আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ শীত পেরিয়ে এবার গরমের দাবদাহ। এই সময় চিকিৎসক ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন কম তেলমশলার হালকা খাবার খেতে। অবশ্যই তা যেন খাদ্য ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হয়।
আরও পড়ুন:
সাধারণত পুষ্টিগুণে ভরপুর কোনো সবজির কথা ভাবলে, ঝিঙের কথা একদমই মাথায় আসে না। কিন্তু ঝিঙের এমন সব খাদ্যগুণ রয়েছে যা শুনলে চমকে যেতে হয়।
স্বাদে খুব একটা আকর্ষণীয় না হলেও ঝিঙে ওজন কমাতে, চোখ ভালো রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও দারুণ ভাবে কাজ করে ঝিঙে। চলুন জেনে নেয়া যাক ঝিঙের আরো কিছু গুণাগুণ সম্পর্কে-আরও পড়ুন:
চোখ ভালো রাখতে
আরও পড়ুন:
ঝিঙেতে প্রচুর পরিমাণে ‘বিটা ক্যারোটিন’ বা ভিটামিন-এ থাকে, যা চোখ ভালো রাখতে সহায়তা করে। বিশেষত, বেশি বয়সি মানুষদের ক্ষেত্রে ঝিঙে অত্যন্ত উপযোগী। ঝিঙে এক দিকে অপটিক স্নায়ু ভালো রাখতে ও অন্য দিকে বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ থেকে চোখের রক্তনালীগুলোকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।
আরও পড়ুন:
কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে
আরও পড়ুন:
ঝিঙেতে প্রচুর পরিমাণে জলীয় উপাদান থাকে। সঙ্গে থাকে প্রচুর পরিমাণে সেলুলোজ। এক চামচ মধু সহযোগে এক কাপ ঝিঙের রস নিয়ম করে পান করলে, তা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ও পেট ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।
আরও পড়ুন:
লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে
আরও পড়ুন:
ঝিঙে বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ, অ্যালকোহল ও অপাচ্য খাদ্যকণা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ফলে ভালো থাকে লিভার। পিত্তরসের ক্ষরণ ভালো রাখতেও ঝিঙের জুড়ি মেলা ভার। এই কারণই জন্ডিস থেকে সেরে ওঠার সময় ঝিঙে খেতে বলা হয়।