পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ পাটনায় কোচিং সেন্টারে গুলি চালানোর ঘটনায় আত্মসমর্পণ করবেন না জনপ্রিয় শিক্ষক ও খান গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা ফয়জল খান, যিনি "খান স্যার" নামেই বহুল পরিচিত। প্রথমে শোনা যাচ্ছিল এই ঘটনায় তিনি সোমবার আত্মসমর্পণ করতে পারেন। তবে তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি পাটনায় অবস্থিত খান গ্লোবাল স্টাডিজ ইনস্টিটিউটে হিংসা ও গুলি চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে দুই নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তাঁদের শূন্যে গুলি ছুড়তে দেখা যাওয়ার পরই পুলিশ পদক্ষেপ শুরু হয়। খান স্যারের আইনজীবী অরবিন্দ কুমার সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁর মক্কেলের আত্মসমর্পণ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, "খান স্যার আত্মসমর্পণ করবেন না। আমরা সম্পূর্ণ আইনি পথেই এগোব এবং আদালতের কাছে আগাম জামিনের আবেদন জানাব।" আইনজীবীর দাবি, পরিকল্পিতভাবে খান স্যারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যেই তাঁকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনার সূত্রপাত হয় ২ জুন দায়ের হওয়া একটি অভিযোগ থেকে। সেখানে খান গ্লোবাল স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে অন্য একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছিল।আরও পড়ুন:
অরবিন্দ কুমারের দাবি, "আমাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করার পরই খান স্যারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর পেছনে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য কাজ করছে।" গুলি চালানোর ঘটনাকে আত্মরক্ষার্থে পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন তাঁর আইনজীবীরা।
তাঁদের বক্তব্য, একদল ব্যক্তি কোচিং সেন্টারে ঢুকে ভাঙচুর চালালে নিরাপত্তাকর্মীরা নিজেদের এবং সেন্টারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য শূন্যে গুলি ছুড়েছিলেন। আইনজীবী বলেন, কিছু ব্যক্তি জোর করে কোচিং সেন্টার চত্বরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। সেই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তারক্ষীরা কেবল সতর্কতামূলকভাবে শূন্যে গুলি চালান। এতে কেউ গুলিবিদ্ধ হননি এবং কারও শারীরিক ক্ষতি হয়নি। এখন সকলের নজর আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং পুলিশি তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে।