পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সংসদে শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়, অধিবেশনে ‘বন্দেমাতরম’ বা ‘জয়হিন্দ’ ধ্বনি দেওয়া যাবে না। কেন্দ্রের এই বিজ্ঞপ্তির পরেই শুরু হয় বিতর্ক। একযোগে প্রতিবাদ শুরু করেন বিরোধী সাংসদরা। মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে কেন্দ্র বিজ্ঞপ্তি দিক বা না দিক, তৃণমূল শীতকালীন অধিবেশনে কক্ষের ভিতর জয়হিন্দ ও বন্দেমাতরম ধ্বনি তুলবেই বলে সাফ জানিয়ে দেয় তৃণমূল।
জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ প্রতিটি প্রাথমিক এবং হাইস্কুলে বাধ্যতামূলক করার পক্ষে শওয়াল করলেন রাজ্যসভার সাংসদ সুধা মূর্তি। সংসদে আলোচনায় তিনি বলেন, “আমি এখানে কোনও সাংসদ, সমাজসেবী এবং লেখিকা হিসাবে নয়। এখানে আমি একজন ভারত মায়ের মেয়ে হিসাবে বলছি। ভারতের প্রতিটি রাজ্যেই এক একটি রঙের কাপড়ের মতন। আর এই কাপড় যখন এক সুতোয় গাঁথা হয়। সেই মন্ত্রই হল ‘বন্দে মাতরম্’। সুধা মূর্তি সাফ বলেন, “এটা কোনও মানচিত্র বা কোনও পতাকার বিষয় নয়। এটা মাতৃভূমির বিষয়। এটা শুধু টুকরো ভূখণ্ড নয়। এটা মাতৃভূমি।”
প্রসঙ্গত, লোকসভায় বন্দে মাতরম ইস্যু নিয়ে আলোচনাতে কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তুষ্টিকরণের রাজনীতির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস মুসলিম লিগের সামনে মাথা নত করেছিল।” বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকেও আক্রমণ করেছেন মোদি। তিনি বলেন, “বন্দে মাতরমের বিরোধী ছিলেন জিন্না। তাঁর সঙ্গে সহমত পোষণ করেছিলেন নেহরুও। নেহরু নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকেও একটি চিঠি লিখে বলেছিলেন, বন্দে মাতরম মুসলিমদের প্ররোচিত করতে পারে।”



























