০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে ইলিশ রফতানি বাড়ানো আর উচিত হবে না; বাংলাদেশের মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ভারতে ইলিশ রফতানি বাড়ানো আর উচিত হবে না এমনটাই মন্তব্য করলেন বাংলাদেশের মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ভারতে ইলিশ রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে বাংলাদেশ। অন্য বছরের তুলনায় এবছর বেশি ইলিশ রফতানি করা হয়েছে দেশটির পক্ষ থেকে এমনটাই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর। প্রায় ১ হাজার ৩৫২ টন ইলিশ রফতানি হয়েছে। আর আয় হয়েছে অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। তা সত্বেও ভারতে ইলিশ রফতানি আর বাড়ানো উচিত হবে না বলেই জানিয়েছেন বাংলাদেশের মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আরও পড়ুন: রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে ভারত: বিনিয়োগ চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেস সেক্রেটারি

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবা‌দিক‌দের প্র‌শ্নের জবাবে রেজাউল ক‌রিম ব‌লেন, ‘এবার বাণিজ্যিকভাবে শুধু ভারতেই ইলিশ রফতানি করা হ‌য়ে‌ছে। তা ছাড়া এ বছর অন্য কয়েকটি দেশে ইলিশ মাছ উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি ইলিশ রফতানি আর বাড়ানো উচিত হবে না।

আরও পড়ুন: রাজস্থানে প্যালেস্তাইনের সমর্থনে স্টিকার লাগানোর অভিযোগ, ব্রিটিশ যুগলকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

 

আরও পড়ুন: ইউরোপের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্যচুক্তির পথে ভারত, উচ্ছ্বাসে মোদী

তিনি বলেন, দেশে মোট উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২ দশমিক ২২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে যা একক প্রজাতি হিসেবে সর্বোচ্চ। জিডিপি-তে এর অবদান শতকরা ১ ভাগ। প্রায় ৬ লাখ মানুষ ইলিশ আহরণে সরাসরি এবং ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষ ইলিশ পরিবহণ, বিক্রয়, জাল ও নৌকা তৈরী, বরফ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রফতানি প্রভৃতি কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।

ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে সব ধরনের মৎস্য আহরণও এ সময় নিষিদ্ধ থাকবে। ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে এ সময় মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

 

প্রতি বছর আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে ও পরে ইলিশের ডিম ছাড়ার আসল সময়। এ সময় সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মেঘনা নদীতে ছুটে আসে। এই সময়কে বিবেচনায় নিয়ে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আইন অমান্যকারীকে মৎস্য আইনে সাজা দেয়া হবে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর শুনানির আগে নবান্নের বড় পদক্ষেপ, ৮,৫০৫ গ্রুপ-বি আধিকারিক দেওয়ার ঘোষণা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভারতে ইলিশ রফতানি বাড়ানো আর উচিত হবে না; বাংলাদেশের মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট : ৬ অক্টোবর ২০২২, বৃহস্পতিবার

ভারতে ইলিশ রফতানি বাড়ানো আর উচিত হবে না এমনটাই মন্তব্য করলেন বাংলাদেশের মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ভারতে ইলিশ রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে বাংলাদেশ। অন্য বছরের তুলনায় এবছর বেশি ইলিশ রফতানি করা হয়েছে দেশটির পক্ষ থেকে এমনটাই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর। প্রায় ১ হাজার ৩৫২ টন ইলিশ রফতানি হয়েছে। আর আয় হয়েছে অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। তা সত্বেও ভারতে ইলিশ রফতানি আর বাড়ানো উচিত হবে না বলেই জানিয়েছেন বাংলাদেশের মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আরও পড়ুন: রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে ভারত: বিনিয়োগ চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেস সেক্রেটারি

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবা‌দিক‌দের প্র‌শ্নের জবাবে রেজাউল ক‌রিম ব‌লেন, ‘এবার বাণিজ্যিকভাবে শুধু ভারতেই ইলিশ রফতানি করা হ‌য়ে‌ছে। তা ছাড়া এ বছর অন্য কয়েকটি দেশে ইলিশ মাছ উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি ইলিশ রফতানি আর বাড়ানো উচিত হবে না।

আরও পড়ুন: রাজস্থানে প্যালেস্তাইনের সমর্থনে স্টিকার লাগানোর অভিযোগ, ব্রিটিশ যুগলকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

 

আরও পড়ুন: ইউরোপের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্যচুক্তির পথে ভারত, উচ্ছ্বাসে মোদী

তিনি বলেন, দেশে মোট উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২ দশমিক ২২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে যা একক প্রজাতি হিসেবে সর্বোচ্চ। জিডিপি-তে এর অবদান শতকরা ১ ভাগ। প্রায় ৬ লাখ মানুষ ইলিশ আহরণে সরাসরি এবং ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষ ইলিশ পরিবহণ, বিক্রয়, জাল ও নৌকা তৈরী, বরফ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রফতানি প্রভৃতি কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।

ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে সব ধরনের মৎস্য আহরণও এ সময় নিষিদ্ধ থাকবে। ইলিশের নিরাপদ প্রজননের স্বার্থে এ সময় মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

 

প্রতি বছর আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে ও পরে ইলিশের ডিম ছাড়ার আসল সময়। এ সময় সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মেঘনা নদীতে ছুটে আসে। এই সময়কে বিবেচনায় নিয়ে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আইন অমান্যকারীকে মৎস্য আইনে সাজা দেয়া হবে।