১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘বাংলাদেশের নির্বাচন হবে মুক্ত, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ’: নিউইয়র্কে বার্তা ইউনূসের

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সময় মার্কিন দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ দূত সের্জিও গোর বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সোমবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইউনূস স্পষ্ট করেন যে তার অন্তর্র্বর্তী সরকার ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে মুক্ত, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

ইউনূসের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের পোস্টে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। এটি হবে সম্পূর্ণ মুক্ত, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ। দেশ প্রস্তুত।’ বৈঠকে গোর ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানান।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে জাতীয় নিবার্চনের আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে ইসলামী ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলের বড় জয়

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও আলোচনা করা হয়। এতে বাণিজ্য, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, এবং ঢাকাকে লক্ষ্য করে ছড়ানো মিথ্যা তথ্যের বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবিরে থাকা প্রায় মিলিয়ন রোহিঙ্গাদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেয় মার্কিন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: পবিত্র কুরআন সঙ্গে রেখে স্টেশনে দাঁড়িয়ে শপথ, নিউ ইয়র্ককে কী বার্তা দিলেন মেয়র জোহরান মামদানি?

ইউনূস আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বও জোর দেন। তিনি বাংলাদেশে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্তি এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিশেষভাবে, তিনি নেপাল ও ভুটানসহ ভারতের উত্তর-পূর্ব সাতটি রাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: ইরানে পাল্টা হামলার ভয়ে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে হাই এলার্ট

বৈঠকের শেষে ইউনূস গোরকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ জানান। দুই পক্ষই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এতে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক স্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়।

সর্বধিক পাঠিত

হঠাৎ ইসরায়েল-জার্মানির নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি, কারণ কী?

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘বাংলাদেশের নির্বাচন হবে মুক্ত, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ’: নিউইয়র্কে বার্তা ইউনূসের

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বুধবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সময় মার্কিন দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ দূত সের্জিও গোর বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সোমবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইউনূস স্পষ্ট করেন যে তার অন্তর্র্বর্তী সরকার ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে মুক্ত, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

ইউনূসের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের পোস্টে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। এটি হবে সম্পূর্ণ মুক্ত, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ। দেশ প্রস্তুত।’ বৈঠকে গোর ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানান।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে জাতীয় নিবার্চনের আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে ইসলামী ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলের বড় জয়

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও আলোচনা করা হয়। এতে বাণিজ্য, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, এবং ঢাকাকে লক্ষ্য করে ছড়ানো মিথ্যা তথ্যের বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবিরে থাকা প্রায় মিলিয়ন রোহিঙ্গাদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেয় মার্কিন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: পবিত্র কুরআন সঙ্গে রেখে স্টেশনে দাঁড়িয়ে শপথ, নিউ ইয়র্ককে কী বার্তা দিলেন মেয়র জোহরান মামদানি?

ইউনূস আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বও জোর দেন। তিনি বাংলাদেশে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্তি এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিশেষভাবে, তিনি নেপাল ও ভুটানসহ ভারতের উত্তর-পূর্ব সাতটি রাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: ইরানে পাল্টা হামলার ভয়ে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে হাই এলার্ট

বৈঠকের শেষে ইউনূস গোরকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ জানান। দুই পক্ষই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এতে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক স্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়।