১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

 ‘তামাশা বানা দিয়া’ –বুলডোজার দিয়ে  বেআইনিভাবে বাড়ি ভাঙার ঘটনায় আদালতের  ভর্ৎসনার মুখে বিহার পুলিশ    

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ‘তামাশা বানা দিয়া’ – বুলডোজার দিয়ে  বেআইনি ভাবে বাড়ি ভাঙা কাণ্ডে এমনটাই মন্তব্য করল আদালত।  এক বৃদ্ধার বাড়ি  বুলডোজার দিয়ে  ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ভর্ৎসনার মুখে পড়ল বিহার পুলিশ। ক্ষুব্ধ মহিলা ন্যায় বিচারের জন্য পাটনা হাইকোর্টের  দ্বারস্থ হন। মহিলার অভিযোগ, কোনও নোটিশ ছাড়াই তার বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়।

 

আরও পড়ুন: মুসলিম সাংবাদিকের বাড়িতে চলল বুলডোজার, ‘বেছে বেছে টার্গেট’ তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

এরপরেই ক্ষুব্ধ বিচারপতি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, বুলডোজার দিয়ে  বাড়ি গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে আপনারা কি তামাশা ভেবে নিয়েছেন। তবে উপরিউক্ত ঘটনায় মহিলা দাবি করেছেন, তার বাড়ি বৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। এবং তার কাছে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। তারপরেও একপ্রকার জোর করেই ওই মহিলার বাড়ি ভেঙে দেয়  বিহার পুলিশ। কোর্টের সওয়াল জবাবে মহিলাটি বলেন, জমি মাফিয়াদের সঙ্গে মিলিত হয়ে এই কাজ করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: ‘গরীবদের জন্য বুলডোজার আর আদানির জন্য জমি’: রাহুল গান্ধি

বিচারপতি সরাসরি বিহার পুলিশের উদ্দেশ্য প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘রাজ্যের দেওয়ানি আদালতগুলি কী বন্ধ হয়ে গিয়েছে? পুলিশ, জমি মাফিয়াদের সঙ্গে যোগসাজশে, কোনও রকম আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে’। ভুমি ও রাজস্ব দফতর ও পুলিশের কর্মকর্তাদের তলব করে ৮ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সন্দীপ কুমার ।

 

এদিন মামলাকারী বৃদ্ধার উদ্দেশে বিচারপতি আশ্বাস দিয়ে বলেন, আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন। আপনার ভয়ের কোনও  কারণ নেই। আপনার অধিকার রক্ষার্থে আমরা রয়েছি।  তার পরই তিনি এই ঘটনায় যুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের  ৫ লক্ষ টাকার জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। এবং যে সব পুলিশ আধিকারিক  বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার কাজে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের মোট ৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে ওই মহিলাকে এমনটাই জানান পাটনা হাইকোর্টের বিচারপতি।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

জুনিয়র মিস ইন্ডিয়ায় বাঙালি কিশোরীর মাথায় মুকুট, চ্যাম্পিয়ন মালদহের প্রিন্সিপ্রিয়া

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

 ‘তামাশা বানা দিয়া’ –বুলডোজার দিয়ে  বেআইনিভাবে বাড়ি ভাঙার ঘটনায় আদালতের  ভর্ৎসনার মুখে বিহার পুলিশ    

আপডেট : ৪ ডিসেম্বর ২০২২, রবিবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ‘তামাশা বানা দিয়া’ – বুলডোজার দিয়ে  বেআইনি ভাবে বাড়ি ভাঙা কাণ্ডে এমনটাই মন্তব্য করল আদালত।  এক বৃদ্ধার বাড়ি  বুলডোজার দিয়ে  ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ভর্ৎসনার মুখে পড়ল বিহার পুলিশ। ক্ষুব্ধ মহিলা ন্যায় বিচারের জন্য পাটনা হাইকোর্টের  দ্বারস্থ হন। মহিলার অভিযোগ, কোনও নোটিশ ছাড়াই তার বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়।

 

আরও পড়ুন: মুসলিম সাংবাদিকের বাড়িতে চলল বুলডোজার, ‘বেছে বেছে টার্গেট’ তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

এরপরেই ক্ষুব্ধ বিচারপতি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, বুলডোজার দিয়ে  বাড়ি গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে আপনারা কি তামাশা ভেবে নিয়েছেন। তবে উপরিউক্ত ঘটনায় মহিলা দাবি করেছেন, তার বাড়ি বৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। এবং তার কাছে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। তারপরেও একপ্রকার জোর করেই ওই মহিলার বাড়ি ভেঙে দেয়  বিহার পুলিশ। কোর্টের সওয়াল জবাবে মহিলাটি বলেন, জমি মাফিয়াদের সঙ্গে মিলিত হয়ে এই কাজ করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: ‘গরীবদের জন্য বুলডোজার আর আদানির জন্য জমি’: রাহুল গান্ধি

বিচারপতি সরাসরি বিহার পুলিশের উদ্দেশ্য প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘রাজ্যের দেওয়ানি আদালতগুলি কী বন্ধ হয়ে গিয়েছে? পুলিশ, জমি মাফিয়াদের সঙ্গে যোগসাজশে, কোনও রকম আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে’। ভুমি ও রাজস্ব দফতর ও পুলিশের কর্মকর্তাদের তলব করে ৮ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি সন্দীপ কুমার ।

 

এদিন মামলাকারী বৃদ্ধার উদ্দেশে বিচারপতি আশ্বাস দিয়ে বলেন, আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন। আপনার ভয়ের কোনও  কারণ নেই। আপনার অধিকার রক্ষার্থে আমরা রয়েছি।  তার পরই তিনি এই ঘটনায় যুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের  ৫ লক্ষ টাকার জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। এবং যে সব পুলিশ আধিকারিক  বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার কাজে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের মোট ৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে ওই মহিলাকে এমনটাই জানান পাটনা হাইকোর্টের বিচারপতি।