১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিজেপিকে হারাতে ২০২৪-এ মমতা-নীতীশেই ভরসা কেসিআর-এর

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ  বিআরএস দলের নেতা তথা তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও বলেছেন;বিজেপিকে হারাতে ২০২৪-এ মমতা-নীতীশেই তাদের ভরসা আছে।
তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি বা টিআরএস নাম বদলে তারা এখন ভারত রাষ্ট্র সমিতি বা বিআরএস নাম নিয়েছে।গত লোকসভা ভোটের আগে অ-বিজেপি, অ-কংগ্রেসি ‘ফেডারেল ফ্রন্ট’ গঠনের পক্ষে তারা প্রচার চালিয়েছিল পাশাপাশি দলটি পালটেছে তাদের রাজনৈতিক অবস্থানও। দলীয় সূত্রের খবর, কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলির জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তারা এখন খোলা মনেই চিন্তাভাবনা করছে। তবে সেই জোটের নেতা বা প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুল গান্ধীকে মানতে এখনও রাজি নয় তারা। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সফল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা নীতীশ কুমার থাকতে তারা রাহুলকে যে গুরুত্ব দেবে না, সেটাও বিআরএস নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

সর্বভারতীয় স্তরে বৃহত্তর ভূমিকা নেওয়ার লক্ষ্যেই দলের নাম পালেছিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। বিভিন্ন রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছিলেন। পাশাপাশি, নিজ রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর শত্রুতাও চরমে। কিন্তু আঞ্চলিক দলগুলির উপর বিভিন্ন রাজ্যে প্রবল চাপ তৈরি করেছে বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকার। ব্যতিক্রম নয় তেলেঙ্গানাও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে বিরোধী নেতা এবং প্রতিবাদী কণ্ঠ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে বিআরএস দলের অভিযোগ ।

আরও পড়ুন: কেসিআর বিজেপির সঙ্গে বন্ধুত্বের চেষ্টা করেছিলেন, তাড়িয়ে দিয়েছি: মোদি

আরও পড়ুন: ‘অন্ধকার বেশি হলে তবেই তো পদ্ম ফুটবে’, টিআরএস, কেসিআরকে বিঁধে তেলেঙ্গানা থেকে সরব মোদি
ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

নাবালককে বেআইনিভাবে জেল: বিহার সরকারকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ আদালতের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিজেপিকে হারাতে ২০২৪-এ মমতা-নীতীশেই ভরসা কেসিআর-এর

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৩, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ  বিআরএস দলের নেতা তথা তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও বলেছেন;বিজেপিকে হারাতে ২০২৪-এ মমতা-নীতীশেই তাদের ভরসা আছে।
তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি বা টিআরএস নাম বদলে তারা এখন ভারত রাষ্ট্র সমিতি বা বিআরএস নাম নিয়েছে।গত লোকসভা ভোটের আগে অ-বিজেপি, অ-কংগ্রেসি ‘ফেডারেল ফ্রন্ট’ গঠনের পক্ষে তারা প্রচার চালিয়েছিল পাশাপাশি দলটি পালটেছে তাদের রাজনৈতিক অবস্থানও। দলীয় সূত্রের খবর, কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলির জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তারা এখন খোলা মনেই চিন্তাভাবনা করছে। তবে সেই জোটের নেতা বা প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুল গান্ধীকে মানতে এখনও রাজি নয় তারা। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সফল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা নীতীশ কুমার থাকতে তারা রাহুলকে যে গুরুত্ব দেবে না, সেটাও বিআরএস নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

সর্বভারতীয় স্তরে বৃহত্তর ভূমিকা নেওয়ার লক্ষ্যেই দলের নাম পালেছিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। বিভিন্ন রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছিলেন। পাশাপাশি, নিজ রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর শত্রুতাও চরমে। কিন্তু আঞ্চলিক দলগুলির উপর বিভিন্ন রাজ্যে প্রবল চাপ তৈরি করেছে বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকার। ব্যতিক্রম নয় তেলেঙ্গানাও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে বিরোধী নেতা এবং প্রতিবাদী কণ্ঠ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে বিআরএস দলের অভিযোগ ।

আরও পড়ুন: কেসিআর বিজেপির সঙ্গে বন্ধুত্বের চেষ্টা করেছিলেন, তাড়িয়ে দিয়েছি: মোদি

আরও পড়ুন: ‘অন্ধকার বেশি হলে তবেই তো পদ্ম ফুটবে’, টিআরএস, কেসিআরকে বিঁধে তেলেঙ্গানা থেকে সরব মোদি