পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:   এক বছর আগে খুন হওয়া মণিকা হত্যারহস্যের কিনারা করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তার প্রেমিক সুনীলকে।   অভিযুক্তের বয়ানের ভিত্তিতে মণিকার কঙ্কাল উদ্ধার করেছে হরিয়ানার পুলিশ। দুবার মাথায় গুলি করে খুনের কথা স্বীকার প্রেমিকের। স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডায় পড়তে যাওয়া মণিকার বিগত একবছর ধরে কোনও হদিশ মিলছিল না। সোনিপথ সিভিল হাসপাতালে মণিকার কঙ্কাল ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, মণিকা হরিয়ানার রোহতকের বাসিন্দা ছিলেন। কানাডায় উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছিলেন তিনি। ২০২২ সালের জুন মাসে প্রেমিকের হাতে খুন হন। অভিযুক্ত প্রেমিকের নাম সুনীল। সে আগে থেকেই বিবাহিত ও দুই সন্তানের বাবা। গোপনে মন্দিরে বিয়ে সারেন দুজনে।

স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে গত জানুয়ারি মাসে কানাডা গিয়েছিলেন মণিকা। মাঝখানে মণিকার দেশে ফিরে আসা ও বিয়ের খবর কিছুই জানত না তাদের পরিবার।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, সোনিপথের গুমদ গ্রামে সুনীলের প্রতিবেশী ছিলেন মণিকা। সেই সূত্রেই দুজনের সম্পর্ক। সুনীলের আগের বিয়ের কথা মণিকা জানতেন। গত বছরের মে মাসের শেষের দিকে মণিকা দেশে ফিরলে গাজিয়াবাদের মন্দিরে বিয়ে সারেন দুজনে।

কিন্তু তাদের এই বিয়ে বেশিদিন টেকেনি। সেই বছরই ২৯ জুনে মণিকাকে খুন করে তার দেহ গণঘরের গড়ি ঝাঁঝার রাস্তার উপর থাকা তাদের ফার্ম হাউসে ১০ ফুট গভীরে গর্ত করে পুঁতে দেয় সুনীল। দীর্ঘদিন মণিকার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তার পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। গত বছর জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে মণিকা বেশ কয়েকবার ভারতে আসেন, তার পর তার আর খোঁজ মেলেনি। আদালতেও তাদের বিয়ে নথিভুক্ত হওয়ার সময় সুনীল নিজের বিয়ের কথা গোপন রেখেছিলেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, সুনীলের স্ত্রীয়ের সঙ্গে বিবাহিত জীবন সুখের ছিল না। মণিকাকে বিয়ে করে সে ভেবেছিল কানাডায় গিয়ে সেখানেই পাকাপাকিভাবে থাকবেন। পরে সুনীল বুঝতে পারে তার মতলব সফল হবে না, তখনই মণিকাকে খুন করে।