কৈখালি পর্যটন কেন্দ্রে যত্রতত্র প্লাস্টিক পরে থাকায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

- আপডেট : ২৮ অগাস্ট ২০২৫, বৃহস্পতিবার
- / 57
উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলি : সুন্দরবনের কৈখালি পর্যটন কেন্দ্রে যত্রতত্র প্ল্যাসটিক থেকে দূষণ ছড়াচ্ছে। সারা বছর ধরে পর্যটকরা সুন্দরবন ভ্রমণের উদ্দেশ্যে কুলতলির কৈখালিতে আসেন। এখানকার একাধিক ঘাট থেকে নৌকা ও লঞ্চ করে সুন্দরবন ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা দেন পর্যটকেরা। এখানে আছে রামকৃষ্ণ আশ্রম। সাজানো গোছানো রঙ বাহারি ফুলের বাগান, মন্দির ও একাধিক প্রশিক্ষণ খামার। যা পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে। রাত্রি যাপনের জন্য আছে একাধিক রাত্রি নিবাস।
সরকার ও বেসরকারি একাধিক গেস্ট হাউস।এখানে আছে যাত্রী প্রতীক্ষালয়, কমিউনিটি টয়লেট। সময় কাটানোর জন্য রয়েছে বিভিন্ন মনোরম স্থান। ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে নদীর পাড়ে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর মত দারুণ পরিবেশ এখানে আছে। সুন্দরবনের অন্যতম আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দর্শন তো লেগেই আছে। এর ফলে দিনের পর দিন এখানে পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। কিন্তু ভাবিয়ে তুলছে দূষণ।
পর্যটকদের ফেলা প্ল্যাসটিক সামগ্রী থেকে দূষিত হচ্ছে সুন্দরবন।সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ঘেরা সবুজ জঙ্গল ও নদীকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের জলের বোতল, থার্মোকলের থালা যেমন পরিবেশ দূষিত করে তেমনই এমন বহু জিনিসপত্র সরকারের তরফে বর্জন করার নির্দেশ থাকলেও নজরদারির অভাবে তা সঠিক ভাবে কার্যকর হচ্ছে না। সুন্দরবনের সবুজ ম্যানগোভ ঘেরা জঙ্গলের মধ্যে ও নদীতে নিষিদ্ধ জিনিসপত্র যত্রতত্র পড়ে রয়েছে। এর ফলে সুন্দরবনের মনোরম পরিবেশ দূষিত হচ্ছে বলে মনে করছেন পরিবেশ কর্মীরা।
পরিবেশ কর্মীদের মতে,“আমরা যদি আমাদের ব্যবহৃত প্লাস্টিক কিংবা বজ্র পদার্থগুলি ভ্যাটে কিংবা নির্দিষ্ট জায়গায় রাখি তাহলে এই পর্যটন কেন্দ্রের পরিবেশ দূষণ রোধ করা সম্ভব।”এ ব্যাপারে স্থানীয় গোপালগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিনতা হালদার, কুলতলি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রুপা সরদার ও কুলতলি পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি দফতরের কর্মাধ্যক্ষ শাহাদাত শেখ বলেন “আমরা যথাযথ ব্যবস্থা তড়িঘড়ি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কুলতলি বিধানসভার বিধায়ক গনেশ চন্দ্র মন্ডলের হাত ধরে নতুন ভাবে সেজে উঠেছে এই পর্যটন কেন্দ্র কৈখালি।তাই আমরা এই পর্যটন কেন্দ্রকে বাঁচাতে সবরকমের পদক্ষেপ গ্রহন করবো।