পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) আহ্বান জানিয়েছেন ভারত ও চিনের আমদানিপণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস, বিবিসি ও ব্লুমবার্গ-এর খবরে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনে মার্কিন ও ইইউ কর্মকর্তাদের বৈঠকে ট্রাম্প এই প্রস্তাব দেন। উদ্দেশ্য একটাই, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বাধ্য করা যাতে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানেন।
আরও পড়ুন:
ট্রাম্প প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বৈঠকে জানান, তআমরা এখনই প্রস্তুত, কিন্তু এটা তখনই করা হবে যদি ইউরোপীয় অংশীদাররা আমাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ান।দ এই মন্তব্যে স্পষ্ট, আমেরিকা এককভাবে নয়, বরং সমন্বিত অর্থনৈতিক চাপের কৌশল নিতে চাইছে।
আরও পড়ুন:
এই প্রস্তাব এমন এক সময় এল, যখন ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন। সম্প্রতি আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে আলোচিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও সমাধান মেলেনি। এর মধ্যে ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্ববৃহৎ ড্রোন হামলা যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে। বৈঠকের পর ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, তিনি শিগগিরই পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলবেন।
আরও পড়ুন:
ঘটনার আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক হল, রাশিয়ার সঙ্গে ক্রমশ ঘনিষ্ঠ হচ্ছে চিন ও ভারত।
চিনে আয়োজিত সাম্প্রতিক এক শীর্ষ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পুতিনের উষ্ণ সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। এর জবাব হিসেবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে ভারতীয় আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছে, কারণ ভারত রাশিয়ার তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে।আরও পড়ুন:
তবে কঠোর বার্তার পাশাপাশি ট্রাম্প নরম সুরও রেখেছেন। মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ তিনি লিখেছেন, ভারত ও আমেরিকা বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আমার খুব ভালো বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আসন্ন সপ্তাহগুলোতে কথা বলার অপেক্ষায় আছি, যোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
ওয়াশিংটনের আলোচনায় ইইউর পক্ষ থেকে অংশ নেন ব্লকের নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক প্রধান ডেভিড ও’সুলিভানসহ জ্যেষ্ঠ ট্রেজারি কর্মকর্তারা। তবে ইউরোপ এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।