১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চন্দ্রচূড়কে প্রধান বিচারপতি না করার আর্জি, মামলা খারিজ শীর্ষকোর্টে

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বুধবার এক অস্বস্তিকর মামলার সাক্ষী থাকল সুপ্রিম কোর্ট। এ দিন ‘ডেজিগনেটেড’প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নিয়োগ বাতিলের আর্জি জানান মুরসালিন শেখ নামে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

 

আরও পড়ুন: আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে জনস্বার্থ মামলা, ভোটের লড়াই আদালতে গড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রধান বিচারপতির

আগামী ৯ নভেম্বর দেশের প্রধান বিচারপতি হিসাবে কার্যভার গ্রহণ করার কথা বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের। প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিতের ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হয় মামলা। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আর্জি মেনে জরুরি ভিত্তিতে মামলাটি শুনলেও আইনজীবীর আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দেয় কোর্ট।

আরও পড়ুন: শ্রীনগর সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি

আদালত জানিয়েছে, ভ্রান্ত ধারণার ভিত্তিতে ওই আবেদন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আগামী ৯ নভেম্বর দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়।

আরও পড়ুন: হিন্দুদের ট্রাস্টে মুসলিমদের জায়গা দেবেন? ওয়াকফ মামলায় কেন্দ্রকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

 

আইনজীবী মুরসালিন শেখের দায়ের করা আবেদনে বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, কোভিড টিকা সংক্রান্ত এক মামলায় এক সিনিয়র আইনজীবী এবং এক জুনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে বিভেদমূলক আচরণ করেছিল বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

 

পাশাপাশি, তাঁর বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগও করা হয়। একটি বিশেষ ছুটির আবেদনের বিষয়ে বম্বে হাইকোর্টের এক রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলাটি শুনেছিলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সেই মামলায় আইনজীবী হিসাবে উপস্থিত হয়েছিলেন বিচারপতির নিজের ছেলে। এমনটাই অভিযোগ।

 

আবেদনটিকে আমলই দেননি প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিত, বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট এবং বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি জানান, আদৌ এই আবেদনের ভিত্তিতে কোনও মামলা দায়ের করা যায় কি না, তা যাচাই করার জন্যই আবেদনটি শোনা হচ্ছে। তবে, আবেদনের সমর্থনে কোনও প্রমাণাদি পেশ করতে পারেনি আবেদনকারী পক্ষ। শেষে বেঞ্চ বলে, ‘আমরা পুরো আবেদনটিই ভুল ধারণা বলে মনে করছি।’

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সন্দেহ বাংলাদেশি: অবৈধ বসবাসের অভিযোগে ১১ জন মহিলাকে আটক মহারাষ্ট্র পুলিশের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চন্দ্রচূড়কে প্রধান বিচারপতি না করার আর্জি, মামলা খারিজ শীর্ষকোর্টে

আপডেট : ৩ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বুধবার এক অস্বস্তিকর মামলার সাক্ষী থাকল সুপ্রিম কোর্ট। এ দিন ‘ডেজিগনেটেড’প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নিয়োগ বাতিলের আর্জি জানান মুরসালিন শেখ নামে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

 

আরও পড়ুন: আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে জনস্বার্থ মামলা, ভোটের লড়াই আদালতে গড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রধান বিচারপতির

আগামী ৯ নভেম্বর দেশের প্রধান বিচারপতি হিসাবে কার্যভার গ্রহণ করার কথা বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের। প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিতের ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হয় মামলা। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আর্জি মেনে জরুরি ভিত্তিতে মামলাটি শুনলেও আইনজীবীর আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দেয় কোর্ট।

আরও পড়ুন: শ্রীনগর সফরে যাচ্ছেন প্রধান বিচারপতি

আদালত জানিয়েছে, ভ্রান্ত ধারণার ভিত্তিতে ওই আবেদন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আগামী ৯ নভেম্বর দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়।

আরও পড়ুন: হিন্দুদের ট্রাস্টে মুসলিমদের জায়গা দেবেন? ওয়াকফ মামলায় কেন্দ্রকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

 

আইনজীবী মুরসালিন শেখের দায়ের করা আবেদনে বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, কোভিড টিকা সংক্রান্ত এক মামলায় এক সিনিয়র আইনজীবী এবং এক জুনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে বিভেদমূলক আচরণ করেছিল বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

 

পাশাপাশি, তাঁর বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগও করা হয়। একটি বিশেষ ছুটির আবেদনের বিষয়ে বম্বে হাইকোর্টের এক রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলাটি শুনেছিলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সেই মামলায় আইনজীবী হিসাবে উপস্থিত হয়েছিলেন বিচারপতির নিজের ছেলে। এমনটাই অভিযোগ।

 

আবেদনটিকে আমলই দেননি প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিত, বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট এবং বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি জানান, আদৌ এই আবেদনের ভিত্তিতে কোনও মামলা দায়ের করা যায় কি না, তা যাচাই করার জন্যই আবেদনটি শোনা হচ্ছে। তবে, আবেদনের সমর্থনে কোনও প্রমাণাদি পেশ করতে পারেনি আবেদনকারী পক্ষ। শেষে বেঞ্চ বলে, ‘আমরা পুরো আবেদনটিই ভুল ধারণা বলে মনে করছি।’