১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘চিকিৎসায় গাফিলতি একটা অপরাধ, এটা যেন না হয়,’ স্বাস্থ্য পর্যালোচনা বৈঠক থেকে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  স্বাস্থ্য পর্যালোচনা বৈঠক থেকেই রাজ্যের রাস্তাঘাট সাফাই থেকে ‘স্বাস্থ্য পরিষেবা’ নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতালে প্রসূতিকে একটা জায়গা থেকে অপর একটি হস্তান্তর করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রসূতিকে কেন হাসপাতালে বসে অপেক্ষা করতে হবে? একটা জায়গা থেকে অপর একটি জায়গায় যেতে যেতে তো প্রসূতি মরে যাবে। এর থেকে তো ভালো জেলায় আশাকর্মীদের সাহায্য নেওয়া। মুখ্যমন্ত্রী এদিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে রেফার করবে দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে। রেফারের জন্য কোনও মৃত্যু হলে এই দায়ভার তার।

চিকিৎসায় গাফিলতি একটা অপরাধ, এটা যেন আর না হয় বলেও সতর্ক করেন তিনি। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের অপব্যবহার হলে কড়া পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানিয়ে দেন তিনি। হাসপাতালগুলিকে ফের একবার সতর্ক করে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ফেরালে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন মুখ্যমন্ত্রী, স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা পুলিশেরও

বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে দুর্ভোগে পড়লে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জেলাশাসকদেরও এই বিষয়ে কড়া নজর রাখতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘তোমরা কিছু গাইডলাইন দিয়ে দাও। বুদ্ধি আছে খরচ করে না। স্বাস্থ্যসাথী যারা অপব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা উচিত’।

আরও পড়ুন: এক সন্তানেই থামবেন না, ২-৩টি করে সন্তান নিন: হিন্দুদের আহ্বান অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

রাস্তারঘাটের সাফাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রিন্সেপ ঘাট ভাঙাচোরা সংস্কার হয় না কেন? ত্রিফলা আলো খারাপ হয়েছে, এটা শুনতে ভালো লাগে না।

আরও পড়ুন: ‘ওয়াকফ সম্পত্তি কাড়তে দেব না’—বাঁকুড়া থেকে দৃঢ় আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী মমতার

সর্বধিক পাঠিত

অঙ্কিতা ভাণ্ডারি হত্যাকাণ্ড: রাজ্যজুড়ে “উত্তরাখণ্ড বন্ধ”-এর ডাক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘চিকিৎসায় গাফিলতি একটা অপরাধ, এটা যেন না হয়,’ স্বাস্থ্য পর্যালোচনা বৈঠক থেকে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২২, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  স্বাস্থ্য পর্যালোচনা বৈঠক থেকেই রাজ্যের রাস্তাঘাট সাফাই থেকে ‘স্বাস্থ্য পরিষেবা’ নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতালে প্রসূতিকে একটা জায়গা থেকে অপর একটি হস্তান্তর করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রসূতিকে কেন হাসপাতালে বসে অপেক্ষা করতে হবে? একটা জায়গা থেকে অপর একটি জায়গায় যেতে যেতে তো প্রসূতি মরে যাবে। এর থেকে তো ভালো জেলায় আশাকর্মীদের সাহায্য নেওয়া। মুখ্যমন্ত্রী এদিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে রেফার করবে দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে। রেফারের জন্য কোনও মৃত্যু হলে এই দায়ভার তার।

চিকিৎসায় গাফিলতি একটা অপরাধ, এটা যেন আর না হয় বলেও সতর্ক করেন তিনি। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের অপব্যবহার হলে কড়া পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানিয়ে দেন তিনি। হাসপাতালগুলিকে ফের একবার সতর্ক করে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ফেরালে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন মুখ্যমন্ত্রী, স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা পুলিশেরও

বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে দুর্ভোগে পড়লে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জেলাশাসকদেরও এই বিষয়ে কড়া নজর রাখতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘তোমরা কিছু গাইডলাইন দিয়ে দাও। বুদ্ধি আছে খরচ করে না। স্বাস্থ্যসাথী যারা অপব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা উচিত’।

আরও পড়ুন: এক সন্তানেই থামবেন না, ২-৩টি করে সন্তান নিন: হিন্দুদের আহ্বান অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

রাস্তারঘাটের সাফাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রিন্সেপ ঘাট ভাঙাচোরা সংস্কার হয় না কেন? ত্রিফলা আলো খারাপ হয়েছে, এটা শুনতে ভালো লাগে না।

আরও পড়ুন: ‘ওয়াকফ সম্পত্তি কাড়তে দেব না’—বাঁকুড়া থেকে দৃঢ় আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী মমতার