“ খাই খাই করও কেন, এসো বসো আহারে
খাওয়াবো আজব খাওয়া ভোজ কয় যাহারে!”
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ চেঁখে দেখতে চান নিজামের শহরের বিরিয়ানি অথবা ক্যানডেল লাইট ডিনারে সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান লাখনউ এর গলৌটি কাবাব? তাহলে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে সুবর্ণ সুযোগ।এবার ঘরে বসেই হায়দরাবাদের বিরিয়ানির স্বাদ পেতে পারেন আপনিও।শুধু বিরিয়ানি নয় ‘কালি মির্চ চিকেন’, ‘মুঘল বিরিয়ানি বা টুন্দে কাবাব’ অথবা অমৃতসরের ‘কেশর কা ধাবার’ প্রসিদ্ধ রাজমা মশালা, পনির পরোটা, জয়পুরের পেঁয়াজ কচুরি বা দিল্লির করিমের মোগলাই খানা সবই আপনার সাধ্যের মধ্যে।
এক ক্লিকেই সব মুশকিল আসান।আরও পড়ুন:

বাংলার মানুষের জন্য এমনই সুবিধা নিয়ে এসেছে একটা খাবার সরবরাহকারী সংস্থা।শুধু তাই নয় আসল রেস্তরাঁতে যা দাম সেই একই দামে ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন দুর্দান্ত সব খাবার। শুধু একটু গরম করে নিলেই চলবে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ‘জোমাটো’ একটি ফুড ডেলিভারি অ্যাপ, এই নামটি আপনারা কমবেশি সবাই শুনেছেন! খাবার সরবরাহকারী এই সংস্থা কিছু কিছু রেস্তরাঁর সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে চালু করছে এই পরিষেবা। এই পরিষেবার নামই রাখা হয়েছে ‘ইন্টারসিটি লেজেন্ডস’ নামে।
আরও পড়ুন:

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর,দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য আর এক প্রান্তে বাঁ অন্য আর এক শহরে নির্দিষ্ট কিছু রেস্তরাঁর খাবার আনানো যাবে এই পরিষেবার মাধ্যমে।
আরও পড়ুন:
কীভাবে মিলবে আপনার পছন্দের বিরিয়ানি বা অন্য খাবার?
আরও পড়ুন:
খাবার অর্ডার দিতে হবে ন্যূনতম ১২ ঘণ্টা আগে, খাবারের অর্ডার করতে হবে আর খাবার পাবার পর ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত তার কোনো রকম সমস্যা হবে না, জানিয়েছে সংস্থা।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুনঃ অনুব্রতর জেল হেফাজতের নির্দেশ
আরও পড়ুন:
খাবারগুলিকে সাধারণত বায়ুরোধক পাত্রে ভরে সড়ক বা আকাশপথে পাঠানও হতে পারে বলেই খবর।এমনকি বেশ কিছু খাবার হিমায়িত করা হত্বে পারে বলেও রয়েছে জল্পনা।তবে এই প্রসঙ্গে এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানাননি জোমাটো আধিকারিকরা।

তাহলে আর চিন্তা কিসের ঘরে বসেই লখনউয়ের করিমের বিরিয়ানী বা কাবাব, গোয়ার মনমুগ্ধকর সি ফুড, মুম্বইয়ের নামিদামী রেস্তরাঁর লোভনীয় খাবার সব এখন থেকে হাতের মুঠোয়।
আরও পড়ুন:
একই ভাবে কলকাতার নামী দামী মিষ্টির দোকানের মিষ্টি একইভাবে দেশের অন্যান্য রাজ্য পাঠানো হবে এই সংস্থার মাধ্যমে।
আরও পড়ুন:
গাঙ্গুরাম, ভীম নাগ, থেকে শুরু করে নবীন চন্দ্র দাস, বলরাম মল্লিক-সহ বিভিন্ন দোকানের দুর্দান্ত সব মিষ্টি অন্য রাজ্যের মানুষ একই দাম দিয়ে খেতে পারবেন।