পুবের কলম, লখনউ: অবৈধ চোরাকারবারিদের দেখলে গ্রেফতার বা আটক করবে পুলিশ, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু না, যোগী রাজ্যে চোরাকারবারিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিল পুলিশ। অবশেষে তদন্তে ঘটনার প্রমাণ মেলায় উত্তরপ্রদেশের ৫ পুলিশ কর্মীকে বরখাস্ত করা হল। সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশের রেবতী এলাকায় মদ চোরাকারবারিদের সঙ্গে পুলিশী আঁতাতের ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। গোটা ঘটনায় বিতর্কের সৃষ্টি হলে তদন্তের নির্দেশ দেয় ইউপি পুলিশ।
জেলা পুলিশ সুপার ওমভীর সিং সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার রাতে স্ক্রিনশট এবং ভিডিওগুলি আমাদের নজরে আসে। তাতে দেখা গিয়েছে, যে গোপাল নগর ফাঁড়ির ইনচার্জ মদ চোরাকারবারিদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করছে এবং বেআইনি কার্যকলাপে সহায়তা করছে। বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তের জন্য ডেপুটি পুলিশ সুপার (বৈরিয়া) মোহাম্মদ ফাহিম কুরেশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই রিপোর্ট বুধবার পাওয়া গেছে। জানা গিয়েছে, পুলিশী তদন্ত রিপোর্টে ঘটনার সত্য প্রমাণ হওয়ার পরই চার পুলিশ কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়। এক ফাঁড়ির ইনচার্জ শুভেন্দ্র সিং এবং কনস্টেবল আফজার আলি, বিকাশ কান্নাউজিয়া এবং পবন ভার্মাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিহারের মদ নিষিদ্ধকরণ আইন অনুসরণ করে বৈরিয়া, রেবতী ও ডোকাতি সীমান্তবর্তী এলাকায় সরযূ নদী দিয়ে বারবার মদ পাচারের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি একটি মিডিয়া স্টিং অপারেশনে অবৈধ ব্যবসার কথা ফাঁস হয়েছিল, যার পরে মদ চোরাকারবারিরা সাংবাদিক শুভম শ্রীবাস্তবের উপর হামলা চালায়। পুলিশ সুপার বলেছেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) কৃপা শঙ্কর স্টেশন হাউস অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখবেন।






























