০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হজ ২০২৬: রাজ্য থেকে সম্ভাব্য হজের উড়ান ১৮ এপ্রিল থেকে, হজযাত্রীদের জন্য একগুচ্ছ নতুন নির্দেশিকা জারি রাজ্য হজ কমিটির

 

আবদুল ওদুদ

পশ্চিমবঙ্গ থেকে হজের সম্ভাব্য উড়ান ১৮ এপ্রিল। ২০২৬ সালের হজযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের হজযাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একগুচ্ছ ব্যবস্থা ও নির্দেশিকা ঘোষণা করা হয়েছে। হজ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ৪ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে কলকাতা এমবার্কেশন পয়েন্ট থেকে মদিনার উদ্দেশ্যে হজযাত্রীদের বিমান চলাচল করবে। পবিত্র হজ পালন শেষে আগামী ২ জুন থেকে ১৯ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে জেদ্দা থেকে ফিরতি উড়ানগুলি পরিচালিত হবে। তবে এবারের হজযাত্রার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগত যোগ্যতা এবং আবাসনে রান্নার বিষয়ে বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
রাজ্য হজ কমিটি স্পষ্ট জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সক্ষম এবং চিকিৎসাগতভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিরাই হজে অংশগ্রহণের অনুমতি পাবেন। যাদের অঙ্গ বিকলতা, গুরুতর স্নায়বিক বা মানসিক সমস্যা, ডিমেনশিয়া কিংবা সক্রিয় কোনো সংক্রামক ব্যাধি রয়েছে, তারা এবার আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া অগ্রসর গর্ভাবস্থা এবং যারা বর্তমানে কেমোথেরাপি বা ইমিউনো-সাপ্রেসিভ চিকিৎসার মধ্যে রয়েছেন, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।
এ বছরের হজযাত্রায় খাবারের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। সৌদি আরব সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, হজযাত্রীদের সুরক্ষার খাতিরে আজিজিয়া ভবনগুলিতে আর রান্নার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। হজ কমিটি অফ ইন্ডিয়া বিকল্প ক্যাটারিং পরিষেবার কথা ভাবলেও তা এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে হজযাত্রীদের বাইরের অনুমোদিত রেস্তোরাঁ বা খাবারের দোকান থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আহারের সংস্থান করে নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
আবাসন ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। মক্কা ও মদিনায় পুরুষ ও মহিলা হজযাত্রীদের জন্য পৃথক থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি হজযাত্রীকে হজ কমিটি অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে একটি করে আধুনিক স্মার্ট ঘড়ি দেওয়া হবে। এই ঘড়িটিতে ‘হজ সুবিধা অ্যাপ’ যুক্ত থাকবে, যা হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা পাওয়া এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক হবে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হজ কমিটি রাজ্যের সকল হজযাত্রীর জন্য একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে পূর্ণ দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

দেরাদুনে বাস খাদে, ৩ জনের মৃত্যু

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হজ ২০২৬: রাজ্য থেকে সম্ভাব্য হজের উড়ান ১৮ এপ্রিল থেকে, হজযাত্রীদের জন্য একগুচ্ছ নতুন নির্দেশিকা জারি রাজ্য হজ কমিটির

আপডেট : ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার

 

আবদুল ওদুদ

পশ্চিমবঙ্গ থেকে হজের সম্ভাব্য উড়ান ১৮ এপ্রিল। ২০২৬ সালের হজযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের হজযাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একগুচ্ছ ব্যবস্থা ও নির্দেশিকা ঘোষণা করা হয়েছে। হজ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ৪ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে কলকাতা এমবার্কেশন পয়েন্ট থেকে মদিনার উদ্দেশ্যে হজযাত্রীদের বিমান চলাচল করবে। পবিত্র হজ পালন শেষে আগামী ২ জুন থেকে ১৯ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে জেদ্দা থেকে ফিরতি উড়ানগুলি পরিচালিত হবে। তবে এবারের হজযাত্রার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগত যোগ্যতা এবং আবাসনে রান্নার বিষয়ে বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
রাজ্য হজ কমিটি স্পষ্ট জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সক্ষম এবং চিকিৎসাগতভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিরাই হজে অংশগ্রহণের অনুমতি পাবেন। যাদের অঙ্গ বিকলতা, গুরুতর স্নায়বিক বা মানসিক সমস্যা, ডিমেনশিয়া কিংবা সক্রিয় কোনো সংক্রামক ব্যাধি রয়েছে, তারা এবার আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া অগ্রসর গর্ভাবস্থা এবং যারা বর্তমানে কেমোথেরাপি বা ইমিউনো-সাপ্রেসিভ চিকিৎসার মধ্যে রয়েছেন, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।
এ বছরের হজযাত্রায় খাবারের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। সৌদি আরব সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, হজযাত্রীদের সুরক্ষার খাতিরে আজিজিয়া ভবনগুলিতে আর রান্নার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। হজ কমিটি অফ ইন্ডিয়া বিকল্প ক্যাটারিং পরিষেবার কথা ভাবলেও তা এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে হজযাত্রীদের বাইরের অনুমোদিত রেস্তোরাঁ বা খাবারের দোকান থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আহারের সংস্থান করে নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
আবাসন ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। মক্কা ও মদিনায় পুরুষ ও মহিলা হজযাত্রীদের জন্য পৃথক থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি হজযাত্রীকে হজ কমিটি অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে একটি করে আধুনিক স্মার্ট ঘড়ি দেওয়া হবে। এই ঘড়িটিতে ‘হজ সুবিধা অ্যাপ’ যুক্ত থাকবে, যা হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা পাওয়া এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক হবে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হজ কমিটি রাজ্যের সকল হজযাত্রীর জন্য একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে পূর্ণ দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেছে।