১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্র্যাম্পের উস্কানি! গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক:  গাজায় ফের রক্তগঙ্গার হুমকি! ট্রাম্পের লাগাতার উস্কানিমূলক কথাবার্তার পরফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় আবারও যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজার ভেতরে ও বাইরে সেনা জড়ো করার নির্দেশও দিয়েছেন নেতানিয়াহু। ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার চার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে ভিডিয়োবার্তা দেন নেতানিয়াহু। গাজা ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকির প্রতি সমর্থন জানানও তিনি।

 

আরও পড়ুন: গাজার দুর্ভোগের জবাব দেওয়া হবে, নেতানিয়াহু পার পাবে না: এরদোয়ান

হাইলাইটস 

১) গত সোমবার হামাস জানিয়েছিল প্রতিশ্রুতি মতো আগামী শনিবার তিনজন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে না। ইসরাইল যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছিল হামাসের পক্ষ থেকে।সেই জবাবের প্রেক্ষিতে নেতানিয়াহু জানান, বন্দি মুক্তি না দিলে গাজাতে রক্তের গঙ্গা বইবে। আর গাজার এমন রূপ দেবে যা যুগের অন্যতম  ভয়ঙ্কর রূপ হবে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র করার ইঙ্গিত: লেবানন, সিরিয়া, গাজা ও ইয়েমেনে অভিযান চালু রাখার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

২) নেতানিয়াহুর দাবি, শনিবার দুপুরের মধ্যে হামাসের হাতে বন্দি ইসরাইলি নাগরিকদের মুক্তি দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ৮০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন ইসরাইলের, লাগাতার বিমান হামলায় বাড়ছে নিহতের সংখ্যা

৩) হামাসের দাবি, ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তির বেশ কিছু শর্ত লঙ্ঘন করেছে। শান্তিচুক্তির পরেও নেতানিয়াহুর সেনার গুলিতে মৃত্যু হয়েছে মজলুম ফিলিস্তিনিদের। আরও অভিযোগ, ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকী গাজায় ত্রাণ সাহায্য পৌঁছাতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ইসরাইলি পণবন্দিদের মুক্তি দেওয়া আপাতত বন্ধ রেখেছে হামাস। যা নিয়ে সোমবার কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  এমনকি রীতিমতো প্ররোচনামূলক কথা বলছেন তিনি।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

মানসিক অবসাদ থেকে চরম সিদ্ধান্ত, উত্তরপ্রদেশে ১১ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা যুবকের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ট্র্যাম্পের উস্কানি! গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, বুধবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক:  গাজায় ফের রক্তগঙ্গার হুমকি! ট্রাম্পের লাগাতার উস্কানিমূলক কথাবার্তার পরফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় আবারও যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজার ভেতরে ও বাইরে সেনা জড়ো করার নির্দেশও দিয়েছেন নেতানিয়াহু। ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার চার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে ভিডিয়োবার্তা দেন নেতানিয়াহু। গাজা ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকির প্রতি সমর্থন জানানও তিনি।

 

আরও পড়ুন: গাজার দুর্ভোগের জবাব দেওয়া হবে, নেতানিয়াহু পার পাবে না: এরদোয়ান

হাইলাইটস 

১) গত সোমবার হামাস জানিয়েছিল প্রতিশ্রুতি মতো আগামী শনিবার তিনজন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে না। ইসরাইল যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভঙ্গ করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছিল হামাসের পক্ষ থেকে।সেই জবাবের প্রেক্ষিতে নেতানিয়াহু জানান, বন্দি মুক্তি না দিলে গাজাতে রক্তের গঙ্গা বইবে। আর গাজার এমন রূপ দেবে যা যুগের অন্যতম  ভয়ঙ্কর রূপ হবে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র করার ইঙ্গিত: লেবানন, সিরিয়া, গাজা ও ইয়েমেনে অভিযান চালু রাখার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

২) নেতানিয়াহুর দাবি, শনিবার দুপুরের মধ্যে হামাসের হাতে বন্দি ইসরাইলি নাগরিকদের মুক্তি দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ৮০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন ইসরাইলের, লাগাতার বিমান হামলায় বাড়ছে নিহতের সংখ্যা

৩) হামাসের দাবি, ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তির বেশ কিছু শর্ত লঙ্ঘন করেছে। শান্তিচুক্তির পরেও নেতানিয়াহুর সেনার গুলিতে মৃত্যু হয়েছে মজলুম ফিলিস্তিনিদের। আরও অভিযোগ, ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকী গাজায় ত্রাণ সাহায্য পৌঁছাতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ইসরাইলি পণবন্দিদের মুক্তি দেওয়া আপাতত বন্ধ রেখেছে হামাস। যা নিয়ে সোমবার কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  এমনকি রীতিমতো প্ররোচনামূলক কথা বলছেন তিনি।