ুন: Chetla Agrani Club: চেতলা অগ্রণীর পুজো মণ্ডপে আগুন

এদিন তিনি আরও বলেন, ‘মুখ্যসচিবের সঙ্গে কথা বলে স্কিম তৈরি করে যারা ফিরে আসতে চান তাঁদের আমরা ফিরিয়ে আনব। রাজ্যে ফিরে আসার পর নিজের বাড়ি থাকলে ভালো। আর নাহলে আমরা ক্যাম্প করে দেব। এছাড়া রেশন কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, কর্মশ্রী প্রকল্পে ওঁদের কাজের ব্যবস্থা করে দেব। ওঁদের জব কার্ড দিয়ে দেওয়া হবে। এই মুহূর্তে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্য সরকারের তৈরি সেলের দায়িত্বে রয়েছে বীরভূমের ভূমিপুত্র তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম। তাঁর উদ্দেশেই মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, সামিরুল, ওঁদের ফেরানোর ব্যবস্থা করো।

আরও পড়ুন: মহালয়ায় সবাইককে শুভেচ্ছা মমতা-অভিষেকের

আরও পড়ুন: বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচী জয়নগরে
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

ইরান ছাড়ার জরুরি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের, নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সামিরুল, ওঁদের ফেরানোর ব্যবস্থা করো: বোলপুর থেকে বার্তা মমতার

রাজ্যের ২২ লক্ষ পরিযায়ীকে ফেরানোর নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতার

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২৫, সোমবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: রাজ্যের ২২ লক্ষ পরিযায়ীকে ফেরানোর নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ভিনরাজ্যে বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালি হেনস্থা চরমে। বাংলা ও বাঙালির নাম শুনলেই ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়া হচ্ছে। বাঙালিরা যেন এদেশের নাগরিকই না। বাংলা বললেই ডিটেনশন ক্যাম্প ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর যেই ঘটনার প্রতিবাদে আগেই রাজপথে নেমেছিল তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য রাজ্য পুলিশের তরফে চালু হয়েছে হেল্পলাইন নাম্বার।  এবার বাঙালি ‘হেনস্তা’ রুখতে বড় পদক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার, বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন,  বাইরে আমাদের ২২ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক কাজ করে। তাঁদের সবাইকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করুন। তাঁরা রাজ্যে ফিরে এলে তাঁদের ১০০ দিনের কাজ দেওয়া হবে। দালালের সাহায্য নিয়ে বাইরে কাজ করার প্রয়োজন নেই। ভিনরাজ্যে কোনও সমস্যায় পড়লে দালালরা সাহায্য করেনা। তখন ওরা মুখ ঘুরিয়ে নেয়। পালিয়ে যায়। দরকার নেই রাজ্যের বাইরে গিয়ে কাজ করার। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলা ভাষায় কথা বললেই মারছে। শিশু থেকে মহিলা কাউকে ছাড়ছে না। হরিয়ানা, গুরগাঁওয়ে ডিটেনশন ক্যাম্প করে আটকে রাখা হয়েছে। আমাদের রাজ্যেও তো অনেকে কাজের সন্ধানে আসে। কই আমরা তো এমনকরিনা। এই রকম ভাষা সন্ত্রাস আমরা সহ্য করব না।

আরও পড়ুন: Chetla Agrani Club: চেতলা অগ্রণীর পুজো মণ্ডপে আগুন

এদিন তিনি আরও বলেন, ‘মুখ্যসচিবের সঙ্গে কথা বলে স্কিম তৈরি করে যারা ফিরে আসতে চান তাঁদের আমরা ফিরিয়ে আনব। রাজ্যে ফিরে আসার পর নিজের বাড়ি থাকলে ভালো। আর নাহলে আমরা ক্যাম্প করে দেব। এছাড়া রেশন কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, কর্মশ্রী প্রকল্পে ওঁদের কাজের ব্যবস্থা করে দেব। ওঁদের জব কার্ড দিয়ে দেওয়া হবে। এই মুহূর্তে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্য সরকারের তৈরি সেলের দায়িত্বে রয়েছে বীরভূমের ভূমিপুত্র তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম। তাঁর উদ্দেশেই মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, সামিরুল, ওঁদের ফেরানোর ব্যবস্থা করো।

আরও পড়ুন: মহালয়ায় সবাইককে শুভেচ্ছা মমতা-অভিষেকের

আরও পড়ুন: বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচী জয়নগরে