০১ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজস্থানের করৌলিতে বিষাক্ত জল খেয়ে মৃত্যু ১ যুবকের, অসুস্থ আরও ৮৬

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ৭ ডিসেম্বর ২০২২, বুধবার
  • / 110

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ দূষিত জল খেয়ে মৃত্যু বছর ১২ এক কিশোরের। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আরও ৮৬ জনের মতো। তারমধ্যে কমপক্ষে ৪৮ জন শিশুও রয়েছে। অসুস্থর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে বলেই সূত্রের খবর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের করৌলি জেলায়।

সূত্রের খবর অনুসারে, রাজস্থানের কিছু গ্রামে একের পর এক গ্রামবাসী অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। গত ৩ ডিসেম্বর থেকেই বমি, পায়খানা এবং পেটে ব্যথার উপসর্গ নিয়ে এক এক করে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছিলেন গ্রামবাসীরা। অসুস্থ সকলেই মূলত বাদাপাড়া, কোসাইবোরা, শাহগঞ্জ এবং বায়ানিয়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। হঠাৎ করে এহেন কাণ্ডে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে করৌলি জেলায়।

আরও পড়ুন: অসুস্থ সঞ্জয় রাউত, মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিবসেনা নেতা

ঘটনার তদন্তে নেমে জানা গেছে , এই ঘটনার নেপথ্যে আর কিছু নয় রয়েছে দূষিত জল। কোনও কারণে পানীয় জল বিষাক্ত হয়ে যাওয়ায় এবং সেই জল গ্রামবাসীরা খাওয়ার ফলেই তাঁরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন: বড়বাজারে গেস্ট হাউসে রহস্য মৃত্যু জলপাইগুড়ির বাসিন্দার

এই প্রসঙ্গে হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান,‘‘ ইতিমধ্যেই ৮৬ জনকে হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারমধ্যে ৪৮ জন অল্প বয়সিকেও ভর্তি করাতে হয়েছে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে। এরা ওই জল খেয়ে বমি এবং ডায়োরিয়াজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন।’’ এমনকি বিষাক্ত জল খেয়ে দেবকুমার নামে ১২ বছর বয়সি এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মূলত শাহগঞ্জের বাসিন্দা সে। সোমবার রাত থেকেই অসুস্থ ছিল ওই কিশোর। প্রাথমিক ভাবে বাড়িতেই চিকিৎসা হচ্ছিল না। শারীরিক অবস্থার অবনতী ঘটলে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাকে। কিন্তু চিকিৎসা শুরুর আগেই মৃত্যু হয় ওই কিশোরের।

আরও পড়ুন: ঘোড়ায় চেপে বিয়ে করতে মানা, দলিত বরের শোভাযাত্রার প্রহরায় ৬০ পুুলিশকর্মী

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বিষাক্ত জল খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৮৬ জনের মধ্যে ৫৪ জনকে ইতিমধ্যেই ডিসচার্জ করা হয়েছে। তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এখনও ৩২ জনের চিকিৎসা চলছে। সদ্যোজাত বিভাগের ৪৮টি শিশুর মধ্যে ২২জন চিকিৎসাধীন, ২৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজস্থানের করৌলিতে বিষাক্ত জল খেয়ে মৃত্যু ১ যুবকের, অসুস্থ আরও ৮৬

আপডেট : ৭ ডিসেম্বর ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ দূষিত জল খেয়ে মৃত্যু বছর ১২ এক কিশোরের। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আরও ৮৬ জনের মতো। তারমধ্যে কমপক্ষে ৪৮ জন শিশুও রয়েছে। অসুস্থর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে বলেই সূত্রের খবর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের করৌলি জেলায়।

সূত্রের খবর অনুসারে, রাজস্থানের কিছু গ্রামে একের পর এক গ্রামবাসী অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। গত ৩ ডিসেম্বর থেকেই বমি, পায়খানা এবং পেটে ব্যথার উপসর্গ নিয়ে এক এক করে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছিলেন গ্রামবাসীরা। অসুস্থ সকলেই মূলত বাদাপাড়া, কোসাইবোরা, শাহগঞ্জ এবং বায়ানিয়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। হঠাৎ করে এহেন কাণ্ডে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে করৌলি জেলায়।

আরও পড়ুন: অসুস্থ সঞ্জয় রাউত, মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিবসেনা নেতা

ঘটনার তদন্তে নেমে জানা গেছে , এই ঘটনার নেপথ্যে আর কিছু নয় রয়েছে দূষিত জল। কোনও কারণে পানীয় জল বিষাক্ত হয়ে যাওয়ায় এবং সেই জল গ্রামবাসীরা খাওয়ার ফলেই তাঁরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন: বড়বাজারে গেস্ট হাউসে রহস্য মৃত্যু জলপাইগুড়ির বাসিন্দার

এই প্রসঙ্গে হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান,‘‘ ইতিমধ্যেই ৮৬ জনকে হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারমধ্যে ৪৮ জন অল্প বয়সিকেও ভর্তি করাতে হয়েছে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে। এরা ওই জল খেয়ে বমি এবং ডায়োরিয়াজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন।’’ এমনকি বিষাক্ত জল খেয়ে দেবকুমার নামে ১২ বছর বয়সি এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মূলত শাহগঞ্জের বাসিন্দা সে। সোমবার রাত থেকেই অসুস্থ ছিল ওই কিশোর। প্রাথমিক ভাবে বাড়িতেই চিকিৎসা হচ্ছিল না। শারীরিক অবস্থার অবনতী ঘটলে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাকে। কিন্তু চিকিৎসা শুরুর আগেই মৃত্যু হয় ওই কিশোরের।

আরও পড়ুন: ঘোড়ায় চেপে বিয়ে করতে মানা, দলিত বরের শোভাযাত্রার প্রহরায় ৬০ পুুলিশকর্মী

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বিষাক্ত জল খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৮৬ জনের মধ্যে ৫৪ জনকে ইতিমধ্যেই ডিসচার্জ করা হয়েছে। তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এখনও ৩২ জনের চিকিৎসা চলছে। সদ্যোজাত বিভাগের ৪৮টি শিশুর মধ্যে ২২জন চিকিৎসাধীন, ২৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।