পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সই জালিয়াতি কাণ্ডে আজ সোমবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল সিআইডি। কিন্তু হাজিরা না দেওয়ায় ফের অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছলো সিআইডি। আজ দুপুরে সিআইডির কয়েকজন সদস্য অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে তারা বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন। যদিও অভিষেকের সঙ্গে কথা হয়নি রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকদের। তবে অভিষেকের বাড়িতে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে তানারা জানতে পারেন অভিষেক শনিবার থেকেই কলকাতায় নেই।
উল্লেখ্য, আজ নয়া দিল্লিতে ইন্ডিয়া জটিল বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে যোগ দেন অভিষেক।আরও পড়ুন:
তৃণমূল সাংসদের বাড়িতে প্রথম সিআইডি পৌঁছেছিল গত ৩০ মে। সেই সময়ও অভিষেক না থাকায় তাঁর বাড়িতে নোটিশ দিয়ে যায় সিআইডি। প্রথমে ১ জুন তৃণমূল সাংসদকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ভবানীভবনে। কিন্তু অভিষেক এর জন্য সিআইডি-র কাছ থেকে ১৪ দিনের সময় চেয়েছিলেন।
যদিও সিআইডি সময় দিতে চায়নি। পরে আবার কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে ৭ দিনের মধ্যে হাজিরা দিতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই মত আজ সোমবার ছিল অভিষেকের হাজিরা দেওয়ার দিন। তবে তিনি দিল্লিতে থাকায় হাজিরা দিতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ দুবার সিআইডির তলব এড়িয়ে গেলেন অভিষেক। এ নিয়ে তৃতীয় বার সিআইডির তরফে অভিষেককে নোটিশ দেওয়া হল। আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন:
অভিযোগ উঠেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে তৃণমূল বিধায়কদের প্রস্তাবিত চিঠি পাঠিয়েছিলেন। তাতে বেশ কয়েকজন বিধায়কের নামে সই করা হয়েছিল অথচ সেখানে সেই বিধায়কদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন না। সেই অভিযোগ নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন উলুবেরিয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা। পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ঋতব্রত এবং সন্দীপনের অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার তরফে হেয়ারস্ট্রিট থানায় অভিযোগ জানানো হয়। পুলিশ এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডিকে। আগামীকাল ফের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।