কল্যাণ মণ্ডলঃ শওকত মোল্লার গ্রেপ্তারের পর এবার তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ খাইরুল ইসলামের গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব হলেন এলাকার বাসিন্দারা। একই সঙ্গে খাইরুল ইসলামের স্ত্রী ও ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মারুফা খাতুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাঁকে অপসারণের দাবিও জানানো হয়।
আরও পড়ুন:
সোমবার ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে স্থানীয় বাসিন্দা ও আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রধানের পদে থাকা মারুফা খাতুন তাঁর প্রভাব খাটিয়ে পঞ্চায়েতের বিভিন্ন কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন। পাশাপাশি খাইরুল ইসলাম পঞ্চায়েত সমিতির বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক তছরুপের সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি করেন তাঁরা।
ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলা হয়।আরও পড়ুন:
বিক্ষোভকারী খলিলুর রহমান বলেন, “খাইরুল ইসলাম এলাকায় ব্যাপক দুর্নীতি ও তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত। এখন তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়ে আইএসএফ কর্মীদের গুলি করে মারার হুমকি দিচ্ছেন বলেও শুনছি। তাই তাঁর অবিলম্বে গ্রেপ্তার চাই।”
আরও পড়ুন:
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন খাইরুল ইসলাম।
তাঁর দাবি, “আমি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।”আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, একই দিনে ভাঙড়ের বেওতা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ডেপুটেশন দেয় বিজেপি। বিজেপি নেতা অবনী মণ্ডলের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পঞ্চায়েত কার্যত বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, “অবিলম্বে পঞ্চায়েত খুলে স্বাভাবিক পরিষেবা চালু করতে হবে। সেই দাবিতেই আমরা ডেপুটেশন জমা দিয়েছি।”