১২ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জমি বিবাদের জেরে আত্মহত্যার  চেষ্টা মা ও ছেলের, তদন্তে পুলিশ

REPRESENTATIVE IMAGE

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ জমি বিবাদের জেরে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মা ও সন্তানের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে  গোরাখপুর জেলার  পার্শ্ববর্তী গ্রাম গোরাখনাথে। গুরুতর অবস্থায় তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মনীশ রাও এর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়।  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।  মঙ্গলবার রাত সাড়ে এগারোটার সময় ঘটনাটি ঘটে।

 

আরও পড়ুন: হরিদেবপুরে শ্যুটআউট! পরকীয়া সম্পর্কেই কি গুলি চালাল প্রেমিক? তদন্তে পুলিশ

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় বিহার এলাকার এলআইজি ১০০ তে,  বছর ৫৫  সরোজ দেবী  তাঁর বড় ছেলে শ্রীশ ও ছোট ছেলে  মনীশ রাও এর সঙ্গে থাকতেন। সূত্রের খবর অনুসারে, কিছু দিন আগে তারা জনপ্রিয় বিহারের বাড়িটি ৬৯ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেয়, তারপর থেকেই শুরু হয় বচসা। বিক্রির পরে মা ও তাঁর বড় ছেলে মিলিত ভাবে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টটি থেকে টাকা লেনদেন করতেন।

আরও পড়ুন: আত্মঘাতী আইপিএস, রাজ্য পুলিশের ডিজিকে ছুটিতে পাঠাল হরিয়ানা সরকার

 

আরও পড়ুন: উচ্চবর্ণের মতো পোশাক পরায় দলিতকে মারধর, অপমানে আত্মহত্যা যুবকের

তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, বড় ছেলটি লুকিয়ে ওই জয়েন্ট অ্যাকাউন্টটি আলাদা করে নেয় এবং সেখান থেকে সব টাকা তুলে নিয়ে নিজের পরিবারের জন্য একটি বাড়ি কিনে নেন। এই ঘটনাটি জানার পর মা ও ছেলের মধ্যে শুরু হয় অশান্তি। কিছুদিনের মধ্যেই সরোজ দেবীর বড় ছেলে স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়িতে চলে  যান। বার বার টাকা চাওয়ার পরেও মাকে টাকা দিতে চাননি  শ্রীশ রাও।  এমনকি মঙ্গলবার সরোজ দেবী ও  ছোট পুত্র মনীশ রাও টাকার জন্য ফোন করলে, ফের টাকা দিতে অস্বীকার করে বড় ছেলে।

 

প্রতিবেশীরা আরও জানান যে, মা ও ছেলের অশান্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে গেলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সরোজ দেবী ও ছোট পুত্র মনীশ রাও। দীর্ঘক্ষণ চিৎকার চেঁচামেচি করার পর হঠাৎ সব কিছু শান্ত হয়ে গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তাঁদের বাড়িতে ঢুকে দেখেন অচৈতন্য অবস্থায়  পড়ে রয়েছেন  মা ও ছেলে। তাঁদের গুরুতর অবস্থায় নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং খবর দেওয়া হয় গোরাখনাথ পুলিশ স্টেশনে।  খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।  ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মনীশ রাও এর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানও হবে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সঞ্জীব ভাটের আর্জি খারিজ শীর্ষ কোর্টে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জমি বিবাদের জেরে আত্মহত্যার  চেষ্টা মা ও ছেলের, তদন্তে পুলিশ

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ জমি বিবাদের জেরে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা মা ও সন্তানের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে  গোরাখপুর জেলার  পার্শ্ববর্তী গ্রাম গোরাখনাথে। গুরুতর অবস্থায় তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মনীশ রাও এর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়।  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।  মঙ্গলবার রাত সাড়ে এগারোটার সময় ঘটনাটি ঘটে।

 

আরও পড়ুন: হরিদেবপুরে শ্যুটআউট! পরকীয়া সম্পর্কেই কি গুলি চালাল প্রেমিক? তদন্তে পুলিশ

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় বিহার এলাকার এলআইজি ১০০ তে,  বছর ৫৫  সরোজ দেবী  তাঁর বড় ছেলে শ্রীশ ও ছোট ছেলে  মনীশ রাও এর সঙ্গে থাকতেন। সূত্রের খবর অনুসারে, কিছু দিন আগে তারা জনপ্রিয় বিহারের বাড়িটি ৬৯ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেয়, তারপর থেকেই শুরু হয় বচসা। বিক্রির পরে মা ও তাঁর বড় ছেলে মিলিত ভাবে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টটি থেকে টাকা লেনদেন করতেন।

আরও পড়ুন: আত্মঘাতী আইপিএস, রাজ্য পুলিশের ডিজিকে ছুটিতে পাঠাল হরিয়ানা সরকার

 

আরও পড়ুন: উচ্চবর্ণের মতো পোশাক পরায় দলিতকে মারধর, অপমানে আত্মহত্যা যুবকের

তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, বড় ছেলটি লুকিয়ে ওই জয়েন্ট অ্যাকাউন্টটি আলাদা করে নেয় এবং সেখান থেকে সব টাকা তুলে নিয়ে নিজের পরিবারের জন্য একটি বাড়ি কিনে নেন। এই ঘটনাটি জানার পর মা ও ছেলের মধ্যে শুরু হয় অশান্তি। কিছুদিনের মধ্যেই সরোজ দেবীর বড় ছেলে স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়িতে চলে  যান। বার বার টাকা চাওয়ার পরেও মাকে টাকা দিতে চাননি  শ্রীশ রাও।  এমনকি মঙ্গলবার সরোজ দেবী ও  ছোট পুত্র মনীশ রাও টাকার জন্য ফোন করলে, ফের টাকা দিতে অস্বীকার করে বড় ছেলে।

 

প্রতিবেশীরা আরও জানান যে, মা ও ছেলের অশান্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে গেলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সরোজ দেবী ও ছোট পুত্র মনীশ রাও। দীর্ঘক্ষণ চিৎকার চেঁচামেচি করার পর হঠাৎ সব কিছু শান্ত হয়ে গেলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তাঁদের বাড়িতে ঢুকে দেখেন অচৈতন্য অবস্থায়  পড়ে রয়েছেন  মা ও ছেলে। তাঁদের গুরুতর অবস্থায় নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং খবর দেওয়া হয় গোরাখনাথ পুলিশ স্টেশনে।  খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।  ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মনীশ রাও এর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানও হবে।