০৫ জানুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০০২ সালে নাম ছিল, তবুও আতঙ্কে মৃত্যু!

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে এসআইআর আতঙ্কে আবারও মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার মৃত্যু হয়েছে চাটুরিয়া এলাকার প্রবীণ জিয়া আলির। পরিবারের দাবি, সমস্ত নথি সঠিক থাকা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কে ভুগছিলেন। বারবার আশঙ্কা প্রকাশ করতেন—বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। এই মানসিক চাপের জেরেই তিনি ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হন। প্রথমে বারাসত মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে এনআরএস মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়, সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

জিয়া আলির ছেলে জানান, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, সব নথিই ঠিকঠাক ছিল, এনুমারেশন ফর্মও পেয়েছিলেন। কিন্তু আশঙ্কা কাটছিল না। ঘটনার খবর পেয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল নেতা সুশান্ত মণ্ডল অভিযোগ করেছেন, বিজেপি নেতাদের বক্তব্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, যার ফলে বয়স্করা ভয় পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: কলেজ ছাত্রীকে র‍্যাগিং-যৌন হেনস্থা, দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য হিমাচল প্রদেশে

আরও পড়ুন: জ়ুবিন গর্গের মৃত্যু ‘দুর্ঘটনা’ নয়, ‘খুন’, বিধানসভায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত
ট্যাগ :
প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিনে সাগরবাসীরা উপহার পেল গঙ্গাসাগর সেতু

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২০০২ সালে নাম ছিল, তবুও আতঙ্কে মৃত্যু!

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২৫, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে এসআইআর আতঙ্কে আবারও মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার মৃত্যু হয়েছে চাটুরিয়া এলাকার প্রবীণ জিয়া আলির। পরিবারের দাবি, সমস্ত নথি সঠিক থাকা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কে ভুগছিলেন। বারবার আশঙ্কা প্রকাশ করতেন—বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। এই মানসিক চাপের জেরেই তিনি ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হন। প্রথমে বারাসত মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে এনআরএস মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়, সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

জিয়া আলির ছেলে জানান, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, সব নথিই ঠিকঠাক ছিল, এনুমারেশন ফর্মও পেয়েছিলেন। কিন্তু আশঙ্কা কাটছিল না। ঘটনার খবর পেয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল নেতা সুশান্ত মণ্ডল অভিযোগ করেছেন, বিজেপি নেতাদের বক্তব্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, যার ফলে বয়স্করা ভয় পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: কলেজ ছাত্রীকে র‍্যাগিং-যৌন হেনস্থা, দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য হিমাচল প্রদেশে

আরও পড়ুন: জ়ুবিন গর্গের মৃত্যু ‘দুর্ঘটনা’ নয়, ‘খুন’, বিধানসভায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত