০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী ভয়ে কৃষিবিল প্রত্যাহার করেছে! আর কি কি বললেন অনুব্রত

দেবশ্রী মজুমদার, বোলপুর: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সবাই মডেল করছে। ২০২১-এ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে ভোট করতে হয়, সমস্ত মানুষের জন্য উন্নয়নও সমান ভাবে করে গেছেন। তার দেখানো পথেই দেশের অনান্য রাজ্যের নেতারা ফলো করছে… ভয় পেয়েছে বিজেপি”। আসলে বিজেপির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠিকেছে।” অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “২০২৪ –এ যে খেলা খেলবে ভারতবর্ষের মানুষ, সেখানে একবারে গোল দিয়ে, লাড্ডু খাইয়ে বিজেপিকে বাড়ি পাঠিয়ে দেবে। ভয়ঙ্কর গোল দেবে,  ওরা গোল নিতে পারবে না। আবার বলছি, ২০২৪ –এ যে খেলা খেলবে ভারতবর্ষের মানুষ, সেখানে একবারে গোল দিয়ে, লাড্ডু খাইয়ে বিজেপিকে বাড়ি পাঠিয়ে দেবে। ভয়ঙ্কর গোল দেবে, গোল নিতে পারবে না।  কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে এভাবেই প্রতিক্রিয়া দেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। শুক্রবার দুপুরে বোলপুরে নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন যে, বিজেপির জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে। তাছাড়া সামনেই উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাবে ভোট –তাই বাধ্য হয়েই কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হল কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি বলেন, “শুধু কৃষি আইন কেন, অনেক কিছুই পাল্টাবে। দেশটাকে শেষ করে দিল। ৬০০ কৃষকের মৃত্যু। কৃষকরা এখনো রাজপথে রয়েছেন। ভারতবর্ষের মানুষকে আমি বলবো, প্রধানমন্ত্রীর ফাঁদে যেন কেউ না পড়ে। তাঁর কথায়- এখন একটাই স্লোগান, বিজেপি হাটাও, দেশ বাঁচাও। আসলে সামনে পাঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে নির্বাচন। তাই বাধ্য হয়ে ক্ষমা চাইছে প্রধানমন্ত্রী… এমনি ক্ষমা চাইছে…?”

বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত অনাস্থায় হেরে তৃনমূলের দখলে

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়নগর: জয়নগর বিধানসভার জয়নগর ২ নম্বর ব্লকের বিজেপি পরিচালিত বেলে দূর্গানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনল বিরোধী তৃণমূল। বিজেপির প্রধান মানু মণ্ডলের বিরুদ্ধে উন্নয়নের কাজে বাধা দেওয়া, এলাকায় উন্নয়ন না হওয়ার অভিযোগ এনে অনাস্থা আনা হয়। বুধবার বিশাল পুলিশি পাহারার মধ্যে দিয়ে জয়নগর দু’নম্বর বিডিওর উপস্থিতিতে এই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। উল্লেখ্য ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৮ জন সদস্য বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে বিজেপি ৬টি, সিপিএম ৩ টি, তৃণমূল ৬ টি এবং নির্দল তিনটি আসন পায়। বিজেপির ৬ জন, সিপিএমের ৩ জন ও ১ জন নির্দল মিলে বোর্ড গঠন করে। প্রধান নির্বাচিত হন বিজেপির মানু মন্ডল ও উপপ্রধান নির্বাচিত হন সিপিএমের নাসির উদ্দিন মন্ডল। জয়নগর বিধানসভার ভোটে তৃণমূল দ্বিতীয় বার বিপুল ভোটে ক্ষমতায় আসার পরে উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখতে ক্ষমতা বদল হতে শুরু করে। আর সেইমতো এই পঞ্চায়েতেও ক্ষমতায় থাকা সিপিএমের উপ প্রধান সহ তাঁর দলের ৩ জন ও ১ জন নির্দল সদস্য তৃনমূলে যোগ দেন। আর বুধবার ভোটাভুটিতে তৃনমূল ১৩-০ ভোটে জয়ী হয়। এদিনের ভোটাভুটিতে বিজেপির প্রধান মানু মন্ডল সহ ৫ জন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন।  এ ব্যাপারে জয়নগর ২ নং বিডিও মনোজ মল্লিক বলেন, প্রধানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থার ভোটাভুটি সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি নিয়ম মেনে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন প্রধান নির্বাচন করা হবে। এ দিকে তৃনমুল অনৈতিক ভাবে ভয় দেখিয়ে এই পঞ্চায়েতের বিজেপি, সিপিএম ও নির্দল সদস্যদের নিজেদের দলে টেনে ক্ষমতা দখল করেছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপির বারুইপুর পূর্ব জেলা সভাপতি সুনিপ দাস। 

এবার এক মঞ্চে বাম-কং-তৃণমুল, আওয়াজ উঠতে পারে দিল্লিতেও

পুবের কলম প্রতিবেদক, হাওড়া: এনটিসি বাঁচানোর দাবিতে হাওড়ার দাসনগর আরতি মিলের গেটের সামনে মঙ্গলবার সকালে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ট্রেড ইউনিয়নের তরফ থেকে এদিন ওই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। হাওড়ার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সভায় বক্তব্য রাখেন। আইএনটিটিইউসি, আইএনটিইউসি, সিটু সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভায় অংশ নেন। আরতি কটন মিলের পূর্ণ উৎপাদন চালু, কেন্দ্রীয় কাঠামো অনুযায়ী বেতন, অস্থায়ী শ্রমিকদের স্থায়ীকরণের দাবিতে বিক্ষোভ হয়। দেশব্যাপী ২৩টি এনটিসি মিলে অবিলম্বে পুরোদমে উৎপাদন চালু করার দাবিতে সোচ্চার হন বক্তারা।  এদিন সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি দেশের সর্বনাশ করে দিয়েছে। এখানে সিপিএম ছিল, টিএমসি এসেছে। এখানে বিজেপির ছোঁয়া মানেই অনিষ্ট হওয়া। বিজেপি আসার পর থেকেই ভারতবর্ষ সম্পূর্ণ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু বাংলায় ঢুকতে পারছে না সেহেতু এরা চাইছে যেভাবে হোক অসুবিধায় ফেলা। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করতে হবে। মিলের শ্রমিকদের স্থায়ীকরণ না হলে কোনও লাভ নেই। কাল বা পরশু তাদের তাড়িয়ে দিতে পারে কারখানা থেকে। কোভিড পরিস্থিতিতে অর্ধেক বেতন দেওয়া হচ্ছে শ্রমিকদের। এটা ব্যক্তিগত বা দলগত কোনভাবেই মানা যাচ্ছে না। এই ইস্যুতে সব দলই এককাট্টা হয়েছে। সব দল মিলে লড়াই করেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপি একটা বাজে পার্টি। এরা ভারতবর্ষকে বেচবে। এবার দেশের আকাশটাকেও বেচে দেবে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলবে।  এদিনের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা জগন্নাথ ভট্টাচার্য্য জানান, প্রথম থেকেই আরতি কটন মিলের অবস্থা খুব খারাপ। কোনো পরিকল্পনা নেই। ২০১১ সালে আধুনিকীকরণের যে পরিকল্পনা করা হল তাও ভালভাবে গ্রহণ করা হল না। বিজেপি সরকার আসার পর এই মিলের শ্রমিকদের স্বার্থ তারা দেখছে না। হাওড়া একটা শিল্পনগরী। এখানে একাধিক কারখানা বন্ধ করে রিয়েল এস্টেট করার চেষ্টা চালাচ্ছে। লকডাউনের পর এই মিলের শ্রমিকদের  অবস্থা বিভীষিকাময়। তারা বোনাস পাননি। এ বছর লকডাউনের পর ১৫ থেকে ১৬ দিন কাজ করতে দিচ্ছে। বেতন খুব কম। তাই দাবি উঠেছে কেন্দ্রীয় সরকারি স্কেলে এদের বেতন দেওয়া হোক, স্থায়ীকরণ করা হোক, এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হোক এবং বকেয়া বেতনও অবিলম্বে দিতে হবে। 

মহুয়াকে গোয়ায় বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে কোন বার্তা জোড়াফুল শিবিরের?

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ লুইজিনহোকে রাজ্যসভার প্রার্থী করার দিনেই মহুয়া মৈত্রকে দেওয়া হল গোয়া তৃণমূলের দায়িত্ব। ২০২২ এই গোয়া বিধানসভার নির্বাচন।

সোমবার শহরে আসছেন ভাগবত, ‘২৪-এর আগেই রাজ্যের সব ওয়ার্ডে শাখা খুলতে চায় আরএসএস

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : লড়াইয়ে এ যাবৎ তৃণমূলের কাছে বিজেপি হারছে। বিধানসভার ভোট প্রচারে প্রায় ‘ডেইলি প্যাসেঞ্জারি’ করেও বিজেপিকে তেমন

বাম আমলে হয় নি, কবে হবে হাওড়ার কুলিয়া সেতু

মুহাম্মদ রাকিব, উলুবেড়িয়া: জমি জরিপ থেকে শুরু করে মাটি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়ে গেছে। কুলিয়া সেতুর কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য এবার পূর্ত দফতরের মন্ত্রী মলয় ঘটকের কাছে প্রস্তাব রাখলেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল।  হাওড়ার মূল ভূখন্ড থেকে আমতা বিধানসভা এলাকার দীপাঞ্চল  ঘোড়াবেড়িয়া চিতনান ও ভাটোরা গ্রাম পঞ্চায়েতকে যুক্ত করার জন্য বহু বছর ধরে মানুষজন দাবি জানিয়ে আসছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকাবাসীর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করেনl রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত সেতুর অনুমোদন দেওয়া হয়।  আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল বলেন কুলিয়া সেতুর কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য মন্ত্রীকে বলেছি। কারন এই সেতু সম্পন্ন হলে প্রায় দীপাঞ্চলের ৬০ হাজার মানুষ উপকৃত হবে। একটা সময় রাজনৈতিক নেতাদের মুখে শুধু প্রতিশ্রুতিই শুনেছে হাওড়ার দ্বীপাঞ্চল ভাটোরা ও ঘোড়াবেড়িয়া চিতনানের বাসিন্দারা। বর্তমান তৃনমূল সরকারের উদ্যেগে হাওড়ার দ্বীপাঞ্চল ভাটোরাকে মূল ভূখন্ডের সঙ্গে জোড়ার জন্য সেতু নির্মানের অনুমোদন হয়। সেতুটি নির্মাণের জন্য রাজ্য সরকার অর্থ বরাদ্দ করে।  হাওড়ার দ্বীপাঞ্চল বলতে মূলত আমতা ২ নম্বর ব্লকের ভাটোরা ও ঘোড়াবেড়িয়া-চিতনান গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাকে বোঝায়। কলকাতা থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান দ্বীপাঞ্চলের। বর্তমানে প্রায় ষাট হাজার লোকের বসবাস। দ্বীপটি রূপনারায়ণ ও মুন্ডেশ্বরী নদী দ্বারা বেষ্টিত। ফলে মূল ভূখন্ডের সঙ্গে এখানকার বাসিন্দাদের যোগাযোগের মাধ্যম এক সময় ছিল নৌকা। তারপর এইখানে তৈরি বাঁশের সাঁকো। সেই বাঁশের সাঁকো দিয়েই নদী পারাপার করতে হয় দীপাঞ্চলের মানুষদের। আবার ফি বছর বন্যার সময় জলের তোড়ে ভেঙে যায় এই বাঁশের সেতু। যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় এই দীপাঞ্চলের বাসিন্দাদের।  যোগাযোগ ব্যবস্হার এই কঠিন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দ্বীপাঞ্চলের বাসিন্দারা মুন্ডেশ্বরী নদীর উপর একটি পাকা সেতুর দাবি করে আসছিলেন বহু বছর ধরে। ২০০৬ সালে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের সময় কুলিয়া সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয়েছিল। তারপর মুন্ডেশ্বরী নদী দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। তারপর বেশ কয়েকবার নতুন করে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হলেও কাজ এগোয়নি বিন্দু মাত্র। অবশেষে তৃনমূল সরকার সেতু তৈরির অনুমোদন দেয়। 

ডালখোলা বাইপাস কবে থেকে খুলতে পারে?

পুবের কলম প্রতিবেদক, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা বাইপাস খুলতে চলেছে আগামী ২৬ জানুয়ারির মধ্যেই। বৃহস্পতিবার  সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনই জানালেন বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার। যদিও তার এই বক্তব্য নিয়ে তৃণমূল বিজেপির তরজা তুঙ্গে ওঠে এদিন। বাসুদেব সরকার বলেন রাজ্য সরকারের জমি অধিগ্রহণ নীতি ভুল থাকায় এই বাইপাসের কাজ থমকে ছিল। এরপর করোনা পরিস্থিতিতে কাজ আরও কিছুটা পিছিয়ে যায়। কিন্তু রায়গঞ্জের সাংসদের প্রয়াসে আগামী ২৬ জানুয়ারির আগে এই বাইপাস খুলে দেওয়া হবে। সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে দিয়েছে বিজেপি। 

নন্দীগ্রাম দিবসে শুভেন্দুকে আক্রমণ তৃণমুলের

পুবের কলম প্রতিবেদক, নন্দীগ্রাম: ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে সূর্যোদয় ভূমি উচ্ছেদ কমিটির উদ্যোগে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপির বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করল জেলা নেতৃত্ব থেকে রাজ্য নেতৃত্বরা। বুধবার নন্দীগ্রামে গোকুলনগর করপল্লীতে ভূমি উচ্ছেদ কমিটির ডাকে শহীদ স্মরণে অনুষ্ঠানরে ডাক দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরি, তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ, রাজ্য নেতৃত্ব জয়া দত্ত, দোলা সেন, শেখ সুফিয়ান সহ তৃণমূলের একঝাঁক নেতৃত্ব। এদিন মঞ্চ থেকে একের পর এক নেতৃত্বরা শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরি বলেন “ক্ষমতার ব্যবহার করে অনেকে অনেক দুর্নীতি করেছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে লালবাতি গাড়ি থাকবে না। বিরোধী দলনেতা পদও থাকবে না”। রাজ্য নেতৃত্ব জয়া দত্ত বলেন “অনেকে ভাবতেন বিজেপি হয়তো ক্ষমতায় চলে আসবে, নির্বাচনের আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এতবার বাংলায় এসেছেন। মোদিবাবু বুঝে গিয়েছিলেন ২০২৪ সালে ক্ষমতা দখল করতে পারে বাংলার বাঘিনী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরো কটাক্ষ করে বলেন শুভেন্দু অধিকারীর নাম নিতে আমাদের ঘৃনা লাগে। বেঈমান গাদ্দার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। যদি লজ্জা থাকে নন্দীগ্রামে ঢুকবে না। লোডশেডিং করে গাদ্দারি করেছে জিতেছেন বলেও দাবি করা হয়। যদি ক্ষমতা থাকে লড়াইয়ের মাঠে দেখা হবে অবশ্যই দেখা হবে শুভেন্দু অধিকারী কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছি বলে তিনি জানান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি হুঁশিয়ারি দেন, দু’ মিনিট সময় লাগবে বিরোধীদের নন্দীগ্রাম থেকে এলাকাছাড়া করতে বলে তাঁর মন্তব্য। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেন “শুভেন্দু অধিকারী শহীদদের রক্ত নিয়ে খেলেছে। শুভেন্দু অধিকারীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নন্দীগ্রাম থেকে বের করে দেব বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। নন্দীগ্রামে মানুষের সঙ্গে অধিকারী পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জানুন কেন ভোটে এমন ফল হল বিজেপির

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : বাংলাদেশের হিংসাকে ভোট ব্যাঙ্ক হিসাবে কাজে লাগাতে চেয়েছিল বিজেপি। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী  নিজেই বলেছিলেন বাংলাদেশের

রুখতে হবে ভোট ভাগাভাগি,গোয়ায় বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ার বার্তা মমতার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : শুক্রবারই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে গোয়ায় যাননি। এক কদম এগিয়ে শনিবার মমতা জানালেন,

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder