পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : না ফেরার দেশে প্রবীণ সাংবাদিক বিনোদ দুয়া। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সাংবাদিক ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৬৭ বছর। সাম্প্রতিক সময়কে যেসব সাংবাদিক কেন্দ্রের নানা জনবিরোধী নীতির সমালোচনায় কন্ঠ ছেড়েছিলেন, তার মধ্যে বিনোদ দুয়া অবশ্যই অগ্রগণ্য। সরকারের সমালোচনা করার কারণে তাঁকে নানা চাপের মুখে পড়তে হয় বলেও নানা মিডিয়াতে৩ খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছিল পুলিশ। তাঁকে দেশদ্রোহী বলে এক শ্রেণীর গেরুয়া প্রচারক লাগাতার কুৎসা করেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।
আরও পড়ুন:
চলতি বছেরর গোড়ার দিকেই তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। চারদিন ভর্তি ছিলেন আইসিইউতে।
শারীরিক সমস্যার কারণে গত সপ্তাহে তাঁকে ফের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেয়ে মল্লিকা দুয়া বাবার শারীরিক অবস্থার আপডেট বারবার নিজেই দিয়েছেন। মল্লিকা পেশায় অভিনেত্রী।আরও পড়ুন:
করোনা পরবর্তী নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন বিনোদ দুয়া । বেশ কয়েকদিন ধরেই তাঁর অবস্থা অতি সংকটজনক ছিল। শনিবার সন্ধ্যা ৫ টায় তিনি প্রয়াত হন। চলতি বছরের গোড়ার দিকেই করোনা কেড়ে নিয়েছে বিনোদ দুয়ার স্ত্রী চিন্না দুয়াকে। চিন্না ছিলেন রেডিওলজিস্ট। মল্লিকা বলেছেন বাবার মধ্যে বেঁচে থাকার ইচ্ছাটা ক্রমশ কমে আসছিল।
আরও পড়ুন:
বিনোদ দুয়া নিজেই ছিলেন প্রতিষ্ঠান। অসাধারণ টিভি উপস্থাপক ছিলেন তিনি। তখন টিভি মানেই দূরদর্শন। গোটা দেশ তাকিয়ে থাকত দূরদর্শনের দিকে। সেই সময় তাঁর সংবাদ উপস্থাপনা মুগ্ধ করেছিল গোটা দেশকে। তিনি বেশ কিছুদিন এনডিটিভিতেও কাজ করেন। ২০১৯-এ তিনি স্বরাজ টিভি এবং এইচডব্লিউ নিউজে কাজ করতে শুরু করেন। হিন্দি সংবাদ পাঠের ইতিহাসে তাঁকে অন্যতম পথপ্রদর্শক বলে মনে করা হয়।
আরও পড়ুন:
বাবার প্রয়াণে মেয়ে মল্লিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আমাদের ভয়ডরহীনবাবা, অসামান্য, বিনোদ দুয়া প্রয়াত ।
তিনি একটি অনন্য জীবন কাটিয়ে গেলেন। উদবাস্তু কলোনি থেকে যাত্রা শুরু করে গত ৪২ বছরে সাংবাদিকতার শিখর ছুঁয়ে ছিলেন। তিনি আমাদের চিরকাল সত্যের শক্তির কথা বলতেন। এখন আমাদের বাবা আমাদের মায়ের সঙ্গে স্বর্গে থাকবেন।”আরও পড়ুন:
বাবার প্রয়াণে মেয়ে মল্লিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আমাদের বাবা ভয়ডরহীন, অসামান্য, বিনোদ দুয়া প্রয়াত । তিনি একটি অনন্য জীবন কাটিয়ে গেলেন। উদবাস্তু কলোনি থেকে যাত্রা শুরু করে গত ৪২ বছরে সাংবাদিকতার শিখর ছুঁয়ে ছিলেন। তিনি আমাদের চিরকাল সত্যের শক্তির কথা বলতেন। এখন আমাদের বাবা আমাদের মায়ের সঙ্গে স্বর্গে থাকবেন।”