২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে অতিরিক্ত সুদের হার নেওয়ায় ক্ষুদ্ধ নবান্ন

পুবের কলম প্রতিবেদক: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে অতিরিক্ত সুদের হার নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছিল। সেই অভিযোগ নিয়েই শুক্রবার মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে চলাকালীন এমনটাই প্রশ্নের মুখে পড়েন বিভিন্ন ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা।

রাজ্যের সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোন মেটানোর জন্য ৪ শতাংশ সুদের হারে টাকা দিতে হবে। শুক্রবারের বৈঠকে স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, যখন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোনের টাকা দেওয়া হচ্ছে তখন বলে দেওয়া হচ্ছে ৯ শতাংশ সুদের হারে টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই ধরনের নির্দেশ কেন উল্লেখ করা হচ্ছে ব্যাঙ্কগুলির তরফে তা নিয়ে আধিকারিকরা প্রশ্নের মুখে পড়েন বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন: অনুদানহীন মাদ্রাসা গুলিকে সান্মানিক দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু নবান্নের

বৈঠকে উপস্থিত থেকে মুখ্যসচিব অবশ্য স্পষ্ট নির্দেশ দেন যাতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীদের লোন দেওয়ার গতিও মন্থরভাবে চলছে বলেও স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা উল্লেখ করেন শুক্রবারের বৈঠকে।

আরও পড়ুন: গঙ্গাসাগর মেলা: নবান্নে বৈঠক করবেন মমতা, থাকবেন একাধিক দফতরের মন্ত্রী-সচিবরা

৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যত সংখ্যক অনুমোদনের অপেক্ষার রয়েছে ব্যাঙ্কগুলির কাছে, তা শেষ করার নির্দেশও মুখ্যসচিব দেন বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, আটকে পড়া পর্যটকদের সহায়তায় নবান্নে খোলা হল কন্ট্রোল রুম

এখনও পর্যন্ত ৩৭ হাজার পড়ুয়াকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ৪১ হাজার আবেদন এখনও ব্যাঙ্কগুলির অনুমোদনের অপেক্ষায়।

পাশাপাশি মৎস্যজীবী ক্রেডিট  কার্ড নিয়েও এদিনের বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যসচিব। ব্যাঙ্কগুলি মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ডের পরিষেবা দেওয়ার জন্য অনুমোদন দিতে কেন এত সময় লাগাচ্ছে?

বৈঠকে খোদ মুখ্যসচিব এই প্রশ্ন তোলেন ব্যাঙ্কগুলির উদ্দেশ্যে। তবে শুধু স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নয়,  রাজ্য সরকারের যে স্কিমগুলি এখনও ব্যাঙ্কগুলির অনুমোদনের অপেক্ষায় পড়ে রয়েছে তা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এ দিনের বৈঠকে বলেই নবান্ন থেকে।

সর্বধিক পাঠিত

“আমি দুই বারের বিধায়ক, তাও নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন কেন?” SIR-এর দ্বিতীয় নোটিস পেয়ে সরব জাকির হোসেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে অতিরিক্ত সুদের হার নেওয়ায় ক্ষুদ্ধ নবান্ন

আপডেট : ৩ ডিসেম্বর ২০২২, শনিবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে অতিরিক্ত সুদের হার নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছিল। সেই অভিযোগ নিয়েই শুক্রবার মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে চলাকালীন এমনটাই প্রশ্নের মুখে পড়েন বিভিন্ন ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা।

রাজ্যের সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোন মেটানোর জন্য ৪ শতাংশ সুদের হারে টাকা দিতে হবে। শুক্রবারের বৈঠকে স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, যখন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোনের টাকা দেওয়া হচ্ছে তখন বলে দেওয়া হচ্ছে ৯ শতাংশ সুদের হারে টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই ধরনের নির্দেশ কেন উল্লেখ করা হচ্ছে ব্যাঙ্কগুলির তরফে তা নিয়ে আধিকারিকরা প্রশ্নের মুখে পড়েন বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন: অনুদানহীন মাদ্রাসা গুলিকে সান্মানিক দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু নবান্নের

বৈঠকে উপস্থিত থেকে মুখ্যসচিব অবশ্য স্পষ্ট নির্দেশ দেন যাতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীদের লোন দেওয়ার গতিও মন্থরভাবে চলছে বলেও স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা উল্লেখ করেন শুক্রবারের বৈঠকে।

আরও পড়ুন: গঙ্গাসাগর মেলা: নবান্নে বৈঠক করবেন মমতা, থাকবেন একাধিক দফতরের মন্ত্রী-সচিবরা

৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যত সংখ্যক অনুমোদনের অপেক্ষার রয়েছে ব্যাঙ্কগুলির কাছে, তা শেষ করার নির্দেশও মুখ্যসচিব দেন বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, আটকে পড়া পর্যটকদের সহায়তায় নবান্নে খোলা হল কন্ট্রোল রুম

এখনও পর্যন্ত ৩৭ হাজার পড়ুয়াকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ৪১ হাজার আবেদন এখনও ব্যাঙ্কগুলির অনুমোদনের অপেক্ষায়।

পাশাপাশি মৎস্যজীবী ক্রেডিট  কার্ড নিয়েও এদিনের বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যসচিব। ব্যাঙ্কগুলি মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ডের পরিষেবা দেওয়ার জন্য অনুমোদন দিতে কেন এত সময় লাগাচ্ছে?

বৈঠকে খোদ মুখ্যসচিব এই প্রশ্ন তোলেন ব্যাঙ্কগুলির উদ্দেশ্যে। তবে শুধু স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নয়,  রাজ্য সরকারের যে স্কিমগুলি এখনও ব্যাঙ্কগুলির অনুমোদনের অপেক্ষায় পড়ে রয়েছে তা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এ দিনের বৈঠকে বলেই নবান্ন থেকে।