আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)-র নেতা তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সোমবার সন্ধ্যায় ই-মেলের মাধ্যমে তাঁকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। নির্দেশ জারির পরই তাঁর নিরাপত্তায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা দায়িত্ব থেকে সরে যান।
আরও পড়ুন:
এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পুনর্বহালের দাবিতে তিনি ফের আদালতের দ্বারস্থ হবেন। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পর নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে আদালতে আবেদন করেছিলেন হুমায়ুন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তাঁকে ওয়াই-প্লাস কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ১৩ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, যার মধ্যে একজন ইন্সপেক্টর, একজন সাব-ইন্সপেক্টর এবং ১১ জন কনস্টেবল ছিলেন। নির্বাচনের সময় সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
নিরাপত্তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে হুমায়ুন বলেন, “অধীর চৌধুরী বা নওশাদ সিদ্দিকির নিরাপত্তা বহাল রাখা হয়েছে, অথচ আমার নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল, তার জবাব চাই।
” তবে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুন:
এদিকে, রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন হুমায়ুন কবীর। সামাজিক মাধ্যমে তিনি ‘নতুন তৃণমূল’ গঠনের জল্পনাকে কটাক্ষ করে লিখেছেন, “কারা বিজেপির ‘বি’ টিম এবং প্রকৃত বিজেপির দালাল, তা আজ প্রমাণিত হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
নিজের পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়ে আজ যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধেই অবস্থান নিচ্ছেন, তাঁরা মানুষের রায়কে অসম্মান করছেন।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “আমি কখনও তৃণমূল ছেড়ে আলাদা দল গড়তে চাইনি। অন্যায়ভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলেই আমজনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করতে বাধ্য হয়েছিলাম।”