পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, বিক্ষোভের মধ্যে তাঁকে ঘিরে ধাক্কাধাক্কি ও টানাহেঁচড়া করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা তাঁকে নিরাপত্তা বলয়ে সরিয়ে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন:
সেখান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দ্রুত বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাঁকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিছুক্ষণ চিকিৎসার পর হাসপাতালের পোশাকে হুইলচেয়ারে করে বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় অভিষেককে। পরে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে গাড়িতে করে হাসপাতাল ছাড়েন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।আরও পড়ুন:
হাসপাতাল থেকে বেরোনোর সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সেখান থেকে তাঁরা অন্য হাসপাতালে যাচ্ছেন, কারণ সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা হচ্ছে না বলে তাঁদের মনে হয়েছে। রাত ৮টা নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর একাধিক শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। শোভন চট্টোপাধ্যায় জানান, অভিষেকের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর জামাকাপড়ও ছিঁড়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। মাথাতেও আঘাত লেগেছে বলে জানিয়েছেন শোভন। গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।