পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ইন্ডিয়া জোটের অগ্রগতি নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। লোকসভা ভোটে বিজেপিকে রুখতে জোট বেঁধেছিল বিজেপি বিরোধী দলগুলো। জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডিয়া।’ এই ইন্ডিয়া জোটের তৎপরতা সবথেকে আগে শুরু করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ নেতা নীতিশ কুমার। যদিও তখন জোটের নাম ঠিক হয়নি। সেটা ছিল একটা উদ্যোগ মাত্র। তখন নীতীশের ডাকে সাড়া দিয়ে পাটনায় এতগুলো দল হাজির হয়নি। পরে সেই জোট একপ্রকার মহাজোটে রূপ নেয়।
তবে এবার এই জোট নিয়ে আক্ষেপের সুর শোনা গেল খোদ নীতীশের গলায়।আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার পাটনায় সিপিআইয়ের সভায় যোগ দেন নীতীশ। সেখানেই বিরোধী জোট প্রসঙ্গে কংগ্রেসের সমালোচনা করেন নীতিশ। তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বিশেষ কোনও ‘অগ্রগতি হয়নি’। এর জন্য কংগ্রেসকেই দায়ী করেছেন নীতীশ।
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার পাটনায় সিপিআইয়ের এক র্যালিতে যোগদান করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সেখান থেকেই তিনি বলেন, ‘আমরা সকলে জোটের অন্যতম বড় সদস্য হিসাবে কংগ্রেসকে প্রধান ভূমিকা দিতে সম্মত হয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখছি এই জোটের বিশেষ কোনও অগ্রগতি হয়নি।
কংগ্রেসের এখন আর এই জোট নিয়ে বিশেষ উদ্বেগ নেই। বরং কংগ্রেস এখন ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোট নিয়েই বেশি ব্যস্ত। রাজ্যগুলির বিধানসভা ভোটের পরই তারা হয়ত জোটের পরবর্তী বৈঠক ডাকবে।’আরও পড়ুন:
ইন্ডিয়া জোটের শেষ বৈঠক হয়েছিল ৩১ সেপ্টেম্বর, মুম্বইতে। তারপর কংগ্রেস জানিয়েছিল তারা পরবর্তী বৈঠকের দিন ঘোষণা করবে। কিন্তু কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ নীতিশের।
আরও পড়ুন:
মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং রাহুল গান্ধি যেভাবে ইন্ডিয়া জোট নিয়ে তৎপর হয়েছিলেন । কিন্ত এখন তার কিছুই নেই।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কথা তুলে ধরে নীতিশ কুমার বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভালো সম্পর্ক নেই। কিন্তু তারপরও তারা ইন্ডিয়া জোটে যোগদান করেছেন। কিন্তু কংগ্রেস যেন ক্রমেই ইন্ডিয়া জোট নিয়ে আগ্রহ হারাচ্ছে, দাবি নীতিশের। এদিনের সভায় এইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এখানেও হিন্দু ও মুসলমানকে লড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সুখের কথা হল, বিহার সাম্প্রদায়িক অশান্তি মুক্ত। এইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে নীতীশ বলেন, ‘ওরা দেশের ইতিহাস বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে ওদের যে কোনও অবদান নিয়ে তা লুকানোর চেষ্টা করছে।’