২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সঞ্জীব ভাটের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

 পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাটের আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই আবেদনে তিনি গুজরাত হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা তিনটি ফৌজদারি অভিযোগের মধ্যে একটি খারিজ করার করার জন্য তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। গুজরাত হাইকোর্ট তা প্রত্যাখ্যান করে। সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন এই প্রাক্তন আইপিএস অফিসার।

 

আরও পড়ুন: SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজিরবিহীন নির্দেশ, জেলা বিচারকদের হাতে সিদ্ধান্তের ভার

তবে শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। প্রায় ৩০ বছর আগের এক মামলায় ভাট এখনও জেলে। তাঁকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে কয়েদি নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে। তিনজনের অভিযোগ থাকলেও গুজরাত হাইকোর্ট ইতিমধ্যে দু’টি অভিযোগ খারিজ করেছে। তবে তৃতীয়টি খারিজ করেনি।

আরও পড়ুন: ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণে নিষেধাজ্ঞার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

 

আরও পড়ুন: মণিপুর সহিংসতা: সিবিআই-কে দুই সপ্তাহের মধ্যে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালে জামনগরে এক সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনায় সঞ্জীব ভাট শতাধিক মানুষকে গ্রেফতার করেন। এর মধ্যে একজন মারা গেলে তার দায়ে অভিযুক্ত করা হয় এই দুঁদে আইপিএস অফিসারকে। তবে অনেকে অভিযোগ করে থাকেন, তিনি আসলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ২০০২ সালে গুজরাত দাঙ্গায় উসকানির অভিযোগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি।

 

আর এতেই তিনি গুজরাত সরকারের চক্ষুশূল হয়ে ওঠেন। ফলে অপরাধ না করেই নাকি তাঁকে শাস্তি পেতে হচ্ছে। তাঁর স্ত্রী লড়ে যাচ্ছেন ইনসাফের জন্য। গুজরাত দাঙ্গায় মোদি-সহ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলার জন্য সম্প্রতি সমাজকর্মী তিস্তা শীতলাবাদকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল, এমন বলছেন অনেকে। দিনকয়েক আগে তিনি জামিন পেয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, গুজরাত দাঙ্গায় যাঁরা মযলুমদের পাশে থেকে দাঙ্গাকারীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাঁরাই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন পরবর্তীকালে। আর বিলকিস বানুর গণধর্ষণকারীরামুক্তি পাচ্ছে সসম্মানে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজিরবিহীন নির্দেশ, জেলা বিচারকদের হাতে সিদ্ধান্তের ভার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সঞ্জীব ভাটের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

আপডেট : ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার

 পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাটের আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই আবেদনে তিনি গুজরাত হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা তিনটি ফৌজদারি অভিযোগের মধ্যে একটি খারিজ করার করার জন্য তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। গুজরাত হাইকোর্ট তা প্রত্যাখ্যান করে। সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন এই প্রাক্তন আইপিএস অফিসার।

 

আরও পড়ুন: SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজিরবিহীন নির্দেশ, জেলা বিচারকদের হাতে সিদ্ধান্তের ভার

তবে শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। প্রায় ৩০ বছর আগের এক মামলায় ভাট এখনও জেলে। তাঁকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে কয়েদি নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে। তিনজনের অভিযোগ থাকলেও গুজরাত হাইকোর্ট ইতিমধ্যে দু’টি অভিযোগ খারিজ করেছে। তবে তৃতীয়টি খারিজ করেনি।

আরও পড়ুন: ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণে নিষেধাজ্ঞার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

 

আরও পড়ুন: মণিপুর সহিংসতা: সিবিআই-কে দুই সপ্তাহের মধ্যে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালে জামনগরে এক সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনায় সঞ্জীব ভাট শতাধিক মানুষকে গ্রেফতার করেন। এর মধ্যে একজন মারা গেলে তার দায়ে অভিযুক্ত করা হয় এই দুঁদে আইপিএস অফিসারকে। তবে অনেকে অভিযোগ করে থাকেন, তিনি আসলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ২০০২ সালে গুজরাত দাঙ্গায় উসকানির অভিযোগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি।

 

আর এতেই তিনি গুজরাত সরকারের চক্ষুশূল হয়ে ওঠেন। ফলে অপরাধ না করেই নাকি তাঁকে শাস্তি পেতে হচ্ছে। তাঁর স্ত্রী লড়ে যাচ্ছেন ইনসাফের জন্য। গুজরাত দাঙ্গায় মোদি-সহ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলার জন্য সম্প্রতি সমাজকর্মী তিস্তা শীতলাবাদকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল, এমন বলছেন অনেকে। দিনকয়েক আগে তিনি জামিন পেয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, গুজরাত দাঙ্গায় যাঁরা মযলুমদের পাশে থেকে দাঙ্গাকারীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাঁরাই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন পরবর্তীকালে। আর বিলকিস বানুর গণধর্ষণকারীরামুক্তি পাচ্ছে সসম্মানে।