পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে সোমবার নির্বাচন কমিশনকে একগুচ্ছ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বা তথাকথিত ‘যুক্তিগত অসঙ্গতি’ দেখিয়ে যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তাদের যাচাই প্রক্রিয়া যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো রকম মানসিক চাপ বা হয়রানির শিকার হতে না হয়।

সুপ্রিম নির্দেশ অনুযায়ী, যাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, সেই তালিকা সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত ও ব্লক অফিসে প্রকাশ করতে হবে। আদালত সাফ জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রায় ১.২৫ কোটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যেখানে বাবা-মায়ের নামের বানান বিভ্রাট, বয়সের অস্বাভাবিক ফারাক ইত্যাদি কারণ দেখানো হয়েছে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট করেছে, নোটিশপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিজেদের নথি বা আপত্তি ‘অথরাইজড এজেন্ট’-এর মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন।
এই এজেন্ট হিসেবে বুথ লেভেল এজেন্ট (বিএলএ) -ও থাকতে পারেন, তবে তার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপযুক্ত অনুমতিপত্র লাগবে।

দূরবর্তী যাত্রার অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে আদালত জানিয়েছে, নথি জমা ও শুনানির জন্য পঞ্চায়েত ভবন বা ব্লক অফিসেই ব্যবস্থা করতে হবে। নথি অসন্তোষজনক হলে শুনানির সুযোগ দিতে হবে, যেখানে এজেন্ট যোগ দিতে পারবেন। তাছাড়া জমা নেওয়া নথি বা শুনানির বিষয়ে কর্মকর্তাদের রসিদ দিতে হবে বলেও নির্দেশ দেয় আদালত। পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে পর্যাপ্ত জনবল সরবরাহ এবং রাজ্যের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশকে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।