পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অপসারণের দাবিতে শনিবার রাজধানীর জন্তর মন্তরে আন্দোলনে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সমর্থকদের উপস্থিতিতে বিক্ষোভস্থলে ভিড় বাড়তে থাকে। দলটির দাবি, শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ তাদের কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছে।
শনিবার সকালে বিদেশ সফর শেষে দিল্লিতে পৌঁছন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

বিমানবন্দর থেকে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উপস্থিতদের জাতীয় পতাকা ও একটি বই সঙ্গে আনার অনুরোধ করেন।
সম্প্রতি বিভিন্ন সর্বভারতীয় পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং নিয়োগ সংক্রান্ত বিতর্কের জেরে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। দলের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, দাবি পূরণ না হলে ৬ জুন থেকে গণআন্দোলন শুরু হবে।
শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকও এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আন্দোলনে যোগদানের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। বিমানবন্দর, শহরের প্রবেশপথ, গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানোর পাশাপাশি তল্লাশি ও নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

সকালে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, জন্তর মন্তরে কর্মসূচি পালনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়া গেছে। যদিও এর আগে দিল্লি পুলিশের তরফে বলা হয়েছিল, আনুষ্ঠানিক আবেদন তাদের কাছে পৌঁছায়নি। তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কর্মসূচির ঘোষণার পর থেকেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এক হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্বে রয়েছেন।
দলের ডিজিটাল শাখার মুখপাত্র আশুতোষ রানকা দাবি করেন, এই কর্মসূচি দেশের রাজনৈতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে অভিজিৎ দীপকের ঘনিষ্ঠ উসমান শেখ আন্দোলনকে শান্তিপূর্ণ রাখার উপর জোর দেন।