০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বালেশ্বর দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ করতে আরও দু’তিন দিন সময় লাগবে মন্তব্য রেল সুরক্ষা কমিশনারের  

 পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বালেশ্বর দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ করতে এখনও ২-৩ দিন সময় লাগবে। সোমবার এমনটাই জানালেন রেলের তদন্তকারী দলের প্রধান রেল সুরক্ষা কমিশনার (দক্ষিণ-পূর্ব সার্কল) এএম চৌধুরী।

সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে  তিনি জানিয়েছেন, সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। শতাব্দীর বড় এই দুর্ঘটনায় ২-৩ জনকে জিজ্ঞাসা করে  কাজ হবে না। একাধিক মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে।

কি ভাবে আপ শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার মুখে পতিত হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত। ডাকা হয় খড়গপুরের মাল্টি ডিসিপ্লিনারি জোনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট সেন্টারে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির তদন্তকারী দলকে।  তদন্তের খাতিরে নতুন করে ঘটনাস্থলে ডাকা হয় প্রত্যক্ষদর্শী ও তদানীন্তন সময়ের কর্তব্যরত রেলকর্মীদের। শুরু হয় জেরা।

প্রাথমিক পর্যায়ের জিজ্ঞাসাবাদ এবং নথি সংগ্রহের পরেই সিআরএস আনন্দ এম চৌধুরী জানান, তদন্তে নেমে সিগন্যালিং সিস্টেম, ইন্টারলকিং সিস্টেম-সহ সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকেই ইতিমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে বেশ কিছু নমুনা। আরও দিন তিনেক ধরে চলবে এই তদন্ত প্রক্রিয়া। তদন্ত শেষে রেল বোর্ডের কাছে জমা দেওয়া হবে রিপোর্ট। ইতিমধ্যেই পাঁচ-ছ’জন রেল কর্মীদেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

দেরাদুনে বাস খাদে, ৩ জনের মৃত্যু

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বালেশ্বর দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ করতে আরও দু’তিন দিন সময় লাগবে মন্তব্য রেল সুরক্ষা কমিশনারের  

আপডেট : ৫ জুন ২০২৩, সোমবার

 পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বালেশ্বর দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ করতে এখনও ২-৩ দিন সময় লাগবে। সোমবার এমনটাই জানালেন রেলের তদন্তকারী দলের প্রধান রেল সুরক্ষা কমিশনার (দক্ষিণ-পূর্ব সার্কল) এএম চৌধুরী।

সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে  তিনি জানিয়েছেন, সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। শতাব্দীর বড় এই দুর্ঘটনায় ২-৩ জনকে জিজ্ঞাসা করে  কাজ হবে না। একাধিক মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে।

কি ভাবে আপ শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার মুখে পতিত হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত। ডাকা হয় খড়গপুরের মাল্টি ডিসিপ্লিনারি জোনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট সেন্টারে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির তদন্তকারী দলকে।  তদন্তের খাতিরে নতুন করে ঘটনাস্থলে ডাকা হয় প্রত্যক্ষদর্শী ও তদানীন্তন সময়ের কর্তব্যরত রেলকর্মীদের। শুরু হয় জেরা।

প্রাথমিক পর্যায়ের জিজ্ঞাসাবাদ এবং নথি সংগ্রহের পরেই সিআরএস আনন্দ এম চৌধুরী জানান, তদন্তে নেমে সিগন্যালিং সিস্টেম, ইন্টারলকিং সিস্টেম-সহ সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকেই ইতিমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে বেশ কিছু নমুনা। আরও দিন তিনেক ধরে চলবে এই তদন্ত প্রক্রিয়া। তদন্ত শেষে রেল বোর্ডের কাছে জমা দেওয়া হবে রিপোর্ট। ইতিমধ্যেই পাঁচ-ছ’জন রেল কর্মীদেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।