০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মা ক্যান্টিনে হঠাৎই মমতা, মানুষের আগ্রহে সন্তোষপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

পুবের কলম প্রতিবেদক: রাজ্যের কোনও মানুষই যাতে অভুক্ত না থাকে, তাই রেশনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এই কাজে অবশ্য কিছুটা সাহায্য করছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে গোটা দেশের মধ্য নজিরবিহীন প্রকল্প হচ্ছে ‘মা ক্যান্টিন’। যেখানে পথচলতি সাধারণ মানুষ, অফিসকর্মী বা যে কেউ মাত্র ৫ টাকায় ডিম ভাত, ডাল ও সব্জির তরকারি খেতে পারেন।

 

আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মজয়ন্তীতেও এসআইআর নিয়ে তীব্র আক্রমণ, কেন্দ্র ও কমিশনকে কাঠগড়ায় তুললেন মমতা

শহর কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও এই প্রকল্প সফলভাবে চলছে। পুষ্টিগুণ নিয়ে যাতে সমস্যা না হয়, তাই সরকার ভরতুকি দিয়ে পরিচালনা করছে এই ক্যান্টিনগুলি। সরকার তো চেষ্টা করছে ভালো কিছু করার, তবে আদৌ কী কাজ হচ্ছে? জানতে হঠাৎ করেই শহরের একটি মা ক্যান্টিনে ঢুঁ মারলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: সংশোধনীর নামে ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: ফের জ্ঞানেশকে চিঠি উদ্বিগ্ন মমতার

 

আরও পড়ুন: এসআইআর নিয়ে ফের তোপ মমতার, নিশানায় নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির আইটি সেল

প্রসঙ্গত, সোমবার ছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সভা। সেই সভার পরেই তিনি মা ক্যান্টনে যান। তিনি কথা বলেন ক্যান্টিনের কর্মীদের সঙ্গেও। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা মূলত ক্যান্টিন পরিচালনা করেন। তাঁদের সঙ্গে খাবারের মান, কিভাবে পরিবেশ করা হচ্ছে, কেমন চলছে ইত্যাদি নিয়েও কথা হয়।

 

এ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে লেখেন, ‘রাজ্যের কোনও মানুষই যাতে ক্ষুধার্ত না থাকে তা নিশ্চিত করতে কিছুদিন আগে  মা ক্যান্টিন চালু করা হয়েছিল। স্বল্পমূল্যে পুষ্টিকর রান্নাকরা খাবার পরিবেশ করার জন্য অনেকগুলি ক্যান্টিন চালু করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ খাবারের গুণমান ও পরিচালন পদ্ধতি খতিয়ে দেখতে মা ক্যান্টিন পরিদর্শন করলাম। এই  উদ্যোগে (মা ক্যান্টিন)মানুষ খুব খুশি দেখে ভালো লাগছে। আপনাদের কল্যাণ ও ভালো থাকা সব সময় আমার প্রথম অগ্রাধিকার।’

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

দেরাদুনে বাস খাদে, ৩ জনের মৃত্যু

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মা ক্যান্টিনে হঠাৎই মমতা, মানুষের আগ্রহে সন্তোষপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

আপডেট : ২৯ অগাস্ট ২০২২, সোমবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: রাজ্যের কোনও মানুষই যাতে অভুক্ত না থাকে, তাই রেশনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এই কাজে অবশ্য কিছুটা সাহায্য করছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে গোটা দেশের মধ্য নজিরবিহীন প্রকল্প হচ্ছে ‘মা ক্যান্টিন’। যেখানে পথচলতি সাধারণ মানুষ, অফিসকর্মী বা যে কেউ মাত্র ৫ টাকায় ডিম ভাত, ডাল ও সব্জির তরকারি খেতে পারেন।

 

আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মজয়ন্তীতেও এসআইআর নিয়ে তীব্র আক্রমণ, কেন্দ্র ও কমিশনকে কাঠগড়ায় তুললেন মমতা

শহর কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও এই প্রকল্প সফলভাবে চলছে। পুষ্টিগুণ নিয়ে যাতে সমস্যা না হয়, তাই সরকার ভরতুকি দিয়ে পরিচালনা করছে এই ক্যান্টিনগুলি। সরকার তো চেষ্টা করছে ভালো কিছু করার, তবে আদৌ কী কাজ হচ্ছে? জানতে হঠাৎ করেই শহরের একটি মা ক্যান্টিনে ঢুঁ মারলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: সংশোধনীর নামে ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: ফের জ্ঞানেশকে চিঠি উদ্বিগ্ন মমতার

 

আরও পড়ুন: এসআইআর নিয়ে ফের তোপ মমতার, নিশানায় নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির আইটি সেল

প্রসঙ্গত, সোমবার ছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সভা। সেই সভার পরেই তিনি মা ক্যান্টনে যান। তিনি কথা বলেন ক্যান্টিনের কর্মীদের সঙ্গেও। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা মূলত ক্যান্টিন পরিচালনা করেন। তাঁদের সঙ্গে খাবারের মান, কিভাবে পরিবেশ করা হচ্ছে, কেমন চলছে ইত্যাদি নিয়েও কথা হয়।

 

এ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে লেখেন, ‘রাজ্যের কোনও মানুষই যাতে ক্ষুধার্ত না থাকে তা নিশ্চিত করতে কিছুদিন আগে  মা ক্যান্টিন চালু করা হয়েছিল। স্বল্পমূল্যে পুষ্টিকর রান্নাকরা খাবার পরিবেশ করার জন্য অনেকগুলি ক্যান্টিন চালু করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ খাবারের গুণমান ও পরিচালন পদ্ধতি খতিয়ে দেখতে মা ক্যান্টিন পরিদর্শন করলাম। এই  উদ্যোগে (মা ক্যান্টিন)মানুষ খুব খুশি দেখে ভালো লাগছে। আপনাদের কল্যাণ ও ভালো থাকা সব সময় আমার প্রথম অগ্রাধিকার।’