০১ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ সাত ঘণ্টা জেরা, কয়লাপাচার কাণ্ডে ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন অভিষেক

বিপাশা চক্রবর্তী
  • আপডেট : ২ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার
  • / 231

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ কয়লাপাচার কাণ্ডে শুক্রবার ইডির অফিসে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয়  সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ সাত ঘন্টা জেরার পরে বেরিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে ফের বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন তিনি। শুক্রবার সকাল ১১টায় সল্টলেকের  সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজিরা দেন অভিষেক।

নির্ধারিত সময়ে প্রায় ১৫ মিনিট আগেই ইডির দফতরে এসে পৌঁছন তিনি। এদিন তিনি বলেন, এই নিয়ে তিনবার ডাকা হল তাকে। যতবারই ডাকা হোক না কেন সহযোগিতা করবেন বলে জানান তিনি। অভিষেক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। তৃণমূল কারুর কাছে মাথা নত করবে না। এদিন তিনি ফের সোচ্চার হয়ে বলেন, তৃণমূলের হারানো সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: SIR আতঙ্কে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা, বিশেষ কমিটি গঠন অভিষেকের

অভিষেক বলেন,  ‘ইডি, সিবিআইকে কাজে লাগিয়ে যাঁরা স্বার্থ চরিতার্থ করতে চান, তাঁদের বলতে চাই, আমি আমার অবস্থানে অনড় থাকব। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে ফাঁসির মঞ্চে মৃত্যুবরণ করব। কিন্তু ইডি-সিবিআইয়ের কাছে মাথা নোয়াব না’।

আরও পড়ুন: অনিল আম্বানির প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

কয়লা পাচার কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের  পাশাপাশি তার শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরকে তলব করা হয়েছে। তাকে ৫ সেপ্টেম্বর ডেকে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: নভেম্বরে বিএসএফ, ইডি শুল্ক-সহ ২২টি দফতরের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে নির্বাচন কমিশন

উল্লেখ্য, সোমবার ধর্মতলার মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাদিবসের কর্মসূচিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘অভিষেককে হয়তো আবার নোটিস পাঠাবে ওরা। এবার হয়তো তোর দুবছরের ছেলেকেও ডেকে পাঠানো হয়। ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিষেকও বলেছিলেন, ‘কিছু ঘটবে।’’

এই মামলায়, গত ২৩ জুন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক-পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুত্রসন্তানকে কোলে নিয়ে ইডি দফতরে গিয়েছিলেন রুজিরা। কয়লাপাচার-কাণ্ডে এ একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে দিল্লিতে অভিষেক-পত্নীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব সত্ত্বেও হাজিরা দেননি রুজিরা। অতীতে অভিষেকের বাড়িতে গিয়ে রুজিরাকে এক বার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছিল সিবিআই।

 

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দীর্ঘ সাত ঘণ্টা জেরা, কয়লাপাচার কাণ্ডে ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন অভিষেক

আপডেট : ২ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ কয়লাপাচার কাণ্ডে শুক্রবার ইডির অফিসে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয়  সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ সাত ঘন্টা জেরার পরে বেরিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে ফের বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন তিনি। শুক্রবার সকাল ১১টায় সল্টলেকের  সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজিরা দেন অভিষেক।

নির্ধারিত সময়ে প্রায় ১৫ মিনিট আগেই ইডির দফতরে এসে পৌঁছন তিনি। এদিন তিনি বলেন, এই নিয়ে তিনবার ডাকা হল তাকে। যতবারই ডাকা হোক না কেন সহযোগিতা করবেন বলে জানান তিনি। অভিষেক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। তৃণমূল কারুর কাছে মাথা নত করবে না। এদিন তিনি ফের সোচ্চার হয়ে বলেন, তৃণমূলের হারানো সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: SIR আতঙ্কে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা, বিশেষ কমিটি গঠন অভিষেকের

অভিষেক বলেন,  ‘ইডি, সিবিআইকে কাজে লাগিয়ে যাঁরা স্বার্থ চরিতার্থ করতে চান, তাঁদের বলতে চাই, আমি আমার অবস্থানে অনড় থাকব। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে ফাঁসির মঞ্চে মৃত্যুবরণ করব। কিন্তু ইডি-সিবিআইয়ের কাছে মাথা নোয়াব না’।

আরও পড়ুন: অনিল আম্বানির প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

কয়লা পাচার কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের  পাশাপাশি তার শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরকে তলব করা হয়েছে। তাকে ৫ সেপ্টেম্বর ডেকে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: নভেম্বরে বিএসএফ, ইডি শুল্ক-সহ ২২টি দফতরের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে নির্বাচন কমিশন

উল্লেখ্য, সোমবার ধর্মতলার মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাদিবসের কর্মসূচিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘অভিষেককে হয়তো আবার নোটিস পাঠাবে ওরা। এবার হয়তো তোর দুবছরের ছেলেকেও ডেকে পাঠানো হয়। ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিষেকও বলেছিলেন, ‘কিছু ঘটবে।’’

এই মামলায়, গত ২৩ জুন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক-পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুত্রসন্তানকে কোলে নিয়ে ইডি দফতরে গিয়েছিলেন রুজিরা। কয়লাপাচার-কাণ্ডে এ একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে দিল্লিতে অভিষেক-পত্নীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব সত্ত্বেও হাজিরা দেননি রুজিরা। অতীতে অভিষেকের বাড়িতে গিয়ে রুজিরাকে এক বার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছিল সিবিআই।