শুভজিৎ দেবনাথ, গয়েরকাটা: অভিষেকের কাছে অভিযোগ জানাতেই মেরামত পথবাতি। হাত দেখিয়ে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন - কমান্ডের কনভয় থামিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন গয়েরকাটার এক গৃহবধূ। জলপাইগুড়ি জেলা সফর শেষ করে যেতে না যেতেই সমস্যার সমাধান হওয়ায় খুশি সেই গৃহবধূ থেকে শুরু করে গোটা এলাকাবাসী।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল গয়েরকাটা থেকে জলপাইগুড়ি জেলার নব জোয়ার ও জনসংযোগ যাত্রা শুরু করেছিলেন অভিষেক। সেই সময় সোনাখালী মাজারে চাদর চড়িয়ে হলদিবাড়ি বিরসা মুন্ডার মূর্তিতে মাল্য দান করতে যাবার পথে গয়েরকাটা চৌপতি এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর কনভয় থামিয়ে দেন অদ্রিতা রায় বারুই নামে এক বাসিন্দা। তার হাতে ছিল একটি চিঠি। সেই চিঠি তিনি তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে।
তখন থেকেই সবার মনে প্রশ্ন ছিল কি লেখা রয়েছে সেই চিঠিতে। প্রথম অবস্থায় অনেকেই জানতেন না চিঠির বিষয়বস্তু। তবে মঙ্গলবার দুপুর থেকে চৌপথি সংলগ্ন এলাকায় এশিয়ান হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং বিদ্যুৎ দপ্তরে কর্মীদের ব্যস্ততা দেখে চিঠির বিষয়বস্তু সামনে আসে।আরও পড়ুন:
এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮ এর ওপর গয়েরকাটা চৌপথি ব্যস্ততম একটি জায়গা। দিনভর দূরপাল্লার লরি, বাস সহ ছোট মাঝারি যানবাহন চলাচল করে। দিনের বেলায় যেমন তেমন, তবে রাতের অন্ধকারে সমস্যায় পড়তে হয়। হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে পথবাতি লাগানো হলেও সেগুলি কোন কারনে জ্বলে না।
আর এই পথবাতি না থাকার জন্যই ওই এলাকা কার্যত দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকায় পরিণত হয়েছিল। একের পর এক দুর্ঘটনা লেগেই ছিল ওই এলাকায়। একাধিকবার বিভিন্ন দপ্তরে জানিও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মাঝেমধ্যে আলো জ্বললেও আবার যেই কে সেই অবস্থা।আরও পড়ুন:
তাই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একদম হাতের নাগালে পেয়ে সেই সুযোগ কোনভাবে হাতছাড়া করতে চাননি এই গৃহবধূ। কোনও ব্যক্তিগত সমস্যা নয় সার্বিক সমস্যা তুলে ধরেছেন তিনি। আর শেষমেষ সেই পথবাতি মেরামতের কাজ শুরু হওয়ায় খুশি আপামর গয়েরকাটাবাসি।
আরও পড়ুন:
এক চিঠিতে এইভাবে কাজ হয়ে যাবে ভাবতে পারছেন না সেই গৃহবধু তিনি জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন শুনে তার হাতে সমস্যা লিখে একটি চিঠি তুলে দিয়েছিলাম। তবে এত তাড়াতাড়ি কাজ হবে সেটা আগে ভাবতে পারিনি। আমরা গয়েরকাটাবাসীর তরফ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই।
আরও পড়ুন:
বানারহাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সীমা চৌধুরী জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনসংযোগ যাত্রায় বেরিয়ে মানুষের সমস্যার কথা শুনেছেন এবং তা সেই সমস্ত সমস্যার সমাধান করছেন তার জলজ্যান্ত উদাহরণ আজকের ঘটনা। তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের সমস্যার কথা শুনলে সেই সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন:
এশিয়ান হাইওয়ে সূত্রে খবর হাই মাস্ট টাওয়ার থেকে শুরু করে পথবাতি গুলো মেরামত করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এখন থেকে এই আলো জ্বালানোর বৈদ্যুতিক বিল সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত দফতরকে দিতে হবে।