০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুসলিম–দলিত–গরিবদের জব্দ করার জন্য সিএএ : ওয়াইসি

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: চব্বিশের লোকসভার আগেই নাকি সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ) কার্যকর হবে, এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর জবাবে মিম প্রধান ও হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, সিএএ অনৈতিক একটি আইন। এটি ভারতের চরিত্রবিরোধী। ধর্মের ভিত্তিতে এই আইন তৈরি করা হয়েছে। সিএএ কে আলাদা আইন হিসেবে দেখা যাবে না। কারণ এর সঙ্গে এনপিআর ও এনআরসির সরাসরি যোগ রয়েছে। পাকিস্তান–আফগানিস্থানের শিখ ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী যারা আছেন, তারা নিশ্চয় ভারতে এসে বসবাস করতে পারেন। আমরা কখনও এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করিনি। একটি বিশেষ ভিসা রয়েছে, যেটার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ভারতে বাস করতে দিয়ে তাদেরকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া যায়। কিন্তু সিএএর মুখ্য উদ্দেশ্য অন্য। ভারতের মুসলিম, দলিত ও গরীবদের জব্দ করার জন্যে এই আইন আনা হয়েছে। তেলাঙ্গানায় বিআরএস যখন ক্ষমতায় ছিল তখন জনগণণার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা। কিন্তু সেই জনগণণার সঙ্গে এনআরসি বা এনপিআর এর কোনও সম্পর্ক নেই। মিম বারবার সিএএ–র বিরোধীতা করেছে। ভবিষ্যতেও করবে।

আরও পড়ুন: সিএএ রশিদ SIR এ গ্রাহ্য করা হোক, নতুন মামলা হাইকোর্টে
সর্বধিক পাঠিত

বালি ও কয়লা পাচার কাণ্ডে ইডির মেগা তল্লাশি: বাংলা ও দিল্লিতে একযোগে হানা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুসলিম–দলিত–গরিবদের জব্দ করার জন্য সিএএ : ওয়াইসি

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, সোমবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: চব্বিশের লোকসভার আগেই নাকি সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ) কার্যকর হবে, এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর জবাবে মিম প্রধান ও হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, সিএএ অনৈতিক একটি আইন। এটি ভারতের চরিত্রবিরোধী। ধর্মের ভিত্তিতে এই আইন তৈরি করা হয়েছে। সিএএ কে আলাদা আইন হিসেবে দেখা যাবে না। কারণ এর সঙ্গে এনপিআর ও এনআরসির সরাসরি যোগ রয়েছে। পাকিস্তান–আফগানিস্থানের শিখ ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী যারা আছেন, তারা নিশ্চয় ভারতে এসে বসবাস করতে পারেন। আমরা কখনও এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করিনি। একটি বিশেষ ভিসা রয়েছে, যেটার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ভারতে বাস করতে দিয়ে তাদেরকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া যায়। কিন্তু সিএএর মুখ্য উদ্দেশ্য অন্য। ভারতের মুসলিম, দলিত ও গরীবদের জব্দ করার জন্যে এই আইন আনা হয়েছে। তেলাঙ্গানায় বিআরএস যখন ক্ষমতায় ছিল তখন জনগণণার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা। কিন্তু সেই জনগণণার সঙ্গে এনআরসি বা এনপিআর এর কোনও সম্পর্ক নেই। মিম বারবার সিএএ–র বিরোধীতা করেছে। ভবিষ্যতেও করবে।

আরও পড়ুন: সিএএ রশিদ SIR এ গ্রাহ্য করা হোক, নতুন মামলা হাইকোর্টে