১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউপি উপনির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ বিরোধীদের

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী লোকসভা এবং রামপুর ও খাতৌলির দুটি আসনের উপনির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ বিরোধী দলগুলির। মৈনপুরী, ভোগাঁও, কিশানী, করহল এবং যশবন্তনগর (ইটাওয়া) মোট পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রামপুরের সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক আবদুল্লাহ আজম এএসপির সংসার সিংহের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। তিনি সরাসরি পুলিশের বিরুদ্ধে এক বিশেষ সম্প্রদায়ের ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন।

 

আরও পড়ুন: এসআইআর-এর নামে ‘মৃত্যুমিছিল’! ৮৪ জনের প্রাণহানির দায়ে বিজেপিকে তোপ মমতার

৮ ডিসেম্বর জানা যাবে নির্বাচনের ফলাফল। মৈনপুরীর সদর বিধানসভা কেন্দ্রের ৪৪নং বুথে ভোট দিয়ে ফেরার সময় রাকেশ শাক্য নামের এক ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি নেতা অভয় চৌহানের বিরুদ্ধে। সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে চৌহানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, ভোগাও বিধানসভার ৩৪নং বুথে সেক্টর  ম্যাজিস্ট্রেটের  হুকুমে ভোটদান বন্ধ রাখা হয়।  ব্যাটারি পরিবর্তনের নামে ইভিএমে কারসাজির অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: আরএসএস কোনও আধা-সামরিক সংগঠন নয়, বিজেপিকে দেখে সংঘের বিচার করলে ভুল হবে: মোহন ভাগবত

 

আরও পড়ুন: অনুদানের ৮২ শতাংশই বিজেপির ঘরে, বিতর্কে ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট

সপা নির্বাচন  কমিশনকে এ বিষয়ে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আরও অভিযোগ ভোগাঁও-এর মলপুরের বুথ নং ১২০ এবং ১২১নং বুথ ক্যাপচার করে বিজেপির দুষ্কৃতীরা। বুথ নং ৩৪ প্রায় ২ ঘণ্টা মেশিন বন্ধ রাখা হয়। এছাড়াও  একরসানন্দা গ্রামে ১৩৭, ১৩৮, ১৩৯ নম্বর বুথগুলিতেও বিজেপির গুণ্ডাবাহিনী  জোর করে বুথ দখল করার চেষ্টা চালায়। এই ঘটনায় সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপের দাবি তোলা হয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আরও অভিযোগ, মৈনপুরী বিধানসভার বুথ নং ১৩৩-এ বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা। মেশিন খারাপের অজুহাতে সরকারি কর্মীদের বুথের দরজা বন্ধ করে ভোট দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

 

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি তেহরানের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইউপি উপনির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ বিরোধীদের

আপডেট : ৫ ডিসেম্বর ২০২২, সোমবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী লোকসভা এবং রামপুর ও খাতৌলির দুটি আসনের উপনির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ বিরোধী দলগুলির। মৈনপুরী, ভোগাঁও, কিশানী, করহল এবং যশবন্তনগর (ইটাওয়া) মোট পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রামপুরের সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক আবদুল্লাহ আজম এএসপির সংসার সিংহের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। তিনি সরাসরি পুলিশের বিরুদ্ধে এক বিশেষ সম্প্রদায়ের ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন।

 

আরও পড়ুন: এসআইআর-এর নামে ‘মৃত্যুমিছিল’! ৮৪ জনের প্রাণহানির দায়ে বিজেপিকে তোপ মমতার

৮ ডিসেম্বর জানা যাবে নির্বাচনের ফলাফল। মৈনপুরীর সদর বিধানসভা কেন্দ্রের ৪৪নং বুথে ভোট দিয়ে ফেরার সময় রাকেশ শাক্য নামের এক ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি নেতা অভয় চৌহানের বিরুদ্ধে। সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে চৌহানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, ভোগাও বিধানসভার ৩৪নং বুথে সেক্টর  ম্যাজিস্ট্রেটের  হুকুমে ভোটদান বন্ধ রাখা হয়।  ব্যাটারি পরিবর্তনের নামে ইভিএমে কারসাজির অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: আরএসএস কোনও আধা-সামরিক সংগঠন নয়, বিজেপিকে দেখে সংঘের বিচার করলে ভুল হবে: মোহন ভাগবত

 

আরও পড়ুন: অনুদানের ৮২ শতাংশই বিজেপির ঘরে, বিতর্কে ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট

সপা নির্বাচন  কমিশনকে এ বিষয়ে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আরও অভিযোগ ভোগাঁও-এর মলপুরের বুথ নং ১২০ এবং ১২১নং বুথ ক্যাপচার করে বিজেপির দুষ্কৃতীরা। বুথ নং ৩৪ প্রায় ২ ঘণ্টা মেশিন বন্ধ রাখা হয়। এছাড়াও  একরসানন্দা গ্রামে ১৩৭, ১৩৮, ১৩৯ নম্বর বুথগুলিতেও বিজেপির গুণ্ডাবাহিনী  জোর করে বুথ দখল করার চেষ্টা চালায়। এই ঘটনায় সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপের দাবি তোলা হয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আরও অভিযোগ, মৈনপুরী বিধানসভার বুথ নং ১৩৩-এ বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা। মেশিন খারাপের অজুহাতে সরকারি কর্মীদের বুথের দরজা বন্ধ করে ভোট দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।