২০ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একসঙ্গে মুসলিম চিকিৎসক দম্পতির মৃত্যু

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: কথা ছিল দীর্ঘ পথ আমৃত্যু একসঙ্গে চলার। পথটা দীর্ঘ হল না ঠিকই, কিন্তু আমৃত্যু তাঁরা একসঙ্গেই হাঁটলেন। মাস কয়েক আগেই বিয়ে করেছিলেন এমবিবিএস এর ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী উম্মে মোহিমিন সাইমা (২২) ও সুর্যপেটের সরকারি মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. সৈয়দ নিসারুদ্দিন (২৬)। বৃহস্পতিবার তাঁদের হায়দরাবাদের বাড়ি থেকে ওই দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।

বারবার ফোন করার পরও তাঁদের কোনও সাড়া না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে চিকিৎসক দম্পতির পরিবার। সায়মার বাবার সন্দেহ হওয়ায় তিনি মেয়ের বাড়িতে ঢোকার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর জানলা দিয়ে ঢুকে দেখেন, বাথরুমের সামনে পড়ে আছে মেয়ে-জামাইয়ের নিথর দেহ। তদন্তকারী অফিসার এস শ্রুতি জানিয়েছেন, বুধবার সকালে এই দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এরপর ওই বাড়িতে কেউ যায়নি। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে খবর পেয়ে তাঁদের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সাইমা প্রথমে বাথরুমের গিজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন স্বামী নিসারউদ্দিন বলে মনে করছে পুলিশ।  চিকিৎসক দম্পতির মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ তাঁদের পরিবার।

সর্বধিক পাঠিত

বিচারের আগে জামিন পাওয়া নাগরিকের অধিকার: উমর-শারজিলদের নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য প্রাক্তন চন্দ্রচূড়ের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

একসঙ্গে মুসলিম চিকিৎসক দম্পতির মৃত্যু

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২২, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: কথা ছিল দীর্ঘ পথ আমৃত্যু একসঙ্গে চলার। পথটা দীর্ঘ হল না ঠিকই, কিন্তু আমৃত্যু তাঁরা একসঙ্গেই হাঁটলেন। মাস কয়েক আগেই বিয়ে করেছিলেন এমবিবিএস এর ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী উম্মে মোহিমিন সাইমা (২২) ও সুর্যপেটের সরকারি মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. সৈয়দ নিসারুদ্দিন (২৬)। বৃহস্পতিবার তাঁদের হায়দরাবাদের বাড়ি থেকে ওই দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।

বারবার ফোন করার পরও তাঁদের কোনও সাড়া না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে চিকিৎসক দম্পতির পরিবার। সায়মার বাবার সন্দেহ হওয়ায় তিনি মেয়ের বাড়িতে ঢোকার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর জানলা দিয়ে ঢুকে দেখেন, বাথরুমের সামনে পড়ে আছে মেয়ে-জামাইয়ের নিথর দেহ। তদন্তকারী অফিসার এস শ্রুতি জানিয়েছেন, বুধবার সকালে এই দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এরপর ওই বাড়িতে কেউ যায়নি। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে খবর পেয়ে তাঁদের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সাইমা প্রথমে বাথরুমের গিজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন স্বামী নিসারউদ্দিন বলে মনে করছে পুলিশ।  চিকিৎসক দম্পতির মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ তাঁদের পরিবার।