ইন্তেখাব আলম: রাজ্যের তথ্য-প্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের কথা ভেবেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বাংলায় আরও চারটি আইটি পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। নয়া চারটি আইটি পার্কের মধ্যে পাহাড় লাগোয়া জেলায় তিনটি আইটি পার্ক এবং হুগলির চুঁচুড়ায় একটি আইটি পার্ক গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রাজ্যে নয়া আইটি পার্ক নির্মাণ প্রসঙ্গে রাজ্যের তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলেন, ‘বাংলায় ২২টি আইটি পার্ক রয়েছে।উত্তরবঙ্গের আইটি পরিকাঠামোকে আরও উন্নত এবং সময়োপযোগী করে তোলার জন্য উত্তরবঙ্গে আরও তিনটি নতুন আইটি পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ) কার্শিয়াংয়ে আইটি পার্কের কাজ শুরু করেছে।আরও পড়ুন:
কালিম্পংয়ে আইটি পার্ক নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই ডেলো পাহাড়ের পাশে একটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে।সেখানে শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।’ এছাড়াও জলপাইগুড়িতে একটি আইটি পার্ক এবং হুগলির চুঁচুড়ায় একটি আইটি পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।
আরও পড়ুন:
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও এনডিআইটিএ-এর সহযোগিতায় বণিকসভার বিজনেস আইটি কনক্লেভে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের তথ্য-প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব অনুপ কুমার আগরওয়াল বলেন, তরাজ্যের শ্রম সমস্যা সমাধানের জন্য আইটি পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি, আমরা এমন সেন্টার অফ এক্সিলেন্স তৈরি করছি যা আমাদের পদ্ধতির মাধ্যমে উন্মুক্ত, অ্যাক্সেসযোগ্য এবং নমনীয়।
আইটি এবং ই বিভাগের মাধ্যমে শ্রম সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।দ এদিনের বক্তব্যে তথ্য-প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব আরও বলেন, সোনারপুরে একটি হার্ডওয়্যার পার্ক রয়েছে। সেখানে প্রতিযোগিতামূলক হারে বরাদ্দের জন্য জমি পাওয়া যায়। সম্প্রতি বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি চালু করা হয়েছে। অনেক কোম্পানি নির্মাণ শুরু করেছে। আইটি বিভাগ এই কোম্পানিগুলির সাথে সমন্বয় করছে এবং এটি কর্মসংস্থান এবং রাজ্যের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন।