১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছোট্ট ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়া হচ্ছে, বিস্ফোরক মন্তব্য বিতর্কিত শিক্ষিকা তৃপ্তা ত্যাগির   

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ‘আমি ঘটনার জন্য লজ্জিত নয়’ রবিবার এই মন্তব্য করেছিলেন মুজাফফর নগরের স্কুল শিক্ষিকা তৃপ্তা ত্যাগি। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সোমবার খানিকটা সুর নরম করেন তিনি। বলেন, ‘ঘটনাটি ভুল হয়েছে। ‘ তবে এদিনও প্রধান শিক্ষিকা কাম স্কুলের মালকিনের মুখে সরাসরি ক্ষমার কোনও কথা শোনা যায়নি।

এদিন বিষয়টিকে একটি ‘ছোট্ট ঘটনা’ বলেও দেগে দেন তিনি। বলেন, বিষয়টি অকারণে বড় করে দেখানো হচ্ছে। আমার এরকম কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।

জানান, তিনি নিজে প্রতিবন্ধী। নিগৃহীত শিশুটি ‘হোম-ওয়ার্ক’ করছিল না। তাই তাঁর হয়ে বাকি ছাত্রদের ওই পড়ুয়াকে শাস্তি দিতে বলেছিলেন তিনি। ঘটনায় ‘সাম্প্রদায়িক’ কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক করে তোলার জন্য ভিডিয়োটি এডিট করা হয়েছে। ‘শিশুটির ভাই ওই ক্লাসেই উপস্থিত  ছিল। সে-ই ভিডিয়োটা রেকর্ড করে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করেছে।‘

মুসলিম ছাত্রকে কিল,  চড়, ঘুষি মারা কাণ্ডে চারিদিকে ছিচ্ছিকার। অভিযুক্ত শিক্ষিকার এই কাজের নিন্দা করেছিল আন্তর্জাতিক মিডিয়াও।  আল জাজিরা , বিবিসির মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এই খবরটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছিল। দেশজুড়ে ছি ছি রব উঠলেও শিক্ষিকার বিদ্বেষী ‘ঔদ্ধত্য’ কমেছে কিনা তা হলফ করে বলা যাচ্ছে না। তবে সোমবার শিক্ষিকার করা মন্তব্যের সঙ্গে ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটা একেবারেই বেমানান বলে মনে করছেন একাংশ।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে তৎপর মমতা, ভবানীপুরে বিএলএ-দের নিয়ে তৃতীয়বার বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ছোট্ট ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়া হচ্ছে, বিস্ফোরক মন্তব্য বিতর্কিত শিক্ষিকা তৃপ্তা ত্যাগির   

আপডেট : ২৮ অগাস্ট ২০২৩, সোমবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ‘আমি ঘটনার জন্য লজ্জিত নয়’ রবিবার এই মন্তব্য করেছিলেন মুজাফফর নগরের স্কুল শিক্ষিকা তৃপ্তা ত্যাগি। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সোমবার খানিকটা সুর নরম করেন তিনি। বলেন, ‘ঘটনাটি ভুল হয়েছে। ‘ তবে এদিনও প্রধান শিক্ষিকা কাম স্কুলের মালকিনের মুখে সরাসরি ক্ষমার কোনও কথা শোনা যায়নি।

এদিন বিষয়টিকে একটি ‘ছোট্ট ঘটনা’ বলেও দেগে দেন তিনি। বলেন, বিষয়টি অকারণে বড় করে দেখানো হচ্ছে। আমার এরকম কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।

জানান, তিনি নিজে প্রতিবন্ধী। নিগৃহীত শিশুটি ‘হোম-ওয়ার্ক’ করছিল না। তাই তাঁর হয়ে বাকি ছাত্রদের ওই পড়ুয়াকে শাস্তি দিতে বলেছিলেন তিনি। ঘটনায় ‘সাম্প্রদায়িক’ কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক করে তোলার জন্য ভিডিয়োটি এডিট করা হয়েছে। ‘শিশুটির ভাই ওই ক্লাসেই উপস্থিত  ছিল। সে-ই ভিডিয়োটা রেকর্ড করে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করেছে।‘

মুসলিম ছাত্রকে কিল,  চড়, ঘুষি মারা কাণ্ডে চারিদিকে ছিচ্ছিকার। অভিযুক্ত শিক্ষিকার এই কাজের নিন্দা করেছিল আন্তর্জাতিক মিডিয়াও।  আল জাজিরা , বিবিসির মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এই খবরটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছিল। দেশজুড়ে ছি ছি রব উঠলেও শিক্ষিকার বিদ্বেষী ‘ঔদ্ধত্য’ কমেছে কিনা তা হলফ করে বলা যাচ্ছে না। তবে সোমবার শিক্ষিকার করা মন্তব্যের সঙ্গে ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটা একেবারেই বেমানান বলে মনে করছেন একাংশ।