০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রিটেনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি: প্রাক্তন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড ইরানে

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ব্রিটেনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ইরানি-ব্রিটিশ নাগরিককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে ইরানের সুপ্রিম কোর্ট। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম আলি রেজা আকবরি এবং তিনি ইরানের প্রাক্তন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ‘গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তার ক্ষতির জন্য’ আলি রেজা আকবরিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ইরানের বিচার বিভাগ। ইরানি প্রতিরক্ষামন্ত্রকের প্রাক্তন এই কর্মকর্তাকে ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রক ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। ইরান জানায়, আকবরি ব্রিটেনের সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস ‘এমআই৬’-এর গুরুত্বপূর্ণ গুপ্তচর হয়ে উঠেছিলেন।

 

আরও পড়ুন: “শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের নজর,” সামরিক প্রস্তুতির কড়া বার্তা দিলেন ইরানের সেনাপ্রধান

উল্লেখ্য, ২০০১ সাল পর্যন্ত ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন আকবরি। প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ খাতামির অধীনে উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত আকবরি, পশ্চিমের সাথে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য ইরান সরকারকে চাপ দিয়েছিলেন। এদিকে, আকবরির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার এবং তাঁকে অবিলম্বে মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেন।

আরও পড়ুন: ইরানে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, উত্তেজনা চরমে

 

আরও পড়ুন: আমরা চাইলে আরও অনেক কিছুই করতে পারতাম: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সুর চড়ালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রী জেমস ক্লিভারলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই মৃত্যুদণ্ড রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ। এটি জীবনের প্রতি সম্পূর্ণ অবজ্ঞা প্রদর্শন।’ অবশ্য ইরানি কর্তৃপক্ষ আলি রেজা আকবরির বিচারের বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই প্রকাশ করেনি। গুপ্তচরবৃত্তি এবং জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত অন্যান্য অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাধারণত গোপন আদালতে বিচার কাজ সম্পন্ন হয়। আপাতত ইরানি সুপ্রিম কোর্ট আকবরির সাজা বহাল রেখেছে এবং কেবলমাত্র তার একজন আইনজীবীর প্রবেশাধিকার রয়েছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ তার ফাঁসি কার্যকর হবে, সে বিষয়ে জানা যায়নি।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সম্ভল হিংসা মামলা: পুলিশ ও রাজ্য সরকারের আরজি নিয়ে শুনানি স্থগিত ইলাহাবাদ হাইকোর্টে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ব্রিটেনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি: প্রাক্তন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড ইরানে

আপডেট : ১৩ জানুয়ারী ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ব্রিটেনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ইরানি-ব্রিটিশ নাগরিককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে ইরানের সুপ্রিম কোর্ট। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম আলি রেজা আকবরি এবং তিনি ইরানের প্রাক্তন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ‘গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তার ক্ষতির জন্য’ আলি রেজা আকবরিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ইরানের বিচার বিভাগ। ইরানি প্রতিরক্ষামন্ত্রকের প্রাক্তন এই কর্মকর্তাকে ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রক ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। ইরান জানায়, আকবরি ব্রিটেনের সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস ‘এমআই৬’-এর গুরুত্বপূর্ণ গুপ্তচর হয়ে উঠেছিলেন।

 

আরও পড়ুন: “শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের নজর,” সামরিক প্রস্তুতির কড়া বার্তা দিলেন ইরানের সেনাপ্রধান

উল্লেখ্য, ২০০১ সাল পর্যন্ত ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন আকবরি। প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ খাতামির অধীনে উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত আকবরি, পশ্চিমের সাথে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য ইরান সরকারকে চাপ দিয়েছিলেন। এদিকে, আকবরির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার এবং তাঁকে অবিলম্বে মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেন।

আরও পড়ুন: ইরানে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, উত্তেজনা চরমে

 

আরও পড়ুন: আমরা চাইলে আরও অনেক কিছুই করতে পারতাম: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সুর চড়ালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রী জেমস ক্লিভারলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই মৃত্যুদণ্ড রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ। এটি জীবনের প্রতি সম্পূর্ণ অবজ্ঞা প্রদর্শন।’ অবশ্য ইরানি কর্তৃপক্ষ আলি রেজা আকবরির বিচারের বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই প্রকাশ করেনি। গুপ্তচরবৃত্তি এবং জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত অন্যান্য অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাধারণত গোপন আদালতে বিচার কাজ সম্পন্ন হয়। আপাতত ইরানি সুপ্রিম কোর্ট আকবরির সাজা বহাল রেখেছে এবং কেবলমাত্র তার একজন আইনজীবীর প্রবেশাধিকার রয়েছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ তার ফাঁসি কার্যকর হবে, সে বিষয়ে জানা যায়নি।