Pahalgam Terror Attack: সেনা কমছে জঙ্গি হামলা বাড়ছে!

 

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক:  পহেলগাঁও নৃশংস হত্যাযজ্ঞের (Pahalgam Terror Attack) পর কেটে গেছে ৪৮ ঘণ্টা। এখনও পর্যন্ত আততায়ীদের একজনকেও গ্রেফতার তো দূরের কথা এদের কাউকেই ছুঁতে পারেনি মোদি সরকার! তবে নারকীয় এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ৪ জঙ্গির ছবি ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রের এই ব্যর্থতায় তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বিভিন্ন মহলে (Pahalgam Terror Attack) 

এই আবহে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কাশ্মীরে মোতায়েন থাকা সেনাবাহিনীদের নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গৌরব আর্য এবং মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিডি বকশি

এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা জানান , পাকিস্তানকে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার কথা সোশ্যাল সাইটে ঢালাও করে প্রচার হচ্ছে। তবে তারা কি জানে সীমান্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব (Pahalgam Terror Attack) যাদের হাতে থাকার কথা, সেই সেনাবাহিনীতে লক্ষাধিক শূন্যপদ রয়েছে।

 

Pahalgam Terror Attack: ‘বাবা… তুমি ওঠো…’ ছেলের কান্নায় ভেঙে পড়ল ঝালদা

 

খোদ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সংসদের স্থায়ী কমিটিকে দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর মোট কার্যকরী সংখ্যা এখন ১২.৪৮ লক্ষ, যেখানে অনুমোদিত সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি। ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর পর্যন্ত সেনাবাহিনীর মোট সদস্য সংখ্যা ১১,০৫,১১০। যেখানে অনুমোদিত সংখ্যা ১১,৯৭,৫২০ — অর্থাৎ প্রায় ৯২,৪১০ জন জুনিয়র কমিশনড অফিসার ও নন-কমিশনড অফিসারের ঘাটতি রয়েছে।

প্রায় ৭.৭২ শতাংশের ঘাটতি রয়েছে। এমনকি অফিসার স্তরেও বহু শূন্যপদ রয়েছে। ২০২৪ সালের ১ জুলাই অনুযায়ী, সেনাবাহিনীতে মোট অফিসারের সংখ্যা ৪২,০৯৫ (চিকিৎসা, দাঁত এবং নার্সিং বাদে), যেখানে অনুমোদিত সংখ্যা ৫০,৫৩৮ — অর্থাৎ ১৬.৭১ শতাংশের ঘাটতি। সেনাবাহিনীর এত ঘাটতি থাকলে এই ধরণের হামলা রুখবে কি করে? একদিকে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে সেনা কমাচ্ছে অন্যদিকে আতঙ্কবাদীরা সেই সুযোগ লুফে নিচ্ছে।